ঢাকা   , ,     

Home Blog Page 172

ডা. খুরশীদ আলম স্বাস্থ্যের নতুন ডিজি

0
  1. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) পদে নিয়োগ পেয়েছেন ডা.আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

সাবেক মহাপরিচালক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে বৃহস্পতিবারই খুরশীদ আলমের নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। নানা কেলেঙ্কারি আর বিতর্কের মধ্যে পদ ছাড়তে হয়েছে ডা. আবুল কালাম আজাদকে।
২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পদে ছিলেন ডা. আজাদ। সরকারি চাকরির বয়স শেষ হওয়ার পরও তাকে দুই বছরের চুক্তিতে ওই পদে রাখা হয়েছিল, যার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল আগামী বছরের এপ্রিলে।

কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একের পর এক কেলেঙ্কারিতে সমালোচনার মুখে গত ২১ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পদত্যাগপত্র দেন ডা. আজাদ।

সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার ডা. আজাদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে তার চাকরির অবসান হওয়ার কথা জানায়।

নতুন মহাপরিচালক খুরশীদ আলম স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এমবিবিএস পাস করে দশম বিসিএসের মাধ্যমে ১৯৮৪ সালে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান হওয়ার আগে তিনি কুমিল্লা মেডিকেলের সার্জারি বিভাগের প্রধান ছিলেন।

খুরশীদ আলম কিছুদিন বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজেও চাকরি করেছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি যোগ দেন ২০১৮ সালে।

প্রহসনের আগাম জামিন

0

  নাহিদ সুলতানা যুথি। সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী। প্রগতিশীল চিন্তাচেতনার এই আইনজীবী সু্প্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচিত কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের শিক্ষার্থীদের সংগঠন  রুলার সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। সম্প্রতি হাইকোর্টে আগাম জামিন বিতর্ক নিয়ে ফেসবুকে তার একটি  লেখা বেশ আলোচনা-সমালোচনার  জন্ম দিয়েছে। পাঠকদের জন্য আমরা লেখাটি প্রকাশ করলাম।           

         ।।প্রহসনের আগাম জামিন।। 
বিচার ব্যবস্থায় ভার্চুয়াল কোর্ট চালু হয়েছে কিছুটা তরিঘড়ি করে পার্শ্ববর্তী দেশ ইন্ডিয়াতেও স্বল্প পরিসরে ভার্চুয়াল কোর্টের চালুর বিষয়ে কাজ শুরু হয়েছিল প্রায় ১০ বছর আগে থেকে । আমাদের বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অক্লান্ত প্রচেষ্টায় কেবল মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হল । বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে তারই সুযোগ্য পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের দিক নির্দেশনায় ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন আজ বাস্তব।
এর সুফল ভোগ করছে সারাদেশের মানুষ। বাংলাদেশের প্রত্যেকের হাতে এখন স্মার্টফোন, ফোর-জি গতির ইন্টারনেট সেবা থেকে শুরু করে তথ্য প্রযুক্তি খাতে অভূতপূর্ব সাফল্য । আমাদের দেশের ইন্টারনেটসহ স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করা হয়েছে সফল ভাবে। এ দেশীয় টেলিভিশনগুলো এখন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ ব্যবহার করে সম্প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সারাদেশই ডিজিটাল হওয়ায় সবাই সুবিধাও পাচ্ছেন।
কিন্তু আমাদের পরিকল্পনায় ভার্চুয়াল কোর্টের চিন্তা স্থান হয়নি, ভাল অর্থে বললে বলা যায় আমরা বাঙ্গালিরা বরাবরই আয়েশি , প্রথমত পরিকল্পনা করে করে আমরা কোন কাজ করিনা পাশাপাশি গায়ের উপর না আসলে সেটাতে আমরা নির্লিপ্ত থাকি।
মার্চের ৮ তারিখে করোনা ভাইরাসের প্রথম রুগী শনাক্ত হওয়ার পরে সম্ভবত ১৯ তারিখে আমরা অবকাশ কালীন কোর্ট করেছিলাম যেদিন অর্থাৎ সংক্রমণ শনাক্তের ১০ম দিনে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে প্রথম ব্যক্তি মারা যান। একজন মারা যাওয়ার পর হয়ত আমাদের চেতনা বোধ জাগ্রত হল এবং তখন থেকে একটু একটু করে আমরা সচেতন হতে আরম্ভ করেছিলাম । করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে মার্চ মাসের শেষ থেকেই বাংলাদেশের উচ্চ ও নিম্ন আদালত পুরোপুরি বন্ধ থাকে এবং পরবর্তিতে সম্ভবত ২০ এপ্রিল ভার্চুয়াল কোর্ট শুরু হল । যে ভার্চুয়াল কোর্টের জন্য ভারতে লেগেছিল কমবেশি ১০ বছর সেখানে আমাদের দেশে হঠাৎই শুরু হলো ভার্চুয়াল কোর্ট …এবং ট্রায়াল এন্ড এরর করে করে এগিয়ে চলছে ভার্চুয়াল হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট ।
অনেক চড়াই উৎরাই করে মোটামুটি আমরা করোনা মোকাবেলা করে করে এগিয়ে যাচ্ছি ।আমাদের বাংলাদেশে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় করোনায় আক্রান্তসহ মৃত্যুর হার তুলনামূলক ভাবে বেশ কম এবং আমাদের দেশে খাদ্য ঘাটতি নাই বললেই চলে সাথে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের সীমা সাধ্যের মধ্যেই আছে । এবং বর্তমান সরকার এ ব্যাপারে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে । মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সিঙ্গের মাধ্যমে তার দুর্যোগকালীন কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং সংসদ অধিবেশন নিয়মতান্ত্রিক ভাবে চলছে।
এতো কথার সূত্রপাত এই জন্য যে, সম্প্রতি একটি আগাম জামিন নিয়ে জনমনে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে কিন্তু মহামান্য আদালত তার সুন্দর সমাপ্তি করেছেন। কিন্তু আইনজীবীরা আমরা কি বুঝি না ? আমরা কি নিয়ে কোর্ট এ যাচ্ছি ? আমাদের বড়দের দেখেই না ছোটরা শিখবে যাকে আমরা কোর্ট এর নর্ম বলে থাকি এবং আমরা গর্ব বোধ করি।
আইনজীবী বিদেশে , আসামিরা বিদেশে ,কোর্ট হচ্ছে ভার্চুয়াল কিভাবে আমরা আগাম জামিন নিয়ে আদালতে আসতে পারলাম ,কিভাবে মামলাটিকে ম্যানশন করে লিস্ট এ টপে নিয়ে আসলাম ? কিভাবে পারসোনাল উপস্থিতি না মেনে আগাম জামিন নিয়ে আসা যায় ? যেখান আগাম জামিন উচ্চ আদালতে হচ্ছে না পারসোনাল উপস্থিতির সমস্যার জন্য, সেখানে বিদেশ থেকে বিদেশি ভার্চুয়াল উকিল ভার্চুয়াল আসামি ,দেশি ভার্চুয়াল বড় বড় নামি দামী উকিল সাহেবরা মামলাটি নিয়ে কোর্টে গেলেন আবার অর্ডার এ তাদের নাম যেন না আসে সেটি ও করলেন । আমাদের প্রশ্ন এমনটি কি করা যায় ? আইন আছে ,আদালত আছে , আমাদের নাম পদ পদবি আছে সাথে কিন্তু কিছু দায়বদ্ধতাও আছে সেটি ও কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে । আপনারা কি কয়দিন পরে তারেকের মামলা কজ লিস্টে এনে জামিন চাইবেন অথবা বিচার চাইতে ভার্চুয়াল কোর্ট এ আসবেন ? প্রশ্ন কখনই অবান্তর না …উত্তর ও কিন্তু আপনারা জানেন। তাই দায়বদ্ধতাও নৈতিকতার স্খলন নয় …। আমরা সবাই জানি আমাদের আইন আমাদের দেশের অধিক্ষেত্রের মধ্যে। ভার্চুয়াল কোর্ট আন্তর্জাতিক আদালত নয় যে আপনারা বিদেশে বসে বিদেশি উকিল বিদেশি আসামি সাথে দেশি উকিল প্রতিনিধি নিয়ে আইন আদালতের সাথে প্রহসন করেছেন।আইন আপনারা কেউ ই কম জানেন না …অট্টহাসি কখন ও কখনও মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায় তা আমরা কম বেশি সবাই জানি ………… ।
লেখকঃ নাহিদ সুলতানা যুথি, সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী, সাবেক কোষাধ্যক্ষ, সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন।

করোনার সাড়ে ৫ হাজার ভূয়া রিপোর্ট দিয়েছে সাহেদের রিজেন্ট হাসপাতাল, গোয়েন্দাদের তদন্ত

0

রিজেন্ট হাসপাতাল থেকে করোনা টেস্টের অন্তত সাড়ে ৫ হাজার ভূয়া সার্টিফিকেট দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে যেসব সার্টিফিকেট টেস্ট না করে দিয়েছে সেগুলো তদন্ত করছে গোয়েন্দা পুলিশ। ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোঃ আবদুল বাতেন বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন ।

রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মোঃ সাহেদের মামলা তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি। এসব ভূয়া রিপোর্ট দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অন্তত ২ কোটি টাকা হাতিয়েছে সাহেদ।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মোঃ সাহেদ ৫দিন পুলিশ রিমান্ড ছিলেন। মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাহেদের মামলাটির তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করেছে। র‌্যাব শুরু থেকে সাহেদের এই মামলাটি দেখছে। কি পরিমান করোনা টেস্টের সার্টিফিকেট প্রদান ও স্যাম্পল কালেকশন করেছে এসব বিষয়ে ডিবি তদন্ত করেছে।
তিনি আরো বলেন, রিমান্ডে থাকা অবস্থায় সাহেদকে নিয়ে আমরা অভিযান করে তার দেখানো মতে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করেছি। এই সংক্রান্তে পৃথক দুইটি মামলা হয়েছে। এই মামলা ডিবি তদন্ত করবে।
সাহেদের বিরুদ্ধে কয়টি মামলা রুজু হয়েছে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, আমরা শুনেছি সাহেদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় মামলা হয়েছে। এসব মামলা সংশ্লিষ্ট জেলার থানা তদন্ত করবে।
সাহেদ মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত কিনা? সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাহেদ মাদক ব্যবসায়ী কিনা এমন তথ্য তদন্তে পাওয়া যায়নি। অস্ত্র ও মাদকের সাথে অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
জিকেজির ডাঃ সাবরিনার মামলা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নেে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, সাবরিনার মামলার তদন্তের অনেক অগ্রগতি হয়েছে। আমরা আশা করছি শীঘ্রই এই মামলার চার্জশীট দিতে পারবো।
উল্লেখ্য, করোনা টেস্টের সার্টিফিকেট জালিয়াতি মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মোঃ সাহেদকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কাছে ১০ দিনের রিমান্ডে দিয়েছিল আদালত।

সোনারগাঁওয়ের প্রিয় ভূমিতেই অন্তিম শয়ানে শায়িত হলেন সচিব নরেন দাস

0

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার নয়াপুরে নিজস্ব ভূমিতে অন্তিম শয়ানে শায়িত হলেন আইনমন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব নরেন দাস।

সচিব নরেন দাস এর ইচ্ছা অনুযায়ী বুধবার সকাল সোয়া ১১ টার দিকে শেষকৃত্য অনুষ্ঠান শেষে তাঁকে তাঁর প্রিয় ভূমিতেই অন্তিম শয়ানে শায়িত করা হয়।

এরপর আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এমপি’র পক্ষ থেকে সমাধিস্থলে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শেষে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, আইন ও বিচার বিভাগ এবং বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন ও সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইদুল ইসলাম বাংলাদেশ এডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশন ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমাধিস্থলে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিভাগের সচিবের রুটিন দায়িত্ব পালনকারী অতিরিক্ত সচিব মো. মইনুল কবির, আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব ও জুডিসিয়াল সার্ভিস এসোসিয়েশনের মহাসচিব বিকাশ কুমার সাহা, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের যুগ্ম সচিব ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দীন, কাজী আরিফুজ্জামান ও ড. মো. জাকেরুল আবেদীন এবং আইনমন্ত্রীর একান্ত সচিব আবু সেলিম মাহমুদ-উল হাসানসহ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উভয় বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় প্রশাসন এবং সচিব নরেন দাসের স্ত্রী, কন্যা ও আত্মীয়-স্বজনরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকাল ৮ টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সচিব নরেন দাস এর মরদেহ গ্রহণ করেন তাঁর স্ত্রী মিতালি রানী দাস।

তিনি মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটা ১৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরলোকগমন করেন।

জ্বর ও শ্বাস কষ্ট দেখা দেওয়ায় সচিব নরেন দাস স্ত্রীসহ ৫ জুলাই রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন । এরপর ৭ জুলাই সেখানে তাঁদের করোনা পরীক্ষা করা হলে ফলাফল পজিটিভ আসে। এরপর থেকে সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। তাঁর স্ত্রী করোনাকে পরাজিত করে সুস্থ হলেও নরেন দাস করোনার কাছে হেরে যান।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
এদিাে লেজিসলেটিভ সচিব নরেন দাস এর মৃত্যুতে সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরু গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এক শোকবার্তায় সচিব নরেন দাস এর আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

সিকদার ভাইদের জামিন আবেদন খারিজ, আদালতের সময় নষ্ট করায় ১০ হাজার পিপিই জরিমানা

0

সিকদার ভাইদের জামিন আবেদন খারিজ, আদালতের সময় নষ্ট করায় ১০ হাজার পিপিই জরিমানা

এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে হত্যাচেষ্টার মামলায় আগাম জামিন চেয়ে সিকদার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রন হক সিকদার ও তার ভাই দিপু হক সিকদারের করা আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে হাই কোর্ট।

সেই সঙ্গে দেশের বাইরে থেকে আগাম জামিনের আবেদন করে ‘আদালতের সময় নষ্ট করায়’ তাদের জরিমানা করা হয়েছে।

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ১০ হাজার পিপিই প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাদের।

বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের ভার্চুয়াল হাই কোর্ট বেঞ্চ সোমবার এই আদেশ দেয়। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী আব্দুল বাসেত মজুমদার, আজমালুল হোসেন কিউসি। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমদ।

মামলা হওয়ার পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে পালিয়ে যাওয়া সিকদার পরিবারের দুই ছেলে রন ও দিপু রোববার বিদেশ থেকেই হাই কোর্টে আগাম জামিনের এই আবেদন করেন।

রাষ্ট্রপক্ষ রোববারই বলেছিল, বিদেশ থেকে আবেদন করে জামিন পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

আদেশের পর অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, “আদালত ওদের আবেদন রিজেক্ট করে দিয়েছেন এবং তাদের ফাইন করেছেন। দুজনকে পাঁচ হাজার, পাঁচ হাজার করে মোট ১০ হাজার পিপিই প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দিতে বলেছেন।”

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ বলেন, আদালতের সময় নষ্ট করার জন্য এবং এভাবে দেশের বাইরে থেকে দরখাস্ত করার জন্য তাদের এই জরিমানা করা হয়েছে।

“আদালত বলেছে, আইন বহির্ভূতভাবে এভাবে আবেদন করে আদালতের সময় নষ্ট করা ঠিক হয়নি। আমরা যেন এমন কিছু না করি যাতে বিচার বিভাগ সম্পর্কে সাধারণ জনগণের পারসেপশন খারাপ হয়।

“এসব প্রভাবশালী, ধনাঢ্য ব্যক্তিদের যদি এভাবে সুযোগ দেওয়া হয়, তাহলে আদালত সম্পর্কে মানুষের বিরূপ ধারণা তৈরি হবে। কাজেই আদালতের মর্যাদার কথা বিবেচনা করে এ আবেদনটি সরাসরি খারিজ করা হল।”

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির বলেন, রন ও দিপু সিকদারের আইনজীবীরা আগের দিন বলেছিলেন, ওই আবেদন করা হয়েছে সিঙ্গাপুর থেকে। কিন্তু শুনানির সময় বলেছেন, থাইল্যান্ড থেকে আবেদন করা হয়েছে।

“জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আজমালুল হোসেন কিউসি। বাকি যারা ছিলেন, তারা আদালতের কাছে অনুমতি নিয়ে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। আইনজীবী আব্দুল বাসেত মজুমদার বলেছেন, তার নাম বাদ দেওয়ার জন্য।”

সিঙ্গাপুর থেকে রন ও দিপু সিকদারের জামিনের আবেদন
ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালক রন ও দিপুর বিরুদ্ধে এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া এবং অতিরিক্ত এমডি মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে অপহরণ করে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গত ১৯ মে গুলশান থানায় মামলা হয়।
এরপর গত ২৫ মে সিকদার গ্রুপের মালিকানাধীন একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে দুই ভাই ব্যাংককে পাড়ি জমান বলে খবর আসে।
দুই ভাইর বিদেশে পাড়ি জমানোর খবরে ব্যাপক আলোচনার মধ্যে ওই মামলা তদন্তের দায়িত্ব পেয়ে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) রন সিকদারের একটি গাড়ি জব্দ করে।

ট্রান্সশিপমেন্ট: চট্টগ্রাম বন্দরে মঙ্গলবার আসছে ভারতীয় পণ্যের প্রথম চালান,যাবে আসাম ও ত্রিপুরায়

0

ট্রান্সশিপমেন্টের আওতায় চার কন্টেইনার ভারতীয় পণ্যের পরীক্ষামূলক চালান নিয়ে আসা জাহাজটি মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছাবে।ট্রান্সশিপমেন্টের আওতায় এটাই ভারতীয় পণ্যের প্রথম চালান আসছে।

রোববার ভারতের হলদিয়া বন্দর থেকে বাংলাদেশি কন্টেইনারবাহী জাহাজ ‘এমভি সেঁজুতি’ চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করেছে।
চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার খালাসের পর সড়কপথে আখাউড়া সীমান্ত হয়ে ভারতের ত্রিপুরা ও আসাম প্রদেশে এসব পণ্য যাবে।
পরীক্ষামূলক চালানে দুই কন্টেইনার টিএমটি বার (লোহার রড) এবং দুই কন্টেইনার ডালজাতীয় পণ্য রয়েছে। প্রথম দুটি ভারতের ত্রিপুরায় এবং ডালজাতীয় পণ্যের কন্টেইনার দুটি আসামে যাবে।
ভারত থেকে দেশটির এক এলাকা থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর এবং সড়কপথ ব্যবহার করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে পণ্য পরিবহনের পরীক্ষামূলক প্রথম চালান এটি। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।
ভারতীয় পণ্য পরিবহনের ট্রায়াল রান শুরুর বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীরা। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ব্যবসা বাড়ার সাথে অবকাঠামোও বাড়বে বলে তাদের আশা।
চট্টগ্রাম বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন, পরীক্ষামূলক প্রথম চালানটি নিয়ে আসা জাহাজটি মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে বন্দরের বহির্নোঙ্গরে পৌঁছানোর সিডিউল রয়েছে। জোয়ার আসা সাপেক্ষে জাহাজটি বন্দরের জেটিতে ভিড়বে কন্টেইনার খালাসের জন্য।
বাংলাদেশি জাহাজ এমভি সেঁজুতির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট ম্যাঙ্গোলাইনের ম্যানেজার হাবীবুর রহমান জানান, রোববার ভারতীয় পণ্য পরিবহনের চারটিসহ মোট ২২১টি কন্টেইনার নিয়ে জাহাজটি কলকাতার হলদিয়া বন্দর ছেড়েছে। মঙ্গলবার বহির্নোঙ্গরে পৌঁছানোর পর সিডিউল অনুযায়ী চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি-১ জেটিতে ভিড়বে।
বিভিন্ন পর্যায়ে মাশুল ও বন্দরের ট্যারিফ পরিশোধের পর জাহাজ থেকে খালাসের পর কন্টেইনার চারটি ট্রেইলারে করে আখাউড়া সীমান্তে নিয়ে যাওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, কন্টেইনার চারটিতে ১০০ টনের মতো পণ্য রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর সচিব ওমর ফারুক বলেন, ২০১৮ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির আওতায় পণ্যবাহী চারটি কন্টেইনারের ট্রায়াল রান উপলক্ষে বন্দরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বিদ্যমান বার্থিং নীতিমালা অনুযায়ী যে জাহাজটি আগে আসবে, সেটি আগে জেটিতে ভিড়বে বলে জানান তিনি।
বন্দর সচিব বলেন, ভারতীয় পণ্য পরিবহনের ট্রায়াল রানের কন্টেইনার থাকলেও সাধারণ সময়ের মতোই জাহাজ ভেড়ানো ও কন্টেইনার খালাস করা হবে। এর জন্য আলাদা কোনো সুবিধা থাকবে না।
বন্দরের নির্ধারিত ট্যারিফ সিডিউল অনুযায়ী বন্দরের মাশুলসহ আনুষঙ্গিক ফি আদায় করা হবে বলেও জানান তিনি।
এসব প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে ভারতীয় এসব পণ্য সড়কপথে নির্বিঘ্নে তাদের গন্তব্যে পৌছাতে পারছে কি না তা বোঝা যাবে।
চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর দিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোতে পণ্য পরিবহনের জন্য  ২০১৮ সালের অক্টোবরে দিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের সচিব পর্যায়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে পণ্য পরিবহনের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে সাত ধরনের মাশুল নির্ধারণ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এসব আদায় করবে।
এগুলো হল- প্রসেসিং মাশুল, ট্রান্সশিপমেন্ট মাশুল, নিরাপত্তা মাশুল, প্রশাসনিক মাশুল, এসকর্ট মাশুল, কন্টেইনার স্ক্যানিং মাশুল ও ইলেকট্রিক সিলের মাশুল। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসেবে প্রতি কন্টেইনারের জন্য প্রায় ৪৮ ডলারের মতো মাশুল দাঁড়াবে।
এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের জন্য তারা মাশুল পাবে।এর বাইরে সড়কপথে কন্টেইনার পরিবহন এবং অন্যান্য পর্যায়ে অর্থ আদায় করা হবে।
ট্রান্সশিপমেন্টের আওতায় ভারতীয় পণ্য পরিবহনের প্রথম ট্রায়াল রান শুরু নিয়ে চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এখন মুক্তবাজার অর্থনীতির সময়। এক দেশ তাদের পণ্য পরিবহনের জন্য আরেক দেশের বন্দর ব্যবহার করবে।এ প্রক্রিয়ায় চট্টগ্রাম বন্দর অর্থ পাবে। তবে এর জন্য বন্দরের প্রয়োজন সাপেক্ষে অবকাঠামো তৈরি করতে হবে।

তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি এম এ সালাম বলেন, “এটি ইতিবাচক। আমাদের বন্দরের ব্যবসা বাড়বে। প্রথমে চার কন্টেইনারের চালান আসছে। পরে তা আরও বাড়বে। সক্ষমতা বিবেচনায় নিজেদের প্রয়োজন মিটিয়ে যদি সেবা বিক্রি করা হয় তা অবশ্যই লাভজনক।”
তবে আগে নিজেদের সেবাগুলো ঠিক রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, “পণ্য আসা- যাওয়ার মধ্যে যেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন।”
এ প্রক্রিয়ায় শুধু বন্দর-কাস্টমস নয় পরিবহন, কুরিয়ারসহ বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যবসার দ্বার খুলবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ভগবান শ্রীরামের জন্মভূমি নিয়ে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ

0

নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি কর্তৃক ভগবান শ্রী রামচন্দ্র ও জন্মভূমি অযোধ্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন হয়েছে।
শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে হিন্দুদের বিভিন্ন সংগঠন এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, নেপালের প্রধানমন্ত্রী ওলি ভগবান রামের জন্মভূমি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে বিশ্বের কোটি কোটি হিন্দুদের অনুভূতিতে আঘাত দিয়েছেন। তারা অবিলম্বে এই বক্তব্য প্রত্যাহার করার জন্য নেপালের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহবান জানান এবং নেপালবাসীকেও এর প্রতিবাদ করার অনুরোধ জানান। তারা বলেন নেপাল একটি হিন্দু রাষ্ট্র। নেপালের জনগণও ভগবান শ্রীরামকে নিয়ে তাদের প্রধানমন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্য সহ্য করবে না।
প্রতিবাদসভায় বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের শিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষাল, ইউআরআই বাংলাদেশের সমন্বয়ক ড. মোহাম্মদ আব্দুল হাই, সাবেক রাষ্ট্রদূত ড. নিমচন্দ্র ভৌমিক,অধ্যাপক ধীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস প্রমূখ।
মানববন্ধনে হিন্দু ধর্ম সুরক্ষা পরিষদ,বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট, বাংলাদেশ হিন্দু সমাজ সংস্কার সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মিরা অংশ নেন।
উল্লেখ্য গত ১৩ জুলাই নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি ওলি এক অনুষ্ঠানে বলেন, ভগবান রামের জন্ম অযোধ্যায় যা নেপালে অবস্থিত। তাঁর এই বিতর্কিত মন্তব্যে বিশ্বজুড়ে হিন্দুদের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশেও বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন এর প্রতিবাদ জানাচ্ছে। গত ১৭ জুলাই রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাগ্রত হিন্দু সমাজের উদ্যোগে প্রতিবাদসভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

করোনাকালে একমাসে ৫৩০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় নিবন্ধন অধিদপ্তরের

0

এক মাসে ৫২৯ কোটি ৮১ লাখ ৫১ হাজার ৩৩৯ টাকার রাজস্ব আদায় করেছে নিবন্ধন অধিদপ্তর। এ সময়ে সারাদেশে দলিল রেজিস্ট্রি হয়েছে দুই লাখ ৪৭ হাজার ৭৮০ টি।
বৃহস্পতিবার আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক শহীদুল আলম ঝিনুকের একটি প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। গত ৩১ মে থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত এই হিসাব দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘দেশের করোনাকালীন সময়ে ২২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১৩ জন সুস্থ্য হয়ে উঠেছেন। আর একজন কর্মচারী মৃত্যুবরণ করেছেন।’
এখনও বিভিন্ন অফিস থেকে করোনা আক্রান্তের খবর আসছে। এতে কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে করোনা ভীতি বিরাজ করলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/কর্মচারীরা নিষ্ঠার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে রাষ্ট্রের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সচলে ভূমিকা রাখছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

অনলাইনে জেএমবির জঙ্গি কার্যক্রম ঢাকায় গ্রেপ্তার ভারতীয় নারী দুইদিনের রিমান্ডে

0

জঙ্গি কার্যক্রম চালানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার ভারতীয় নাগরিক আয়েশা জান্নাত মোহনা ওরফে জান্নাতুল তাসনিম ওরফে প্রজ্ঞা দেবনাথ (২৫)কে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

এই ভারতীয় নাগরিক কেরানীগঞ্জে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতার আড়ালে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারীদের অনলাইনে জঙ্গি কার্যক্রমে দাওয়াত দিতেন। ছিলেন জেএমবির নারী ইউনিটের নেতৃত্বে।
সিটিটিসি’র সহকারী কমিশনার শেখ ইমরান হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, আয়েশা ভারতীয় নাগরিক। হিন্দু ধর্মাবম্বী এই নারী অনলাইনে জেএমবির কর্মকাণ্ডে আকৃষ্ট হয়ে ধর্মান্তরিত হন। তার কাছ থেকে ভারতীয় পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়েছে। চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি মতিঝিল এলাকা থেকে জেএমবির নারী শাখার প্রধান আসমাকে সিটিটিসি গ্রেফতার করে। আসমার সঙ্গে আয়েশার প্রথম পরিচয় হয়। আসমা গ্রেফতার হলে নব্য জেএমবি’র নারী শাখার দায়িত্ব নেন আয়েশা। আয়েশা আত্মগোপনে থেকে অনলাইনে নারী ও পুরুষ সদস্যদের রিক্রুটের কাজ করছিলেন। তার কাছে দেশ-বিদেশ থেকে নব্য জেএমবির ফান্ডে টাকা আসত। ওইসব টাকা তিনি নারী সদস্যদের মোটিভেশন এবং রিক্রুটমেন্টের পেছনে ব্যয় করতেন।সিটিটিসির উপকমিশনার সাইফুল ইসলাম বলেন, আয়েশা ২০১৬ সাল থেকে বাংলাদেশে যাতায়াত করতেন ভারতীয় পাসপোর্ট নিয়ে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে তিনি কেরানীগঞ্জ থেকে একটি জন্ম নিবন্ধন সনদ সংগ্রহ করেন। ওই জন্ম নিবন্ধন সনদ দিয়ে তিনি একটি ভুয়া এনআইডি কার্ড তৈরি করেন।ওমান প্রবাসী এক বাংলাদেশি নাগরিককে অনলাইনে বিয়ে করে বাংলাদেশি নাগরিকত্ব নেয়ার জন্য ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করেন। তিনি এটি দিয়ে নাগরিকত্ব নেয়ার চিন্তা-ভাবনা করছিলেন। তার সঙ্গে অনলাইনে আরও অনেক নারীর যোগাযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে শুক্রবার (১৭ জুলাই) আদালতে পাঠানো হয়। আদালত ভারতীয় এই নারী নাগরিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যে জেএমবির নারী শাখার অন্যদেরকে গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে।
জেএমবির ইতিহাসঃ
জিহাদের মাধ্যমে ইসলামি খেলাফত প্রতিষ্ঠার ঘোষণা করে ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশে আত্মপ্রকাশ করে জেএমবি। পরে জঙ্গি কার্যক্রমের জন্য বাংলাদেশ সরকারও নিষিদ্ধ করে জেএমবিকে।
অপর দিকে গত বছর ২৪ মে ভারত সরকার জঙ্গি সংগঠন জেএমবিকে ভারতে নিষিদ্ধ করে। ১৯৬৭ সালের আনলফুল অ্যাক্টিভিটিজ প্রিভেনশন অ্যাক্ট (ইউএপিএ) অনুযায়ী সহিংসতা ও নাশকতা ছাড়ানোর অভিযোগে নিষিদ্ধ করা হয় জেএমবি-কে।নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, জেএমবির দুই শাখা ‘জামাতুল মুজাহিদিন ভারত’ এবং ‘জামাতুল মুজাহিদিন হিন্দুস্থান’ দেশের তরুণ প্রজন্মকে সন্ত্রাসবাদ এবং নাশকতামূলক কাজে প্ররোচিত করছে এবং চরমপন্থার প্রসার ঘটাচ্ছে। ২০১৪ সালের খাগড়াগড় বিস্ফোরণ ও ২০১৮ সালে বুদ্ধগয়ার বিস্ফোরণে জেএমবির যুক্ত থাকার স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। ফলে জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ ও তার দুই শাখা সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা হয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান-সহ কয়েকটি বিস্ফোরণে জেএমবির জঙ্গিদের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়।

অন্তত পাঁচটি সন্ত্রাসমূলক ঘটনায় জেএমবির জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে অসম পুলিশ এবং এখন পর্যন্ত নানা ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ভারতের পুলিশ জেএমবির ৫৬ জন জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে। মূলত বাংলাদেশ থেকেই তাদের কার্যক্রম চালায়।

আইনের কঠোর প্রয়োগে সুশাসন নিশ্চিত হউক

0

 

 

যুদ্ধবিগ্রহ ছাড়া সভ্যতার কোনো ইতিহাসই নেই। পৃথিবীর সব সভ্যতাই যুদ্ধবিগ্রহের মধ্যে দিয়ে সৃষ্টি। এক কথায় বলা যায় যুদ্ধ রক্তপাত ছাড়া মানুষের কোনো ইতিহাস নেই। মানুষ আরেকজনকে শক্তি দিয়ে পদানত করেই নিজের ক্ষমতা জাহির করেছে। সেই বরফ যুগ, প্রস্তর যুগ থেকে শুরু করে আজকের দিনটি পর্যন্ত মানুষ কখনো প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে কখনো অন্য প্রাণির সঙ্গে লড়াই করে কখনো নিজের গোত্রের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকতে হচ্ছে। ১০ লাখ বছর আগে সেই বরফ যুগের জাভা মানব,পিকিং মানবদের টিকে থাকার ইতিহাসটা জেনে দেখুন। কতো লড়াই করে তারা টিকে ছিল। পৃথিবীর প্রাচীন ইতিহাসগুলো সেটা মেসোপটেমিয়া হউক,ব্যাবিলনিয় হউক, পারস্য গ্রীক কিংবা ভারতবর্ষের সিন্ধু সভ্যতার ইতিহাসই হউক সব ইতিহাসই গড়ে ওঠেছে ক্ষমতাকে কেন্দ্র করে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ক্ষমতা দখল করে প্রতিপক্ষকে পদানত করে শাসন করেছে শোষন করেছে। ভারতীয় সভ্যতা বা সিন্ধু সভ্যতার সেই হরপ্পা, মহেঞ্জোদারো ধংস হয়েছিল আর্যদের হাতে। সেখানে মারামারি কাটাকাটি হয়েছিল। আর্যরা ক্ষমতাবান হয়েছিল। এর পরের বৈদিক সভ্যতায় যুদ্ধ বিগ্রহ মারামারি লেগেই ছিল। মারামারিতে যে জয়ী হতে পারতো সেই রাজা হতো, শাসন করতো। সিন্ধু সভ্যতা থেকে গত ৫ হাজার বছরের ইতিহাস এমন কি বর্তমান সময় পর্যন্ত মানুষের ইতিহাস মারামারি কাটাকাটি ছাড়া কিছুই নয়। মানুষ আসলে মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, মারামারি করেই শাসন করছে, টিকে আছে। প্রেম ভালোবাসা দিয়ে শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে এমন কোনো নজির ইতিহাসে নেই। প্রেমের কথা, ভালোবাসার কথা কেউ শুনেনি। এমন কি মানুষ যে ধর্মের কথা বলে, পৃথিবীর সব ধর্ম প্রতিষ্ঠা হয়েছে যুদ্ধ বিগ্রহের মাধ্যমে। ধর্মের মর্মবাণী শান্তি প্রেম ভালোবাসা হলেও তা প্রতিষ্ঠা হয়েছে রক্তপাতের মাধ্যমে।
আমরা মনে করি মানুষ তার ইতিহাসটা জানুক। মানুষের শাসনের ইতিহাসে যুদ্ধ আর পদানত করা ছাড়া কিছুই নেই। শুধু প্রেম ভালোবাসা দিয়ে শাসন হয় না। এজন্য দরকার শাসনের কঠোরতা। অন্যায়কারির কঠোর শাস্তি নিশ্চিত না করতে পারলে সমাজে অন্যায় বাড়তেই থাকবে। আমরা চাই দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে আইনের সঠিক ও যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে সুশাসন নিশ্চিত হউক।