অবৈধ সম্পদের মামলায় টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের স্ত্রী চুমকি কারণ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। সোমবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে বিচারক মুন্সী আব্দুল মজিদ তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
দুদকের করা এ মামলায় অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর প্রদীপ ও চুমকির বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।
গত ১৫ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মুন্সী আব্দুল মজিদের আদালত দুর্নীতি মামলার চার্জগঠনের মাধ্যমে প্রদীপ ও তার স্ত্রী চুমকির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন।
গত ২৬ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদক চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন। প্রদীপ গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকলেও এতদিন পলাতক ছিলেন তার স্ত্রী চুমকি।
জানা গেছে, চুমকির ৪ কোটি ৮০ লাখ ৬৪ হাজার ৬৫১ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বিপরীতে বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় ২ কোটি ৪৪ লাখ ৬৬ হাজার ২৩৪ টাকা। বাকি সম্পদ অর্থাৎ ২ কোটি ৩৫ লাখ ৯৮ হাজার ৪১৭ টাকার সম্পদ অবৈধভাবে অর্জনের প্রমাণ পেয়েছে দুদক।
চট্টগ্রামের পাথরঘাটায় ছয়তলা বাড়ি, ষোলশহরে বাড়ি, ৪৫ ভরি স্বর্ণ, একটি কার ও মাইক্রোবাস, কক্সবাজারের একটি ফ্ল্যাট ও ব্যাংক হিসাবের মালিক প্রদীপের স্ত্রী চুমকি। প্রদীপের ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থে স্ত্রী চুমকি এসব সম্পদ অর্জন করেন বলে দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তে উঠে এসেছে। এ ছাড়া চুমকি নিজেকে মাছ ব্যবসায়ী দাবি করলেও তার কোনো প্রমাণ পায়নি দুদক।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই টেকনাফের বাহারছড়ায় পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা। এ ঘটনায় একই বছরের ৬ আগস্ট থেকে কারাগারে রয়েছেন প্রদীপ। সিনহা হত্যা মামলায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
চুমকি কারাগারে
বদির বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলা চলবে: হাইকোর্ট
কক্সবাজারের টেকনাফের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে করা দুর্নীতি মামলার বিচার কার্যক্রম চলবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
মামলার বিচার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে বদির করা আবেদন খারিজ করে দিয়ে রোববার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এ আদেশের ফলে বদির বিরুদ্ধে বিচারকাজ পরিচালনা করতে নিম্ন আদালতের বাঁধা দূর হলো।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী খুরশীদ আলম খান জানান, জ্ঞাত আয়ের বাইরে ৬৬ লাখ ৭০ হাজার টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বদির বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানায় দুদক এ মামলা করেছিল।
মামলাটি এখন চট্টগ্রামের সিনিয়র স্পেশাল মেট্রোপলিটন দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন।
হাইকোর্টে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আনা খানম কলি।
স্থগিতাদেশের আবেদনের শুনানিতে বদির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রফিকুল ইসলাম সোহেল।
গাইবান্ধায় তদন্ত করতে গিয়ে ধর্ষন: অভিযুক্ত এসআইর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি
মামলার তদন্ত করতে এসে বাদীর মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুল হক-এর বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে আদালতে মামলাও হয়েছে।
পুলিশের হুমকিতে ভুক্তভোগী ওই নারী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন। শনিবার (২১ মে) তিনি গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে এসে সংবাদ সম্মেলন করে এসআইয়ের শাস্তি দাবি করেছেন। ওই পুলিশ কর্মকর্তা বর্তমানে রংপুরের মিঠাপুকুর থানায় কর্মরত আছেন।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ওই নারী অভিযোগ করেন, “তার বিধবা মা সোনাভান বেওয়া ২০২১ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জমিজমা নিয়ে ফুলছড়ি থানায় আটজনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। পরে ২৪ অক্টোবর রাতে মামলার তদন্ত করতে আসেন ফুলছড়ি থানার এসআই শামসুল হক । চরাঞ্চলের নিধুয়া পাথারের মধ্যে বাদীর বাড়িতে ঢুকে ঘর থেকে তার মা ও ছোট ভাইকে বের করে দিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে কু-প্রস্তাব দেন। এক পর্যায়ে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর ভয় দেখিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। পরদিন ভুক্তভোগী নারী থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওসার আহম্মেদকে ঘটনাটি জানান। কিন্তু ওসি তাদের অভিযোগের কোন সুরাহা না করে থানা থেকে বের করে দেন। এ ঘটনার পর ১১ ডিসেম্বর তদন্তের কথা বলে এসআই শামসুল হক ভুক্তভোগী নারীকে বালাসীঘাটে ডাকেন। সেখানে তার খালার বাড়িতে আবারও ধর্ষণ করেন। এতে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি ওষুধ প্রয়োগে তার আড়াই মাসের বাচ্চা নষ্ট করেন এসআই শামসুল। এতে ওই নারী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। এ ঘটনার পর গত ৯ জানুয়ারি গাইবান্ধা পুলিশ সুপার বরাবরে আবেদন করেন।”
ইতিমধ্যে অভিযুক্ত এসআই শামসুল হক ফুলছড়ি থানা থেকে বদলি হয়ে রংপুরের মিঠাপুকুর থানায় যোগ দেন। থানায় কোন প্রতিকার না পেয়ে ভুক্তভোগী নারী গত ১৬ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলা করেন (নং ১২)।
দীর্ঘদিনেও পুলিশ কর্মকর্তা শামসুল হকের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় ওই নারী গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে এসে সংবাদ সম্মেলন করেন এবং সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। তিনি সাংবাদিকদের কাছে বলেন, ‘ধর্ষণের দ্রুত বিচার না পেলে তিনি আত্মহননের পথ বেছে নিতে বাধ্য হবেন।’ এ ব্যাপারে ওসি কাওসার আহম্মেদ জানান, ধর্ষণের ঘটনা সম্পর্কে তিনি অবহিত নন। ভয়েস অফ আমেরিকা।
সময়মত বিচার না পেলে জনগণ বিচার বিভাগের ওপর আস্থা হারাবে: আইনমন্ত্রী
মামলার জট কমিয়ে আনতে বার বার সময় চেয়ে আবেদন না করতে আইনজীবীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, বলা হতো- সিভিল কেস বেগুন খেতের মতো। এটা প্রচলিত ছিল। এই অবস্থার পরিবর্তন করতে হবে। জনগণ সময়মত বিচার না পেলে বিচার বিভাগের ওপর আস্থা হারাবে। শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আইন ও বিচার বিভাগের আয়োজনে মামলাজট নিরসনে জিপি (গভর্নমেন্ট প্লিডার) ও পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর)দের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, সারা বিশ্বে মামলাজট এক বিরাট সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বাংলাদেশও এই সমস্যার বাইরে নয়। মামলাজট থেকে বেড়িয়ে আসার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার অনেক রকম পদক্ষেপ নিয়েছে। আরও অনেক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে দেওয়ানী কার্যবিধির (সিপিসি) কিছু ধারা সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সিপিসি যখন তৈরি করা হয়েছিল তখন প্রযুক্তির এত উন্নয়ন হয়নি। প্রযুক্তির উন্নয়নের কারণে এখন বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় খবর পাঠাতে সময় লাগে কয়েক সেকেন্ড। পৃথিবী যখন এত এগিয়ে গেছে, আমার মনে হয় সিপিসির যেখানে বলা আছে অমুকটার জন্য ৪৫ দিন সময় দিতে হবে, অমুকটার জন্য ৬০ দিন সময় দিতে হবে। এত সময়ের আর প্রয়োজন নেই। বলেন, আদালত ও বিচারক সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সাক্ষ্য আইন যুগোপযোগী করা হচ্ছে। এই আইনের ১৫৫(৪) ধারা বাতিল করা হচ্ছে। এনআই অ্যাক্ট, ১৮৮১ সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এছাড়া বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (এডিআর) ওপর জোর দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, দেওয়ানী আদালতগুলোতে অনেক আপষযোগ্য মামলা দীর্ঘদিন ধরে পড়ে রয়েছে। এই মামলাগুলো এডিআর পদ্ধতিতে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা গেলে মামলাজট অনেক আসবে। ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংবিধানে সংযোজন করে দিয়ে গেছেন সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার কথা, যেটা অনেক গণতান্ত্রিক দেশের সংবিধানে নেই। বঙ্গবন্ধু এটা সংবিধানে মৌলিক অধিকার হিসেবে সংযোজন করে দিয়ে গেছেন। তার কন্যার সরকার এমন কোনো আইন করবে না, যাতে বাক-স্বাধীনতা বা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ব্যাহত হয়। আমরা সেটা করিনি। তিনি বলেন, প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে কিছু সমস্যারও সৃষ্টি হয়েছে। সেসব সমস্যা হলো সাইবার ক্রাইম। আমাদের এই সাইবার ক্রাইম মোকাবিলা করতে হবে। অনেক অপরাধ আছে যেগুলো আর ফিজিক্যালি করা হয় না, কম্পিউটারের মাধ্যমে করা হয়। সেটার বিচার করা হবে কীভাবে? সে জন্য তো একটা আইন করতে হবে। আমরা সে জন্য ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট করেছি। তিনি বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট করার পরে কিছু মিসইউজ এবং অ্যাবিউজ যে হয়নি তা তো নয়। তিনি বলেন, আগে দেখা যেত, থানায় ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে মামলা হলেই একজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হতো। আমি সেখানেও বলেছি যাতে এই মামলা করার সঙ্গে সঙ্গে যেন কাউকে গ্রেপ্তার না করা হয়। আদালত যদি মনে করেন এটা অত্যন্ত গর্হিত অপরাধ তাহলে, সে রকম ব্যবস্থা নেবে। আর যদি মনে করেন, সমন দিলেই যথেষ্ট, সমন দেবেন। তাই বলে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট বাতিল করে ফেলতে হবে, আমি এটা সমর্থন করি না। আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে আইনমন্ত্রী বলেন, আপনারা আগে দেখবেন ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে কোনো একটি ঘটনায় আদৌ মামলা হয়েছে কি না। তারপর সেটা বিবেচনা করবেন। আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় দেশের আট বিভাগের আটজন জিপি ও আটজন পিপি মামলাজট নিরসনের বিষয়ে নিজেদের মতামত ব্যক্ত করেন। সভায় জিপি-পিপিগণ মামলাজট নিরসনে আদালতে সময়মত সাক্ষীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা, আরও বিচারক নিয়োগ, আদালত সংখ্যা বাড়ানো, সময়মত সমন জারি ও তার প্রাপ্তি নিশ্চিত করা, দেওয়ানী কার্যবিধির কিছু ধারা সংশোধন, মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ ও ডাক্তারের আদালতে সময়মত উপস্থিতি, বার ও বেঞ্চ এর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখা সহ বিভিন্ন সুপারিশ করেন।
সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটার তালিকা হালনাগাদ শুরু
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকায় যোগ্য ভোটারদের তালিকাভুক্ত করার কাজ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার (২০ মে) থেকে চার ধাপে সম্ভাব্য ভোটার ও মৃত ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। প্রথম ধাপে ৬৪টি জেলার ১৩৯টি উপজেলায় ৯ জুন পর্যন্ত ঘরে ঘরে তথ্য সংগ্রহের কাজ করবেন গণনাকারীরা।
এসময় ২০০৫ সালের ১ জানুয়ারি বা তার আগে জন্মগ্রহণ করা ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে।২০২৩ সালের ২ মার্চ, সর্বশেষ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।তথ্য সংগ্রহ অভিযান চলাকালীন, বিদ্যমান ভোটাররা তাদের ঠিকানার তথ্য নবায়ন করার জন্য আবেদন করতে পারেন।শুক্রবার সকালে সাভার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে তথ্য সংগ্রহ অভিযানের সূচনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল।
এছাড়া মানিকগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, খুলনা ও শরীয়তপুর-এ চারটি জেলায় এ কর্মসূচির মোড়ক উন্মোচন করেন চার নির্বাচন কমিশনার।নির্বাচন কমিশন এবার সাত দশমিক পাঁচ শতাংশ ভোটার বৃদ্ধির অনুমান করেছে।
যদি কেউ ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্ত করতে চান, তাহলে ব্যক্তির একটি ১৭ সংখ্যার অনলাইন জন্ম নিবন্ধন প্রশংসাপত্র, একাডেমিক সার্টিফিকেট (যদি প্রযোজ্য হয়) এবং বাবা বা মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ইউটিলিটি বিলের ফটোকপি থাকতে হবে।
এবার ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার জন্য মাঠ পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহের জন্য ৫৬ হাজার গণনাকারী এবং ১১ হাজার ৩০০ সুপারভাইজার নিয়োগ করা হয়েছে। রোহিঙ্গা শরণার্থীরা যাতে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হতে পারে, সেজন্য চট্টগ্রামের ৩২টি এলাকায় বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে ইসি।
আফগানিস্থানে টিভি উপস্থাপিকাদের মুখ ঢেকে রাখার নির্দেশ তালেবানের
আফগান টিভি উপস্থাপিকাদের মুখ ঢেকে রাখার নির্দেশ দিয়েছে তালেবান। বৃহস্পতিবার আফগানিস্তানে ক্ষমতাসীন তালেবান স্থানীয় টিভি চ্যানেলগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে যে নারী উপস্থাপক টিভি পর্দায় থাকাকালীন যেন তাদের মুখ ঢেকে রাখে। বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদ সত্ত্বেও নারী অধিকারের ওপর নিষেধাজ্ঞা বাড়াচ্ছে তালেবান।
তালেবান মুখপাত্র আকিফ সাদিক নিশ্চিত করেছেন যে তারা আফগান রাজধানী কাবুলে অবস্থিত দেশীয় সমস্ত মিডিয়াকে মুখ ঢেকে না থাকলে নারী কর্মীদের সম্প্রচারে বাধা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
২০২১ সালের আগস্টে ক্ষমতায় ফেরার পর শুধুমাত্র পুরুষের অংশগ্রহণে গঠিত অন্তর্বর্তীকালী তালিবান সরকার নারীদের ওপর একের পর এক কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে।
আফগান নারীদের জনসমক্ষে মুখ ঢেকে মাথা থেকে পা পর্যন্ত পোশাক পরার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আদেশ না মানলে তাদের পুরুষ অভিভাবকদের ৩ দিন বা তার বেশি জেল হতে পারে।
বেশিরভাগ নারীকে তাদের কর্মক্ষেত্রে ফিরতে নিষেধ করা হয়েছে বা ঘনিষ্ঠ কোনো পুরুষ আত্মীয়কে সঙ্গী না করা পর্যন্ত দীর্ঘ ভ্রমণে না যেতে বলা হয়েছে। ১২ বছরের বেশি বয়সী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মেয়েদের আবার ক্লাস শুরু করার অনুমতি দেয়া হয়নি।
নারী অধিকারের ওপর এহেন দমন-পীড়ন আফগান কর্মী ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ক্ষুব্ধ করেছে।
আগস্টে আফগানিস্তান দখল করার পর থেকে নির্বাচন কমিশন এবং নারী বিষয়ক মন্ত্রকসহ আফগানদের স্বাধীনতার জন্য কাজ করা আরও কয়েকটি সংস্থাকেও তালেবান বন্ধ করে দিয়েছে। ভয়েস অফ আমেরিকা।
বনগাঁর তৃণমূল প্রার্থী বাংলাদেশের নাগরিক! ব্যবস্থা নিতে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের তৃণমূল কংগ্রেসের এক পরাজিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় নাম থাকার অভিযোগ ওঠেছে। বিষয়টি হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে। শুক্রবার কলকাতা হাই কোর্টে ওই মামলাটি শুনানি হয়েছে। শুনানিতে আদালতকে জানানো হয়, বনগাঁ আসনের তৃণমূলের প্রার্থী আলোরানি বাংলাদেশের ভোটার। ভোটে পরাজয়ের পর তিনি হাই কোর্টে গিয়েছিলেন নির্বাচনে বিজয়ী বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে মামলা করতে। কিন্তু শুনানিতে দেখা যায় আলোরানি নিজেই বাংলাদেশের ভোটার ফলে আদালত পাল্টা তাঁর বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়।
আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ওই তৃণমূল প্রার্থীর ‘বেআইনি’ কাজের তালিকাও তুলে ধরল আদালত। গত বিধানসভা নির্বাচনে বনগাঁ দক্ষিণ আসন থেকে তৃণমূলের হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন আলোরানি সরকার। কিন্তু বিজেপি প্রার্থী স্বপন মজুমদারের কাছে তিনি হেরে যান। এর পর দল তাঁকে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পদ দেয়। পরে সেই পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে গোপাল শেঠকে ওই দায়িত্ব দেওয়া হয়। ভোটে হেরে সেই সময় স্বপনের জয়কে চ্যালেঞ্জ করে আলোরানি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। শুক্রবার হাই কোর্ট ওই মামলাটি খারিজ করে দেয়। তবে শুনানির সময় আদালতকে জানানো হয়, আলোরানি বাংলাদেশের ভোটার। ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব রয়েছে তাঁর। হাই কোর্টে বিষয়টি সামনে আনেন বিজেপি বিধায়ক স্বপনের আইনজীবী অরিন্দম পাল। বিচারপতি বিবেক চৌধুরীর এজলাসে মামলাটি ওঠার পর অরিন্দম জানান, বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে আলোরানির। এ বিষয়ে আদালতে তথ্যপ্রমাণও দেন তিনি। মামলাকারী আলোরানি সেই তথ্যের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ দিতে পারেননি। এর পরেই বিচারপতি জানান, ভারতের সংবিধানে দ্বৈত নাগরিকত্বের কোনও জায়গা নেই। ফলে মামলাকারী নিজেকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে দাবি করতে পারেন না। তিনি দেশের নির্বাচনেও অংশ নিতে পারেন না। আদালত এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে আলোরানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়।
জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বিচারকদের বিদেশ ভ্রমণ এড়ানোর নির্দেশ প্রধান বিচারপতির
অধস্তন আদালতের বিচারকদের জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বিদেশ ভ্রমণের আবেদন না করার জন্য নির্দেশ জারি করেছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। বৃহস্পতিবার আদেশক্রমে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. বজলুর রহমান স্বাক্ষরিত এ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। জাতীয় অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব এড়াতে এ নির্দেশনা জারি করেছেন প্রধান বিচারপতি।
বিজ্ঞপ্তি বলা হয়, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে অধস্তন আদালতের বিচারকদের বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে বিদেশ ভ্রমণের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিচারপ্রার্থী জনগণের দ্রুত বিচারিক সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব এড়াতে অধস্তন আদালতের বিচারকদের অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ পরিহার করতে অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন প্রধান বিচারপতি। এমতাবস্থায়, অতীব প্রয়োজন ব্যতীত অধস্তন আদালতের বিচারকদের বিদেশ ভ্রমণের আবেদন না করার জন্য নির্দেশ দেয়া হলো।
দেশে সব ধর্মের মানুষ সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা নিয়ে ধর্মীয় অধিকার ভোগ করছেন: আইনমন্ত্রী
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সকল মানুষের কাছে স্বাধীনতার সুফল পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি তাদের ধর্মীয় অধিকার রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ । দেশে সব ধর্মের মানুষ সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা নিয়ে তাদের ধর্মীয় অধিকার ভোগ করছে। বাংলাদেশ আজ বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশের সুনাম নিয়ে গর্ববোধ করছে। এর কৃতিত্ব দার্শনিক রাষ্ট্রনায়ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্যারিশমাটিক নেতৃত্বের।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ দ্বীনি সেবা ফাউন্ডেশন আয়োজিত বিশ্বজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনা ও জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা- ২০২২ অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
আইনমন্ত্রী আলেম-উলামাগণকে উদ্দেশ্য করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যতদিন ক্ষমতায় থাকবেন, ততদিনই তাঁর সরকার আলেম-ওলামাগণের মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি কুরআন-সুন্নাহর জ্ঞান আহরণ এবং তার প্রচার ও প্রসারে ভূমিকা রেখে যাবেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুই প্রথম আলেম-ওলামাগণের কুরআন-সুন্নাহর জ্ঞান অর্জন এবং তার প্রচার ও প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, কাকরাইল মসজিদের জন্য জমি বরাদ্দ দিয়েছিলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও তাঁর পিতার আদর্শ অনুসরণ করে অনেক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন। তিনি ইসলামী অঙ্গনের শত বছরের স্বপ্ন ও দাবী ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। দেড় শতাধিক বছরের ঐতিহ্যবাহী কওমী মাদ্রাসাকে বিকল্প শিক্ষাব্যবস্থা হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছেন এবং এর সর্বোচ্চ সনদকে মাস্টার্সের সমমান প্রদান করেছেন। নতুন ধারার দারুল আরকাম মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে অসংখ্য কওমী আলেমের কর্মসংস্থান করেছেন। মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগ প্রতিষ্ঠা করে এর অধীনে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করেছেন। বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ প্রতিটি প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধু কন্যার এইসব অবদান চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিশেষ করে হাজার বছরের ইতিহাসে তুলনাহীন অবদান ৬৫০ টি মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের গৌরবজনক কর্মটি প্রধানমন্ত্রীর নামকে বাংলাদেশের শাসন ও নেতৃত্বের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিখে রাখবে ইনশাআল্লাহ।
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান, ঢাকা ১৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা, ঢাকা ১৪ আসনের সংসদ সদস্য আগা খান মিন্টু, হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক আল্লামা ইয়াহইয়া তালুকদার, ফাউন্ডেশনের আহবায়ক মোহাম্মদ ওমর ফারুক প্রমুখ বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্বজয়ী ১০ জন হাফেজকে সংবর্ধিত করা হয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জঙ্গি বলায় আব্বাসীর বিরুদ্ধে মামলা
১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জঙ্গির সঙ্গে তুলনা করে বক্তব্য দেয়ায় কথিত ইসলামি বক্তা এনায়েত উল্লাহ আব্বাসীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মে) রাতে শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন।
ফেসবুকে প্রচারিত একটি ডিবেট শো-তে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ‘জঙ্গি’ বলে বক্তব্য দেন এনায়েত উল্লাহ আব্বাসী।
অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক সাইফুল রহমানকেও আসামি করা হয়েছে।
শাহবাগ থানার ওসি মওদুত হাওলাদার মঙ্গলবার রাতে গণমাধ্যমকে জানান, মামলায় আব্বাসীকে এক নম্বর আসামি করা হয়। অন্যদিকে সাইফুল রহমানকে করা হয়েছে দুই নম্বর আসামি।
ওসি মওদুত হাওলাদার বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের কটাক্ষ করার অপরাধের একটি অভিযোগ থানায় এসেছে ডিজিটাল নিরাপাত্তা আইনে মামলা নেয়ার জন্য। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে মতামতের জন্য পাঠানো হয়েছে।সেখান থেকে মতামত আসার পর মামলা নিয়ে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।’
মামলার এজহারে বলা হয়েছে, মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সন্তানদের জঙ্গির সঙ্গে তুলনা করে ধৃষ্টতা দেখিয়ে এনায়েতুল্লাহ বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে স্পষ্ট প্রোপাগান্ডা ও প্রচারণা চালিয়েছেন। বীর মুক্তযোদ্ধাদের ও তাদের অবদানকে অপমান ও অপদস্ত করেছেন। যা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮- এর ২১/২৮/২৯/৩৫ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধ।
উল্লেখ্য, গত ১৪ মে ফেসবুকের একটি টকশোতে মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস তদন্তে গণকমিশন প্রকাশিত ২ খণ্ডের শ্বেতপত্র নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানে আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল ‘১১৬ জন আলেম নিয়ে অভিযোগ বিশ্লেষণ’। টকশোতে হাজির ছিলেন এনায়েত উল্লাহ আব্বাসী। তিনি ছাড়াও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মিজানুল ইসলাম, ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ, ব্যারিস্টার নিঝুম মজুমদার।
ভার্চুয়াল সংযোগের মাধ্যমে টকশোটি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে এক পর্যায়ে জঙ্গি শব্দটা ‘জাং’থেকে এসেছে জানিয়ে শাব্দিক অর্থে মুক্তিযোদ্ধারাও এক অর্থে জঙ্গি বলে মন্তব্য করেন এনায়েত উল্লাহ আব্বাসী।











