ঢাকা   , ,     

Home Blog Page 167

মেজর সিনহা হত্যা: আদালতে লিয়াকতের জবানবন্দি, ওসি প্রদীপের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি

0

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা রাশেদ খান হত্যা মামলায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন পুলিশের ইন্সপেক্টর লিয়াকত।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি খাইরুল ইসলাম জানান, বরখাস্ত ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলী ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।
কক্সবাজার জেলা আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর প্রদীপ কুমার দাশ জানান, রোববার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে তাকে আদালতে আনা হয়।বিকাল ৪টা ৩৫ মিনিটে জবানবন্দি শেষ হয়।
এদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার
মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেছেন সিনহা হত্যার ঘটনায় বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। রোববার তদন্ত কমিটি জরুরি সভা শেষে সন্ধ্যায় কক্সবাজারে এক প্রেসব্রিফিং করে এ তথ্য জানানো হয়। মিজানুর রহমান জানান, তদন্ত কমিটির মেয়াদ ৩১ আগস্ট শেষ হবে। কিন্তু প্রদীপ রিমান্ডে থাকায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা সম্ভব হয় নি। আদালতে আবেদন করা হয়েছে, আদালত বলেছেন রিমান্ড শেষেই প্রদীপের জবানবন্দি নেয়া যাবে। সেটা ১ সেপ্টেম্বর হতে পারে। এ জন্য কমিটির মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানানো হয়েছে।
মিজানুর রহমান জানান তদন্ত কমিটি এখন পর্যন্ত ৬৭ জনের জবানবন্দি নিয়েছে। এসব জবানবন্দি থেকে ঘটনার সঙ্গে ওসি প্রদীপের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রদীপের জবানবন্দি নিতে পারলেই তদন্ত শেষ পর্যায়ে পৌঁছবে বলে জানান কমিটির প্রধান।

এ দিকে তৃতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ডের দুই দিন পর লিয়াকতকে আদালতে তোলা হল। এর আগে বেলা সোয়া ১১টায় তাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

জবানবন্দি শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাবের এএসপি খাইরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “মামলার ১ নম্বর আসামি লিয়াকত কিছু তথ্য উপাত্ত আমাদের কাছে স্বীকার করেছেন। পুলিশের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তির কোনো মূল্য নাই যদি না ম্যাজেস্ট্রট সাহেবের কাছে সেটা স্বীকার করেন।

“ওনার ‘ওয়ান সিক্সটি ফোর’ করার জন্য আমরা বিজ্ঞ আদালতে ওনাকে উপস্থাপন করেছিলাম।”

হাতে থাকা একটি খাম সাংবাদিকদের দেখিয়ে খাইরুল বলেন, “আমরা অলরেডি ওনার এটা পেয়েছি। এখন কী বলেছে না বলেছে আমরা এটা জানি না এখনও। এটা পড়ে দেখি নাই। আমার বিশ্বাস যে উনি সত্যিটাই প্রকাশ করেছেন।”

এর আগে সকালে কোর্ট ইন্সপেক্টর প্রদীপ বলেন, লিয়াকত আলীকে আদালতে আনার পর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ( কক্সবাজার-৪) তামান্না ফারাহর আদালতে তোলা হয়। এরপরই  মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার জন্য তাকে বিচারকের খাস কামরায় নেওয়া হয়।

এর আগে আর্মড পুলিশের তিন সদস্য আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। তারা হলেন আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের (এপিবিএন) এএসআই শাহজাহান, কনস্টেবল রাজীব ও কনস্টেবল আব্দুল্লাহ।

গত ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন সিনহা।

এ ঘটনায় গত ৫ অগাস্ট সিনহার বোন শাহরিয়ার শারমিন বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরদিন টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ দাসসহ সাত পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। ওসি প্রদীপ রিমান্ডে রয়েছেন।

ল’রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মাশহুদুল ও সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন

0

 

আইন আদালত, সংবিধান ও মানবাধিকার বিষয়ক রিপোর্টারদের সংগঠন ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের (এলআরএফ) ২০২০-২১ ইং সালের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে সভাপতি পদে এটিএন নিউজের বার্তা সম্পাদক মাশহুদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক পদে ইন্ডিপেনডেন্ট পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার মুহাম্মদ ইয়াছিন নির্বাচিত হয়েছেন।
সহসভাপতি পদে দীপ্ত টিভির আজিজুল ইসলাম পান্নু, যুগ্ম সম্পাদক পদে জিটিভির সাইদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ পদে সারা বাংলা ডটনেটের আব্দুল জাব্বার খান, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দৈনিক ঢাকা টাইমস এর আমিনুল ইসলাম মল্লিক, দফতর সম্পাদক পদে বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম এর খাদেমুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে এনটিভি অনলাইনের জাকের হোসেন, প্রশিক্ষণ ও কল্যাণ সম্পাদক পদে বাংলা টিব্রিউনের বাহাউদ্দিন আল ইমরান নির্বাচিত হন। এছাড়া কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম এর ইলিয়াছ সরকার, নিউজ ২৪ এর মো. হাবিবুল ইসলাম হাবিব, দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের মাহমুদুল আলম নির্বাচিত হয়েছেন।
৩০ আগস্ট(রবিবার) বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে অবস্থিত ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম কার্যালয়ে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও দৈনিক কালের কন্ঠের স্পেশাল রিপোর্টার আশরাফ-উল আলম। এছাড়াও নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার স্পেশাল রিপোর্টার মিজান মালিক ও আমার কাগজের বার্তা সম্পাদক তোফায়েল হোসেন। নির্বাচনি কাজে কমিশনকে সহযোগিতা করেন বিদায়ী ২০১৯-২০ইং সেশনের সভাপতি ও দৈনিক সমকালের সিনিয়র রিপোর্টার ওয়াকিল আহমেদ হিরন। চলতি বছরের মার্চ মাসে তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন প্রার্থীরা। প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এরপর করোনা ভাইরাসের কারণে নির্বাচনি প্রক্রিয়া স্থগিত রাখা হয়।

১৪ বছরে ৬০৪ জন গুম, অভিযোগ তদন্তে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন গঠনের দাবি

0

 

গত ১৪ বছরে ৬০৪ জনকে গুম করা হয়েছে। গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এ তথ্য জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
সংগঠনটি এসব গুমের অভিযোগ তদন্তে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন গঠন করার দাবি জানিয়েছে। আসকের চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানানো হয়।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম বা বলপূর্বক অন্তর্ধান প্রতিরোধ দিবস। এর আগে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) গুমের শিকার সব নিখোঁজ ব্যক্তিকে অবিলম্বে খুঁজে বের করা, প্রতিটি গুমের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিতে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন গঠন, দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গুমের শিকার ব্যক্তি ও তার পরিবারের যথাযথ পুনর্বাসন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার আহ্বান জানাচ্ছে। একইসঙ্গে গুম সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সনদ স্বাক্ষর করে গুম প্রতিরোধে সরকারের সদিচ্ছার বহিঃপ্রকাশ ঘটানোর জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানানো হয়েছে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২০০৭ থেকে ২০২০ (২৫ আগস্ট) পর্যন্ত ৬০৪ জন গুমের শিকার হয়েছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্বজনরা অভিযোগ তুলেছেন। এদের মধ্যে পরবর্তী সময়ে ৭৮ জনের লাশ উদ্ধার হয়েছে। ৮৯ জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে এবং ৫৭ জন ফেরত এসেছে। অন্যদের বিষয়ে সুর্নিদিষ্ট তথ্য গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়নি।
এসব ঘটনায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে পরিবার, স্বজন বা প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা, সাংবাদিক বা মানবাধিকার সংগঠনের তথ্যানুসন্ধানে দেখা যায়, বিশেষ বাহিনী-র‌্যাব, ডিবি পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগের পরিচয়ে সাদা পোশাকে ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের তুলে নেওয়া হচ্ছে। প্রায়ই সংশ্লিষ্ট বাহিনী তাদের গ্রেফতার বা আটকের বিষয়টি অস্বীকার করে। পরিচিত কিংবা প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ ছাড়া খুব কম ক্ষেত্রেই আলোচনা বা আলোড়ন সৃষ্টি হয় এবং উদ্ধারের তৎপরতা লক্ষ করা যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে গুম হওয়ার কিছুদিন পর হঠাৎ করেই তাদের কোনও মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয় বা ক্রসফায়ারে তাদের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া যায়। যারা ফিরে আসতে পেরেছেন তাদের ক্ষেত্রেও কী ঘটেছে তা জানা যায় না।
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে গুমের ঘটনা বরাবর অস্বীকার করা হলেও দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠন এবং জাতিসংঘ মানবাধিকার ব্যবস্থার আওতাধীন বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ বা বিশেষজ্ঞ কমিটি এ বিষয়ে বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করে এসেছেন। ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী কমিটির ৬৭তম অধিবেশনে নির্যাতন এবং অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক অথবা মর্যাদাহানিকর আচরণ বা শাস্তিবিরোধী সনদের আওতায় বাংলাদেশের অগ্রগতি পর্যালোচনা হয়। এ পর্যালোচনায় অঘোষিত আটক, যাকে কমিটি অন্তর্ধান বা গুম হিসেবে বর্ণনা করেছে। সেই বিষয়টিতে কমিটি বলেছে, এভাবে আটককৃত ব্যক্তিকে যদি হত্যা করা হয় অথবা তিনি ফিরে আসেন−যাই ঘটুক না কেন, তাকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনে গুম হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
কমিটি তাদের চূড়ান্ত পর্যবেক্ষণে সব আটক ও আটকাবস্থায় মৃত্যুর ঘটনার সঙ্গে অভিযুক্ত বাহিনীর বাইরে একটি স্বাধীন তদন্ত সংস্থা দ্বারা দ্রুততার সঙ্গে পরিপূর্ণ তদন্ত সম্পাদন করা এবং গুম সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সনদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আইনের মাধ্যমে ‘গুম’কে অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে সনদটি স্বাক্ষর করার সুপারিশ করে।
গুম প্রতিরোধ দিবসে আইন ও সালিশ কেন্দ্র সব গুম হওয়া ব্যক্তির পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানায় আসক। একটি ন্যায় ও মানবাধিকার ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় গুমের মতো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বন্ধ করতে হবে বলেও তারা মনে করে। আসক গুমের ঘটনা প্রতিরোধে এবং ভুক্তভোগী ও পরিবারের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অবিলম্বে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন গঠনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানায়।

বঙ্গবন্ধু ও ১৫ আগস্টের শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

0

 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদদের স্মরণে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ, ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য মন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড: হাছান মাহমুদ এমপি, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা এমএ কাশেম, সাবেক এমপি সাবিনা আক্তার তুহিন, সাবেক এমপি মেজর (অবঃ) জসীম উদ্দীন, মহিলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক জেলা জজ মুক্তিযোদ্ধা রোকেয়া বেগম, দারুসসালাম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাজহার আনাম। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও বিশেষ বক্তা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল মামুন। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি আহমেদ হাসনাইন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মিথুন মোল্লা।

প্রধানমন্ত্রীর অনুকম্পায় বিদেশ যেতে পারবেন খালেদা জিয়া, সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়াতে পরিবারের আবেদন, দলের নেতারা জানেন না

0

 

সরকারের অনুমতি পেলেই বিদেশ চলে যাবেন
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
এ জন্য তাঁর সাজা স্থগিতের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তা বাড়ানোর জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। আবেদনটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হয়ে এখন আইন মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে। সেখান থেকে যাবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে। আর প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলেই চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে পারবেন খালেদা জিয়া। অর্থাৎ খালেদা জিয়া বিদেশ যেতে পারবেন কী না তা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের ওপর। প্রধানমন্ত্রীর অনুকম্পাতেই তিনি যেতে পারবেন বিদেশে।
পরিবারের সদস্যরা তাকে লন্ডনে নিয়ে চিকিৎসা করাতে চান। সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন তাঁর ছেলে তারেক রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা।
গত মঙ্গলবার পরিবারের পক্ষে খালেদা জিয়ার ভাই শামীম ইস্কান্দর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই আবেদন করেন। গত তিনদিন বিষয়টা গোপনই রাখা হয়েছে। এমনকি বিএনপি নেতারাও বিষয়টি জানেন না বা মিডিয়াকে জানান নি। শনিবারই তা জানাজানি হয়। খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়,
গত ২৫ আগস্ট মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে জমা দেওয়া হয়েছে। আবেদনে সই করেন খালেদা জিয়ার ভাই শামীম ইস্কান্দর।
আবেদনে সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো এবং বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিএনপির অনেক শীর্ষ নেতাই বিষয়টি জানেন না বলে জানিয়েছেন। দলটির অঘোষিত মুখপাত্র রুহুল কবির রিজভী, সাংবাদিকদের বলেন, আবেদন করা হবে এটা জানতাম কিন্তু করা হয়েছে কী না জানি না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের একটি দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, আবেদন সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানোর পাশাপাশি খালেদা জিয়া যেন বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা নিতে পারেন সে ব্যাপারে সরকারের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।
জিয়া এতিমখানার নামে টাকা আত্মসাতের দুর্নীতির মামলায় সাজার রায়ের পর বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাবন্দী হন। চলতি বছরের ২৫ মার্চ তিনি সরকারের নির্বাহী আদেশে ছয় মাসের জন্য মুক্তি পান। এই সময় পর্যন্ত তাঁর সাজা স্থগিত রাখা হয়। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার মুক্তির ছয় মাস শেষ হবে।
বিএনপির চেয়ারপারসনের পরিবারের সূত্রগুলো জানিয়েছে, খালেদা জিয়া খুবই অসুস্থ। তারা তাঁর মুক্তি চেয়েছিলেন চিকিৎসা করাবেন বলে। কিন্তু যখন তিনি মুক্তি পান তখন করোনা মহামারির কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়াটা সম্ভব হয়নি। তা ছাড়া বিএনপি চেয়ারপারসন সর্বশেষ চিকিৎসা নিয়েছেন যুক্তরাজ্যের লন্ডনে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রেও চিকিৎসা নিয়েছেন। কারাবন্দী থাকায় ফলোআপ চিকিৎসা হচ্ছে না। এ কারণে এবার আরও লম্বা সময়ের জন্য খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেছেন। তাঁর চান যেন খালেদা জিয়ার স্থায়ী জামিন দেওয়া হয়। সে ব্যাপারে সরকারপ্রধান যেন ব্যবস্থা নেন।

ছয় মাসের জন্য খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হলেও সরকার সেখানে শর্ত জুড়ে দেয়। সেখানে বলা হয় খালেদা জিয়া বিদেশ যেতে পারবেন না। এবার এই শর্তটি বাতিল চান পরিবার।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার পরিবারের আবেদনটি তারা পেয়েছেন। যেহেতু ছয় মাস মেয়াদ শেষ হচ্ছে তাই তা বাড়ানোর জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে। আবেদনটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এরপর আরও কিছু ধাপ রয়েছে। সেগুলো শেষ করে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। তারপর সিদ্ধান্ত পাওয়া যাবে।
২০১৭ সালের ১৫ জুলাই খালেদা জিয়া সর্বশেষ লন্ডনে গিয়ে চোখের ও পায়ের চিকিৎসা নিয়েছিলেন। তিন মাস সেখানে অবস্থান করে ১৮ অক্টোবর দেশে ফেরেন। তাঁর এবারের চিকিৎসার জন্যও লন্ডনের কথাই বেশি উচ্চারিত হচ্ছে।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দীন খোকন শনিবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসার সামনে সাংবাদিকদের বলেন, পরিবার বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছেন। তারা আশা করছেন, সরকার আবেদন মঞ্জুর করবে।

ভ্যাকসিন কূটনীতিঃ চীন- ভারত ও বেক্সিমকো, নেপথ্যে কী আছে?

0

 

ভ্যাকসিন কূটনীতি আর রাজনীতিতে বাংলাদেশ কী শক্তিমান দেশগুলোর গিনিপিগ হতে যাচ্ছে? বাইরে বাইরে তারা শত্রুতা দেখালেও বাণিজ্যে কোনো শত্রুতা নেই,এটা কী আবারো প্রমাণিত হতে যাচ্ছে?
চীনের ভ্যাকসিন যাতে বাংলাদেশে ঢুকতে না পারে সে জন্য ভারত,ব্রিটেন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ব্রিটেনের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা কোম্পানীর ভ্যাকসিন উৎপাদন হচ্ছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে। ফিফটি ফিফটি শেয়ার তাদের। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। এই ভ্যাকসিনের একটা বড় বাজার হবে বাংলাদেশ। ১৭ কোটি মানুষের বাজার। এ বাজার ধরার জন্য সবার মাথা নষ্ট হওয়ার যোগাড়।


বাংলাদেশে বড় ওষুধ উৎপাদনকারী ও ব্যবসায়ী হলো বেক্সিমকো। বেক্সিমকোর মালিক সালমান এফ রহমান চীন ও পাকিস্তান লবি মেনটেইন করেন এটাই রাজনীতিতে প্রচার আছে। কয়েকদিন আগে পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে এখানকার দূতাবাসের অনুষ্ঠানের স্পনসর করেছে বেক্সিমকো। পাকিস্তান দূতাবাসের অনুষ্ঠান স্পনসর করে বেক্সিমকো আর খবর ছাপানো ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের নিউনেশন পত্রিকা। এ নিয়ে সাংবাদিক আর সিভিল সোসাইটির আড্ডায় নানা গল্প শোনা যায়।
সঙ্গত কারণেই বেক্সিমকো যেহেতু চীন ও পাকিস্তান লবির ফলে চীনের ভ্যাকসিন বাজারজাত করার দায়িত্ব পাওয়ার কথা বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের। তারাও আশা করেছিল চীনের এ কাজটা তারা পাবে।
কিন্তু চীন আশাভঙ্গ করে। চীন এখন জাত ব্যবসায়ী। ভ্যাকসিনের নগদ আর মনোপলি ব্যবসা তারা কাউকে দেবে না।
বাজারে খবর আছে চীনা কোম্পানি সিনোভ্যাকের ভ্যাকসিন বাজারজাত করার জন্য বেক্সিমকো সবধরণের চেষ্টা চালিয়েছে। শুরুতে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন যাতে বাংলাদেশে পরীক্ষা না হয়, ঢুকতে না পারে এ জন্য সরকারের “পাওয়ার ম্যান”দের উপর খবরদারি করেছে বেক্সিমকো। চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের সুযোগ পেতেও চাপ ছিল তাদের। বেক্সিমকোকে বাজারজাতের স্বত্ব দেয়া নিয়ে চীন ছিল নীরব। ফলে বেক্সিমকো ধরে নিয়েছিল তারা চীনা ভ্যাকসিনের স্বত্ব পাবে।
গত দু মাস ধরে চীনা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল নিয়ে বাংলাদেশ শাঁখের করাতের মধ্যে পড়ে।


একদিকে আমাদের নতুন বন্ধু চীন আরেকদিকে পুরনো বন্ধু ভারত ও ব্রিটেন। চীনকে হ্যাঁ বললে ভারত অখুশি আর ভারতকে হ্যাঁ চীন অখুশি। এ নিয়ে গত দুমাস ধরে চলে ইঁদুর বিড়াল লড়াই। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব মি. হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা এ নিয়ে ঢাকা পর্যন্ত চলে আসেন। ভারতে উৎপাদিত অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন নিয়ে আশার বানী শুনিয়ে যান।
কিন্তু এ আশায় গুড়ে বালি দিয়ে বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিক জানান, সরকার চীনের ভ্যাকসিন পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে। এ নিয়ে নড়েচড়ে বসে ভারত আর ব্রিটেন। অন্যদিকে সর্বোচ্চ চাপাচাপি করে বেক্সিমকোও নিশ্চিত হয়েছে চীনা কোম্পানি তাদেরকে বাজারজাতের স্বত্ব দেবে না। তারা নিজেরাই বাজারজাত করবে আর এ দেশের অন্য কোম্পানিও ঢুকে গেছে বেক্সিমকোকে বাইপাস করে । হিসেব নিকেশ করে চায়না তাদের লাভ লোকসান দেখেছে।
ফলে আশাহত হয়ে বেক্সিমকো পুরো ইউটার্ন নিয়ে সোজা ভারতের উঠোনে ঢুকে পড়েছে। সেরামের দ্বারস্থ হয়েছে। শুক্রবারই বেক্সিমকোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন বাংলাদেশে তারা বাজারজাত করবে। এ জন্য চুক্তিও স্বাক্ষর হয়োছে। অর্থাৎ বেক্সিমকো এখন ভারতের সেরামের পক্ষ হয়ে নামবে। ফলে চীনের ভ্যাকসিন এখন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। তারা আদৌ আর ট্রায়াল করতে পারবে কি না তা সময়ই বলে দেবে। কারণ এই ট্রায়ালও অনেক জটিল প্রক্রিয়া।
তাই বলা যায় বাণিজ্য আর রাজনীতিতে স্থায়ী শত্রু মিত্র বলতে কেউ নেই। বেক্সিমকো যেখানে চীনের স্বার্থ দেখার কথা সেখানে ভ্যাকসিনের কারণে এখন ভারতের স্বার্থ তাদের দেখতে হবে।
বাংলাদেশের উচিত হবে ভালো ভ্যকসিন পাওয়ার নিশ্চয়তা চাওয়া। গুনগত মান আর মানুষের আর্থিক সামর্থ্য দুটাই বিবেচনা করতে হবে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা আর পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ল্যাবে ( সেরাম ইনস্টিটিউট) উৎপাদিত ভ্যাকসিন কার্যকর বেশী হবে এটাই মনে করেন ওষুধবিজ্ঞানীরা। আমি মনে করি করোনাভাইরাস উৎপাদনকারী দেশ চীনের উৎপাদিত ভ্যাকসিন কার্যকর কেমন হবে তা অবশ্যই যাচাই-বাছাই করতে হবে।
খবর আরও আছে। রাশিয়ার পুতিন ইতিমধ্যে বলেছেন তাদের ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু হয়ে গেছে। আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলেছেন বছর শেষে তাদের ভ্যাকসিনও চলে আসবে।
তবে বাংলাদেশের বাজার নিয়ে রাশিয়া আমেরিকার মাথাব্যথা দেখছি না। এই বাজার দখল করার যুদ্ধে নেমেছে চীন আর ভারত।
আমাদের জন্য কোনটা উপযোগী হবে সেটা আমাদেরই বিবেচনা করতে হবে। মুক্তবাজার অর্থনীতি। বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন, পক্ষপাতমুক্ত হয়ে দেশ ও জনগণের জন্য যেটা ভালো হয় সেটা বিবেচনা করলেই দেশের জন্য মঙ্গল।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কব্জায় আরও দুই জঙ্গি, আইএসের সঙ্গে যোগাযোগ, অর্থ লেনদেন

0

 

রাজধানীতে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবির (জামায়াতুল মুজাহেদীন বাংলাদেশ) এক জ্যেষ্ঠ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইনভেস্টিগেশন (সিটিটিসি) বিভাগ।

সিটিটিসি কর্মকর্তারা বলছেন, গ্রেপ্তার শিব্বির আহমাদ (২২) আন্তর্জাতিক জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে অর্থ লেনদেনেও জড়িত।

বৃহস্পতিবার বিকালে সবুজবাগ থানার পূর্ব বাসাবো এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে সময় তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন, উগ্র মতবাদের বই এবং ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার রশিদ উদ্ধার করা হয় বলে ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার (মিডিয়া) ওয়ালিদ হোসেন জানিয়েছেন। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

নব্য জেএমবির এক সময়ের আমির মুসার সঙ্গে শিব্বিরের ‘ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক’ ছিল জানিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা ওয়ালিদ বলেন, “মুসা মারা যাওয়ার পর শিব্বির কিছুদিন নিস্ক্রিয় ছিল। পরে প্রায় দুই বছর আগে অনলাইনের বিভিন্ন আইডি ব্যবহার করে আইএস অনুপ্রাণিত বিভিন্ন বিদেশি জঙ্গি সংগঠনের সাথে যোগাযোগ করে সে।”

এর মধ্যে ফিলিপিন্স, ইন্দোনেশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও আফগানিস্তানসহ কয়েকটি দেশে ‘আইএস অনুপ্রাণিত সদস্যদের’ সাথে যোগাযোগ রেখে শিব্বির দেশে নব্য জেএমবিকে ফের সংগঠিত করার চেষ্টা করছিলেন জানিয়ে উপ কমিশনার ওয়ালিদ বলেন, “সেজন্য সে বিদেশের বিভিন্ন নাগরিকের কাছ থেকে বিভিন্ন উপায়ে অর্থ সংগ্রহ করছিল।”

দেশে ‘নাশকতামূলক কাজ’ করার লক্ষ্য নিয়ে বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের কাছ থেকে শিব্বিরের অর্থ সংগ্রহের বেশ কিছু প্রমাণও পাওয়া গেছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ঢাকার বাসাবো সাইদিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২০১৭ সালে দাখিল পাস করার পর বিভিন্ন মসজিদের মুয়াজ্জিন ও সহকারী ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শিব্বির আহমাদ। তার বিরুদ্ধে সবুজবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করা হয়েছে।

এদিকে রাজশাহীতে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার-আল ইসলামের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে র‌্যাব জানিয়েছে।

র‌্যাব ৫-এর জনসংযোগ দপ্তর থেকে ই-মেইলে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে জেলার পুঠিয়া উপজেলার রঘুরামপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত ইসমাইল হোসেন (২৪) খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা থানার পলাশপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইসমাইলের কাছ থেকে সাতটি উগ্রবাদী বই ও একটি লিফলেট উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে তার বিরুদ্ধে পুঠিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে।

উইঘুর মুসলিম গণহত্যা বন্ধের দাবিতে ঢাকায় চীন দূতাবাস ঘেরাও করবে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ: রাজধানীতে বিক্ষোভ

0

 

২৮ আগস্ট চীনের উইঘুর মুসলিম গণহত্যা দিবস উপলক্ষে চীনের উইঘুর মুসলিম হত্যা ও নির্যাতন বন্ধের দাবিতে শুক্রবার রাজধানী ঢাকায় প্রতিবাদ সমাবেশ মানববন্ধনসহ নানা কর্সসূচি পালন করেছে বিভিন্ন সংগঠন। এসব কর্সসূচি থেকে চীনের উইঘুর সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন বন্ধের দাবিতে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকায় চীনা দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি দেয়া হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন, প্রতিবাদ সমাবেশ ও সচিত্র প্রদর্শনী কর্মসূচী পালন করেছে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ।
মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল মামুনের সঞ্চালনায় কর্মসূচীতে সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান রাজু, আইন বিষয়ক সম্পাদক এজেডইউ প্রিন্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনেট মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত তূর্য, চকবাজার থানা শাখার সভাপতি আশরাফ উদ্দিন স্বাধীন, যাত্রাবাড়ী থানা শাখার সভাপতি শেখ মাসুদসহ নেতারা।


একই দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে প্রতিবাদ কর্মসূচি ও চিত্রপ্রদর্শন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ সবসময় মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। বিশ্বের সকল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অংশগ্রহণ করা প্রত্যেকটি মানুষের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব বলে আমরা মনে করি। সমগ্র পৃথিবী একটি পরিবার। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় প্রত্যেকটি দেশের নৈতিক দায়িত্ব। কিন্তু সম্প্রতি চীন সরকারের সাম্প্রদায়িক কর্মকাণ্ডে আমরা মারাত্নকভাবে উদ্বিগ্ন। চীনের শিনজিয়াং প্রদেশে বসবাসরত প্রায় ১ কোটি ২৬ লক্ষ মুসলমানদের ওপর অমানবিক ভাবে নির্যাতন ও নিপীড়ন চালানো হচ্ছে যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায়। মুসলিমদের সংখ্যা কমানোর জন্য মুসলিম নারীদের জোর পূর্বক গর্ভপাত করানো, জোরপূর্বক জন্মনিয়ন্ত্রণ ঔষধ খাওয়ানো, পবিত্র কোরআন নিষিদ্ধ করা, ধর্মান্তরিত করা, নারীদের ধর্ষণ, বন্দী শিবিরে আটকে রেখে নির্যাতন করা ইত্যাদি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে চীন সরকার প্রতিনিয়ত সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার লঙ্ঘন করে যাচ্ছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর কোন জোরালো উদ্যোগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। সম্প্রতি চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে মুসলিমদের মসজিদ ভেঙ্গে পাবলিক টয়লেট বানানো হয়েছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক। কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়া কখনোই উচিত নয়। প্রত্যেক মানুষ তাদের ধর্ম স্বাধীন ভাবে পালন করার অধিকার রাখেন। কিন্তু চীন সরকারের সাম্প্রতিক উইঘুর মুসলিম নির্যাতনের কর্মকাণ্ডই প্রমাণ করে তারা কখনোই অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাস করে না।

চীন সরকার সংখ্যালঘু মুসলিমদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় স্বাধীনতায় প্রতিনিয়ত নগ্ন হস্তক্ষেপ করছে যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ২৮ আগস্টকে চীনের জিনজিয়াং প্রদেশের মুসলিমরা উইঘুর গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করে থাকে। উইঘুর মুসলিমরা চীনা জনসংখ্যার ১ দশমিক ৫ শতাংশ। ফ্রিডম ওয়াচের মতে, চীন হচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম ধর্মীয় নিপীড়ক দেশ। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা না থাকায় এসব নিপীড়নের গোঙানির শব্দ বিশ্ববাসী খুব একটা জানতে পারে না। কালেভদ্রে কিছু জানা যায়। চীনের দাবী বিচ্ছিন্নতাবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও ধর্মীয় চরমপন্থার মোকাবেলা করার জন্যই তারা নানান পলিসি নিতে বাধ্য হচ্ছে। কিন্তু দাড়ি রাখা, রমজান মাসে রোজা রাখা কীভাবে ধর্মীয় চরমপন্থা, তা বিশ্ববাসীকে তারা বোঝাতে পারে না। আসলে ধর্মীয় অনুষ্ঠান তাদের মতে চরমপন্থা। আর এই চরমপন্থা দমনের নামে নির্বিচারে গ্রেপ্তার, জেল-জরিমানা চলছে।
” উইঘুর মুসলমানদের ওপর নিপীড়নের বিরুদ্ধে সুশীল সমাজ, বুদ্ধিজীবীরা কথা বলতে পারেন না, কারণ সরকারের চাপে তাদেরকে ‘বোবা’ হয়ে থাকতে হয়। প্রায় ২০ লাখের মতো উইঘুর মুসলিমকে পশ্চিমাঞ্চলীয় শিনজিয়াং অঞ্চলে কয়েকটি শিবিরে বন্দী করে রাখা হয়েছে। এসব ক্যাম্পে তাদের ‘নতুন করে শিক্ষা’ দেয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে শিনজিয়াং প্রদেশে বসবাসকারী লোকজনের ওপর চীন সরকারের নিপীড়নমূলক নজরদারির তথ্যপ্রমাণ ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। গত কয়েক দশকে সংখ্যাগুরু চীনা হান জাতির বহু মানুষ শিনজিয়াং অঞ্চলে গেছেন সেখানে বসবাস করতে। উইঘুর সম্প্রদায়ের লোকজন মনে করছেন এর ফলে তাদের সংস্কৃতি ও জীবনযাপন হুমকির মুখে পড়েছে। যেসব লোকজনের ২৬টি তথাকথিত ‘স্পর্শকাতর দেশের’ আত্মীয়স্বজন আছেন তাদের এসব ক্যাম্পে আটকে রাখা হয়েছে। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, কাজাখস্তান এবং তুরস্কসহ আরো কিছু দেশ। এছাড়াও যারা মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বিদেশের কারো সঙ্গে যোগাযোগ করেছে তাদের টার্গেট করেছে কর্তৃপক্ষ। এসব ক্যাম্পে যাদের রাখা হয়েছে তাদের চীনা ম্যান্ডারিন ভাষা শেখানো হচ্ছে। বলা হচ্ছে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের অনুগত থাকতে। উইঘুরদেরকে ধর্মীয় বিশ্বাসের সমালোচনা করতে অথবা সেই ধর্ম পরিত্যাগ করতে বলা হচ্ছে। বন্দী শিবিরে মুসলিমদেরকে ঘুমাতে দেয়া হচ্ছে না। কয়েক ঘণ্টা ধরে ঝুলিয়ে রেখে পেটানো হচ্ছে। কাঠ ও রবারের লাঠি, তারের চাবুক দিয়ে পেটানো হয়। সুই দিয়ে শরীরে ফুটানো হয়। তুলে নেয়া হয় নখ। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান মিশেল ব্যাশেলেট শিনজিয়াংয়ের পরিস্থিতি দেখতে পর্যবেক্ষকদের সেখানে যাওয়ার অনুমতি চেয়েছিলেন। কিন্তু চীন সরকার কোন অনুমতি দিচ্ছে না যা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। চীন কর্তৃক উইঘুর মুসলিম নির্যাতনের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। অবিলম্বে চীনের সংখ্যালঘু উইঘুরদের সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় খুব শিগগিরই বাংলাদেশে অবস্থিত চীন দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচী পালন করবে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ।”
মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ এর দাবির মধ্যে রয়েছে চীন সরকার কর্তৃক জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিম হত্যা ও নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। চীনের সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিমদের সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে চীনের উইঘুর মুসলিম গণহত্যার বিচার করতে হবে।

নিউজিল্যান্ডে মসজিদে হামলাকারী ব্রেন্টন টারান্টের আমৃত্যু কারাদণ্ড, নেই প্যারোলের সুযোগ

0

 

গত বছর নিউজিল্যান্ডের দুটি মসজিদে হামলা করে ৫১ জনকে হত্যায় অভিযুক্ত ব্রেন্টন টারান্টকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের শাস্তি দিয়েছে নিউজিল্যান্ডের একটি আদালত। সাজাপ্রাপ্ত ব্রেন্টন টারান্টের প্যারোলে মুক্তি পাওয়ারও কোনো সুযোগ থাকবে না।

এই প্রথমবারের মত নিউজিল্যান্ডে প্যারোল ছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের শাস্তি দেয়া হলো। হামলাকারী ব্রেন্টন টারান্টকে আমৃত্যু কারাগারে থাকতে হবে।

নিউজিল্যান্ডের বিচার ব্যবস্থায় মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। খবর বিবিসি।

২৯ বছর বয়সী অস্ট্রেলিয়ান, যার বিরুদ্ধে ৫১ জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে, আরো ৪০ জনকে হত্যার চেষ্টা করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।

দণ্ডাদেশ দেয়ার সময় বিচারক মন্তব্য করেন যে, ব্রেন্টন টারান্ট পরিকল্পিতভাবে দু’টি মসজিদে হামলা করেন এবং তিনি তার কৃতকর্মের জন্য লজ্জিত নন।

গত বছরের ১৫ই মার্চ ক্রাইস্টচার্চের দুইটি মসজিদে বন্দুক নিয়ে গুলি করতে শুরু করে ওই হামলাকারী।

গুলি করার দৃশ্য সে সরাসরি অনলাইনে সম্প্রচার করে।

বিচারের সময় কী হয়েছে?

ব্রেন্টন টারান্টের বিচারের শুনানি চারদিন ধরে চলেছে এবং এই সময়ে ৬০ জনের বেশি ভুক্তভোগীর বিবৃতি শুনেছেন আদালত।

বিবৃতির শেষদিনে আদালতে কোরান থেকে পাঠ করা হয় এবং ভুক্তভোগীদের মারা যাওয়া পরিবারের সদস্যদের ছবি দেখানো হয়।

বৃহস্পতিবারের সাজা শোনানোর আগে বন্দুকধারী ব্রেন্টন টারান্ট আদালতে কথা বলেননি।
কোভিড-১৯ বিধিনিষেধের কারণে আদালত কক্ষ প্রায় খালিই ছিল।

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত যেতে হবে

0

বার্মার রোহিঙ্গাদের ভাসানচর বা অন্য কোথাও নয়, তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে হবে। একটা জনগোষ্ঠীকে নিজভূমি থেকে মেরেকেটে তাড়িয়ে দেবে তা মেনে নেবে কেনো দুনিয়া? বার্মা এমন কোনো শক্তি যে কারো কথা শুনবে না? বার্মাকে আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছে কারা? এই রোহিঙ্গারা নিরাশ্রয় থেকে বাংলাদেশের জন্য কি বিপজ্জনক হবে তা সর্বোচ্চ ১০ বছরের মধ্যেই টের পাওয়া যাবে। এখন ১০ বছরের রোহিঙ্গা শিশু ২০ বছরের যুবক হউক, সে বসে থাকবে? শুধু ইয়াবা আর গাঁজার ব্যবসা নিয়ে বসে থাকবে? এই অঞ্চল পাকিস্তান- আফগানিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার সীমান্তের মতো অ-নিরাপদ জোন হবে। যেখানে প্রকাশ্যে তৈরী ও বিক্রি হয় অস্ত্র মাদক। যা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর নিরাপদ স্থান। নিরাপত্তা বাহিনীও যেখানে অভিযান চালাতে সাহস পায় না।
আমরা মনে করি বড় কোনো শক্তি বার্মার ওপর ভর করে রোহিঙ্গাদের নিয়ে খেলছে। দেশের মৌলবাদি ও সন্ত্রাসী শক্তিও এদের সমর্থন দিচ্ছে। এ খেলা বাংলাদেশের জন্য বিপজ্জনক হবে। রোহিঙ্গাদের তাড়িয়ে সেখানে কারা, কী বানাচ্ছে তা পর্যালোচনা করলেই স্পষ্ট হবে বার্মার বর্বরতাকে কারা সমর্থন দিচ্ছে।
আজ তিন বছর হয়ে গেলো একজন রোহিঙ্গাকেও ফেরত পাঠানো গেলোনা। এখনও প্রতিদিন রোহিঙ্গারা আসছে। তাদের মাধ্যমে ইয়াবাসহ মাদকে সয়লাব হয়ে গেছে পুরো দেশ।
আমরা মনে করি রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত যেতে হবে। এটার কোনো বিকল্প নেই। ভাসানচরে পুনর্বাসনের সিদ্ধান্ত হবে বাংলাদেশের জন্য আত্মঘাতি। জনসংখ্যার ভারে বাংলাদেশ নিজেই আক্রান্ত। তার ওপর ১৫ লাখ রোহিঙ্গার ভার বহন করা কঠিন। বিষয়টি নিয়ে আমাদের জাতীয় ঐকমত্যে পৌঁছাতে হবে।