ঢাকা   , ,     

Home Blog Page 91

সন্তানদের দেখতে ঢাকায় আসা জাপানি নারীর সঙ্গে অমানবিক আচরণ স্বামীর! বিচার চাইলেন হাইকোর্টে

0

দুই কন্যা শিশুকে নিজের হেফাজতে নিতে বাংলাদেশে এসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছেন এক জাপানি নারী। তার নাম নাকানো এরিকো।
এরিকোর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির জানান, ২০০৮ সালের ১১ জুলাই জাপানি আইন অনুসারে জাপানি নাগরিক নাকানো এরিকো (৪৬) এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক শরীফ ইমরানের (৫৮) বিয়ে হয়। তাদের সংসারে তিনটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। তাদের তিনজনকেই টোকিও’র চফো সিটিতে আমেরিকান স্কুল ইন জাপান (এএসআইজে)-এ ভর্তি করা হয়। সেখানেই তারা পড়ালেখা করছিল। কিন্তু পারিবারিক বিরোধের জেরে চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি বিয়ে বিচ্ছেদের জন্য জাপানি আদালতে মামলা করেন এরিকো।
কয়েকদিন পর ২১ জানুয়ারি বড় মেয়েকে নিজের সঙ্গে নিতে শরীফ ইমরান স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন। কিন্তু এরিকোর সম্মতি না থাকায় স্কুল কর্তৃপক্ষ সে আবেদন খারিজ করে দেয়। পরবর্তীতে বড় দুই মেয়েকে স্কুলবাস থেকে নামিয়ে নিজের ভাড়া বাসায় নিয়ে যান ইমরান। এরপর বাচ্চাদের পাসপোর্ট হস্তান্তরের জন্য গত ২৫ জানুয়ারি শরীফ ইমরান আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদন করেন। কিন্তু এরিকো তা প্রত্যাখ্যান করেন।
এ অবস্থায় গত ২৮ জানুয়ারি এরিকো টোকিও’র পারিবারিক আদালতে তার বাচ্চাদের জিম্মায় রাখতে মামলা করেন। আদালত শিশুদের সঙ্গে পারিবারিকভাবে সাক্ষাতের আদেশ দেন। পরবর্তীতে গত ৯ ফেব্রুয়ারি ইমরান তার মেয়েদের জন্য নতুন পাসপোর্টের আবেদন করেন এবং গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন পাসপোর্ট গ্রহণ করেন। এরপর ইমরান বড় মেয়ে দুটিকে নিয়ে গত ২১ ফেব্রুয়ারি দুবাই হয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন।
এদিকে টোকিও’র পারিবারিক আদালত গত ৩১ মে এরিকোর জিম্মায় মেয়ে দুটিকে হস্তান্তরের আদেশ দেয়। এ অবস্থায় গত ১৮ জুলাই এরিকো শ্রীলংকা হয়ে বাংলাদেশে আসেন। এরপর মেয়েদের সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করেন। ইমরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ইমরান সন্তানদের সঙ্গে সাক্ষাতে অস্বীকৃতি জানান। অবশেষে সন্তানদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও তা ছিল হৃদয়বিধারক ঘটনা।
গত ২৭ জুলাই এরিকোকে চোখ বেঁধে গুলশান থেকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়া হয়। এরপর কোনো একটি বাসায় নিয়ে মেয়েদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া হয়। সাক্ষাত শেষে আবার চোখ বেঁধে একই গাড়িতে করে গুলশানে নামিয়ে দেওয়া হয়। এ অবস্থায় সন্তান দুটিকে আদালতে হাজির করা এবং নিজের জিম্মায় নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে বাংলাদেশের হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন মা এরিকো। এ আবেদনের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট শিশু দুটি ও তাদের বাবার বাংলাদেশ ত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। এক মাসের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে শিশু দুটিকে আগামী ৩১ আগস্ট হাইকোর্টে হাজির করতে তাদের বাবা শরীফ ইমরান ও ফুফু আমিনা জেবিনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের আদালতে হাজির নিশ্চিত করতে গুলশান ও আদাবর থানার ওসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। শিশু দুটির মা নাকানো এরিকোর করা এক রিট আবেদনের ওপর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন আদালত।
আদালত অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনার পাশাপাশি রুল জারি করেন। আদালতে রিট আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ: বিমা কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে দুদকে তলব

0

ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান এম মোশাররফ হোসেনসহ ছয় কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)
বৃহস্পতিবার দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও উপ-পরিচালক নুরুল হুদার স্বাক্ষরে এক নোটিসে তাদেরকে আগামী ২২ ও ২৩ অগাস্ট রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।
সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ সাদেক এই তথ্য জানিয়েছেন। মোশাররফ হোসেনসহ তলব করা অন্যদের মধ্যে আইডিআরএ’র সদস্য মো. দলিল উদ্দিন ও মইনুল ইসলাম এবং পরিচালক মো. শাহ আলম রয়েছেন।
গত মার্চে আইডিআরএ’র চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্স থেকে ঘুষ দাবির অভিযোগে অনুসন্ধানের নামে দুদক। দুদক উপ-পরিচালক নুরুল হুদাকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা এবং সংস্থাটির পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনকে তদারক কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।
২০১৭ সালের ১ নভেম্বর আদিবা রহমান চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে প্রথম এ পদে আসেন। তিন বছর মেয়াদী এ পদে তার মেয়াদ ছিল গত বছরের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত।
সে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ২২ সেপ্টেম্বর এক বোর্ড সভায় ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আদিবা রহমানের নিয়োগ আরও তিন বছরের জন্য নবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়।
সে সিদ্ধান্তের অনুমোদনসহ আরও কিছু বিষয়ের অনুমোদন চেয়ে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) চেয়ারম্যানের কাছে প্রস্তাব পাঠায়। পরে গত বছর ডিসেম্বরের শুরুতে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে দুদকে লিখিত অভিযোগ করেন ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্সের যুগ্ম নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান পল্লব ভৌমিক। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

পরীমনি তৃতীয় দফায় আরও ১ দিনের রিমান্ডে

0

চিত্রনায়িকা পরীমনিকে তৃতীয় দফায় আরও একদিন রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় সিআইডির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ বৃহস্পতিবার পরীমনির এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
বনানী থানায় করা মাদক মামলায় পরীমনিকে তৃতীয় দফায় পাঁচ দিন রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করেছিল সিআইডি। এই আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদেশ দেন আদালত।
দ্বিতীয় দফায় দুদিনের রিমান্ড শেষে গত শুক্রবার পরীমনিকে আদালতে হাজির করেছিল সিআইডি। আদালত সেদিন পরীমনির জামিন আবেদন নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত সোমবার আবার পরীমনির জামিন চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়। এ জামিন আবেদনের ওপর শুনানির দিন ধার্য ছিল গতকাল বুধবার। কিন্তু গতকাল শুনানি শুরুর আগে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়, পরীমনিকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছে সিআইডি। পরে আদালত আজ এ আবেদনের ওপর শুনানির দিন ধার্য করেন।
পরীমনিকে প্রথম দফায় চার দিন ও দ্বিতীয় দফায় দুদিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিআইডি।
৪ আগস্ট পরীমনিকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়। মামলার বাদী র‍্যাব-১-এর কর্মকর্তা মো. মজিবর রহমান।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, ৪ আগস্ট বাদীসহ র‍্যাব-১-এর সদস্যরা গুলশান-১ গোলচত্বরে অবস্থান করছিলেন। বিকেল ৪টা ৫ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন, বনানীর একটি বাসায় পরীমনি তাঁর সহযোগী আশরাফুল ইসলামের মাধ্যমে বিদেশি মদ সংগ্রহ করে মজুত করে রেখেছেন। তাঁরা বাসায় অবস্থান করছেন। পরে বাসার পঞ্চম তলায় অভিযান চালানো হয়। পরীমনির বাসা থেকে নারী র‍্যাব সদস্যের সহায়তায় তাঁকে আটক করা হয়। বাসার একটি কক্ষে কাঠের ফ্রেমের ভেতর থেকে বিদেশি মদ জব্দ করা হয়।
মামলায় অভিযোগে বলা হয়, পরীমনির বাসা থেকে একটি সাদা জিপারে রাখা চার গ্রাম আইস বা ক্রিস্টাল মেথ জব্দ করা হয়। আরও জব্দ করা হয় এক ব্লট এলএসডি মাদক। পরীমনির বাসা থেকে জব্দ বিদেশি মদসহ অন্যান্য মাদকের মোট দাম দেখানো হয়েছে ২ লাখ ৭ হাজার টাকা।
মামলায় বলা হয়, পরীমনি এসব মাদকদ্রব্য কবির নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে সংগ্রহ করে বাসায় রাখতেন। মামলায় কবিরের পূর্ণাঙ্গ নাম-ঠিকানা উল্লেখ নেই।
একই মামলায় র‍্যাব দাবি করেছে, পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, তিনি প্রযোজক নজরুল ইসলাম ওরফে রাজের কাছ থেকে মাদক সংগ্রহ করতেন।
তবে পরীমনি ও আশরাফুল ইসলামের আইনজীবীরা আদালতে দাবি করেছেন, র‍্যাব তাঁদের বাসায় মাদক পাওয়ার অভিযোগে যে মামলা করেছে, তা সঠিক নয়।

কাজী আরেফ হত্যার ফাঁসির আসামি গ্রেফতার

0

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক কাজী আরেফ আহমেদসহ দলটির পাঁচ নেতাকে হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি রওশন আলী ওরফে উদয় মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।
র‍্যাব সদর দপ্তরের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক (এএসপি) আ ন ম ইমরান এ তথ্য জানান।
র‍্যাব সূত্র জানায়, রওশন আলীকে বুধবার রাতে রাজশাহী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
১৯৯৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের কালিদাসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সন্ত্রাসবিরোধী এক জনসভা চলছিল। এ সময় একদল সন্ত্রাসী গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই নিহত হন কাজী আরেফ আহমেদ, তৎকালীন জেলা জাসদের সভাপতি লোকমান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী, স্থানীয় জাসদ নেতা ইসরায়েল হোসেন ও শমসের মণ্ডল। ওই দিনই পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।
চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের সাড়ে পাঁচ বছর পর ২০০৪ সালের ৩০ আগস্ট কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালত ১০ আসামির ফাঁসি ও ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষ আপিল করলে ২০০৮ সালের ৫ আগস্ট হাইকোর্ট নয়জনের ফাঁসির আদেশ বহাল রাখেন। একজনকে খালাস দেন। ১২ জনের সাজা মওকুফ করেন।
হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ফাঁসির দণ্ডাদেশ পাওয়া আসামিদের দুজন রাশেদুল ইসলাম ও আনোয়ার হোসেন আপিল করেন।
পরে ২০১১ সালের ৭ আগস্ট ফাঁসির দণ্ডাদেশ পাওয়া নয়জনের সাজা বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।
২০১৪ সালের ১৯ নভেম্বর রিভিউ আবেদনও খারিজ করেন সর্বোচ্চ আদালত। পরে তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন। সেই আবেদনও নাকচ হয়।
২০১৬ সালে ৮ জানুয়ারি তিনজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়। তাঁরা হলেন কুষ্টিয়ার মিরপুরের রাজনগর গ্রামের হাবিবুর রহমান, কুর্শা গ্রামের আনোয়ার হোসেন ও রাশেদুল ইসলাম।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নয়জনের মধ্যে বর্তমানে চারজন পলাতক। একজন কারাগারে থাকা অবস্থায় মারা গেছেন। আরেকজন বুধবার ধরা পড়লেন।

‘১৬ বছরের ঊর্ধ্বে কোনো ব্যক্তি নিখোঁজ হলে জানাতে হবে সিটিটিসিকে’

0

দেশে ‘১৬ বছরের ঊর্ধ্বে কোনো ব্যক্তি বাসা থেকে নিখোঁজ হয়েছে বা থানায় নিখোঁজ সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হওয়ার তথ্য পেলেই পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটকে অবশ্যই জানাতে নির্দেশনা দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।’
বুধবার (১৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ডিএমপিতে কর্মরত পুলিশের সব সদস্যকে এই নির্দেশনা দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শফিকুল ইসলাম।
মাসিক অপরাধ পর্যলোচলা সভায় জুন ও জুলাই, মাসে ডিএমপিতে অস্ত্র, মাদক, গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিলসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার।
তিনি বলেন, ‘১৬ বছরের ঊর্ধ্বে কোনো ব্যক্তি বাসা থেকে নিখোঁজ হয়েছে, এমন তথ্য পেলে কিংবা থানায় জিডি হলে এ সংক্রান্তে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটকে অবহিত করতে হবে।’
ডিএমপি কমিশনার বলেন, দেশে লকডাউনের ‘বিধি-নিষেধ শিথিল করায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা যাতে অবনতি না ঘটে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। প্রকৃত অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে। ঢাকা শহরের অপরাধ প্রতিরোধে সবাইকে আরো নিরলসভাবে কাজ করতে হবে।

আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের শোক সভা

0

বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের উদ্যোগে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ১৮ আগস্ট বুধবার বিকেলে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় । বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান সিনিয়র এডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন এর সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সদস্য সচিব ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপস এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এম. পি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য সিনিয়র এডভোকেট আবদুল বাসেত মজুমদার, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান এডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমান, রেলমন্ত্রী এডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন এম পি, অ্যাটর্নি জেনারেল ও বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট এ এম আমিন উদ্দিন, আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী এডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম এম পি, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রী এডভোকেট মাহবুব আলী এম. পি, আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট কাজী মো. নজীবুল্লাহ হিরু, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের প্রসিকিউটর এডভোকেট মো. মোখলেছুর রহমান বাদল ও ঢাকা মহানগর পি পি এডভোকেট মো. আবদুল্লাহ আবু।
সভার শুরুতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাত্রিতে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
আলোচনা সভাটি আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ ও ইউটিউব চ্যানেল থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হয় । প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

ই-অরেঞ্জের মালিকসহ ৫ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

0

১১শ’কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের মামলায় ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন ও তার স্বামী মাসুকুর রহমানসহ পাঁচ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত
বুধবার ঢাকার মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
মহানগর পুলিশের অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপ- কশিশনার জাফর হোসেন এই তথ্য জানিয়েছেন।
যে পাঁচজনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে তাঁরা হলেন ই-অরেঞ্জের সোনিয়া মেহজাবিন ও তাঁর স্বামী মাসুকুর রহমান এবং আমানউল্লাহ, বীথি আক্তার, কাউসার আহমেদ। এঁদের মধ্যে সোনিয়া ও মাসুকুর কারাগারে রয়েছেন। গ্রেপ্তার হয়েছেন আমানউল্লাহ। পলাতক রয়েছেন আসামি বীথি আক্তার ও কাউসার।
গুলশান থানায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বুধবার আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।
ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক এই আদেশ দেন।
এর আগে মঙ্গলবার সকালে অগ্রিম অর্থ পরিশোধের পরও মাসের পর মাস পণ্য কিংবা টাকা ফেরত না পাওয়ায় গুলশান থানায় ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে মামলা করেন মো. তাহেরুল ইসলাম নামের এক গ্রাহক।
মামলায় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মটির মালিক সোনিয়াসহ পাঁচ জনকে আসামি করা হয়।

‘জঙ্গিবাদে উস্কানির’ অভিযোগে আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে জিডি

0

আফগানিস্তান নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আসিফ নজরুলের ফেইসবুক পোস্ট ‘জঙ্গিবাদে উসকানি’ দেয়ার অভিযোগে থানায় জিডি করা হয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যায় শাহবাগ থানায় ছাত্রলীগের মানব সম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক মো. নাহিদ হাসান শাহিন এই অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তা জিডি হিসেবে গ্রহণ করে।
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা- ওসি মওদূদ হাওলাদার জানান, “অভিযোগটি ডিজি (সাধারণ ডায়েরি) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যেহেতু অভিযোগটি সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত, তাই ডিবির সাইবার বিভাগের মতামত নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
আফগানিস্তানে তালেবান নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর দেশ ছাড়তে মরিয়া আফগানদের কাবুল বিমানবন্দরের দৃশ্যের ঘটনার প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার দুপুরে আসিফ নজরুল তার ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেইজে লেখেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন হলে কাবুল বিমানবন্দর ধরনের দৃশ্য বাংলাদেশেও হতে পারে।’
এই স্ট্যাটাস ‘রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি, সুনাম ও দেশের আইন শৃঙ্খলা অবনতি ঘটাইতে পারে’ উল্লেখ করে মামলার অভিযোগপত্রে নাহিদ হাসান শাহিন বলেন, “তার স্ট্যাটাসটি শুধু রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি নয় বরং আক্রমনাত্মক তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াইয়া আইন শৃঙ্খলার অবনতি করিয়া সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে তরুণ সমাজকে জঙ্গীবাদে উদ্বুদ্ধ করিতে ও দেশের মধ্যে বিদ্বেষ সৃষ্টি করার মাধ্যমে শান্তি বিনিষ্ট করিয়া বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার সহায়ক।”
এর আগে আসিফ নজরুলকে ‘জঙ্গিবাদের মদদদাতা’ আখ্যায়িত করে ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতা-কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়েন্স এনেক্স ভবনে গিয়ে তার তালাবদ্ধ কক্ষে আরও তিনটি তালা লাগিয়ে দেয়।
এই শিক্ষকের কক্ষের দরজার সামনে ‘দেশদ্রোহী’, ‘জঙ্গিবাদের মদদদাতা’ ও ‘জামাত-শিবিরের এজেন্ট’ লেখা পোস্টারও সাঁটিয়ে দেয় তারা।
একই ঘটনায় বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে আসিফ নজরুলের কুশপুত্তলিকা পোড়ায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতারা। এই শিক্ষককে গ্রেপ্তারের দাবিও জানান তারা।
তালা দেওয়ার ঘটনায় আসিফ নজরুল বলেন, ভিন্নমত কারও থাকতেই পারে। কিন্তু এই ধরনের প্রতিক্রিয়ার কারণ তিনি বুঝতে পারছেন না।

বসুন্ধরা এমডিকে অব্যাহতি দিলো আদালতও, নারাজি খারিজ; আপিল করবেন বাদী

0

মুনিয়ার আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলার অভিযোগ থেকে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
ওই মামলায় গুলশান থানা পুলিশের দেয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে বুধবার (১৮ আগস্ট) আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী।
একইসঙ্গে পুলিশের প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহানের দেয়া নারাজির আবেদনে যৌক্তিক কারণ না থাকায় তা খারিজ করে দেন আদালত।
বাদি পক্ষের আইনজীবী মাসুদ সালাউদ্দিন জানিয়েছেন তারা এই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।
মামলার বাদী অভিযোগের পক্ষে কোনো দালিলিক, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ, মৌখিক বা আইনানুগ সাক্ষ্য বা ঘটনার সঙ্গে প্রাসঙ্গিক কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে না পারায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গত ১৯ জুলাই ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। পুলিশ প্রতিবেদনে মুনিয়ার আত্মহত্যা প্ররোচনায় বসুন্ধরা এমডির কোনো সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়। সে কারণে মামলার অভিযোগ থেকে তাকে অব্যাহতি দেয়ার আবেদন করা হয়।
এরপর আদালত এই প্রতিবেদনের ওপর ২৯ জুলাই শুনানির দিন ধার্য করেন। একইসঙ্গে মামলার বাদীকেও নোটিশ করা হয় ধার্য তারিখে উপস্থিত থাকার জন্য। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে ওইদিন আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি। এ কারণে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয় ১৭ আগস্ট। মঙ্গলবার নির্ধারিত দিনে মামলার বাদী নুসরাত জাহান তানিয়ার পক্ষে আইনজীবী মাসুদ সালাউদ্দিন চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন দাখিল করেন।
আদালত বাদীর বক্তব্য শোনার পর নথি পর্যালোচনা করে পুলিশ প্রতিবেদন গ্রহণ করে বুধবার আদেশ দেন। আদেশে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
গত ২৬ এপ্রিল গুলশানের একটি বাড়িতে মারা যান কলেজছাত্রী মুনিয়া। তার মৃত্যুর পরপরই তড়িঘড়ি করে তার বোন নুসরাত জাহান বসুন্ধরা এমডিকে আসামি করে গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় তার বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়।
প্রায় তিন মাস তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে বসুন্ধরা এমডির কোনো সম্পৃক্ততা না পেয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ।
আদালতে পুলিশের দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, মামলাটি তদন্তকালে সংগৃহীত প্রাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন, ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন পর্যালোচনা করেন তদন্ত কর্মকর্তা। ঘটনাস্থল ফ্ল্যাট মালিকসহ অন্যান্য সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। এমনকি তদন্ত কর্মকর্তা মুনিয়ার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এসব তদন্তকালে তদন্ত কর্মকর্তা ভিকটিমের যাপিত জীবন সম্পর্কিত তথ্যাবলীও সংগ্রহ করেন। সার্বিক তদন্তে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলার বাদীনি কর্তৃক ভিকটিমের আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনার অভিযোগের বিষয়ে কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সাক্ষ্য-প্রমাণ পাননি তদন্ত কর্মকর্তা।

বসুন্ধরার চেয়ারম্যান-এমডির বিরুদ্ধে ৫০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা হুইপ সামশুল হকের

0

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ও এমডি সায়েম সোবহান আনভীরসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ৫০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও চট্টগ্রামের পটিয়ার এমপি সামশুল হক চৌধুরী।
বুধবার ( ১৮ আগস্ট) হুইপ সামসুল হক চৌধুরীর পরিবারের বিরুদ্ধে বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন মিডিয়া দৈনিক কালের কণ্ঠ, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ডেইলি সান, banglanews24 এবং টিভি চ্যানেল নিউজ 24 এর অব্যাহতভাবে মিথ্যা, ভিত্তিহীন, কাল্পনিক এবং মালিকের নির্দেশে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করায় পটিয়া যুগ্ম জেলা জজ আদালতে এ মামলা দায়ের করা হয়।
হুইপের পক্ষে এ মামলা রুজু করেন পটিয়া আইনজীবী সমিতির সভাপতি সিনিয়র অ্যাডভোকেট দীপক কুমার শীল, মামলার বিবাদী করা হয় বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান শাহআলম, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর, বাংলাদেশ প্রতিদিন ও নিউজ ২৪ সম্পাদক নঈম নিজাম, কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, ডেইলী সানের সম্পাদক ইনামুল হক চৌধুরী, বাংলাদেশ প্রতিদিনের রিপোর্টার সাইদুর রহমান রিমন, রিয়াজ হায়দার, কালের কণ্ঠের এস এম রানা, মোহাম্মদ সেলিম, এবং বাংলা নিউজের সম্পাদক।
মামলার আর্জিতে বলা হয়, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ও তার পুত্র সায়েম সোবহান আনভীরের ব্যক্তিগত আক্রোশে ও শত্রুতামূলকভাবে বাদী ও জাতীয় সংসদের হুইপ সামসুল হক চৌধুরীর ছেলে নাজমুল করিম চৌধুরী শারুনের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে আসছে।
বসুন্ধরা গ্রুপের পত্রিকা, অনলাইন ও টিভিতে ১০০ টির অধিক মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর সামাজিক রাজনৈতিক সম্মানহানী করেন যাতে উনার শারীরিক মানসিক এবং আর্থিক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। একাধারে মিথ্যা মানহানীকর সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ক্ষতিপূরণ মামলা দায়ের করেন বলে জানান।
শারুন চৌধুরী তার ফেসবুকে জানান, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা করতে তাদের বিবেক বাধা দিচ্ছে কারণ তারা মালিকের নির্দেশের বাইরে কিছুই করতে পারে না কিন্তু এরকম সংঘবদ্ধ মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া ছাড়া তাদের আর কোনো উপায় নেই। প্রেস কাউন্সিলেও তিনি অভিযোগ দায়ের করবেন।
তিনি আরও বলেন, মিডিয়া মালিকের ইচ্ছা ও ব্যক্তিগত শত্রুতার উদ্দেশ্যে সংবাদপত্রের ব্যবহার বন্ধ হওয়া উচিত।