ছাত্রদের চুল কেটে দেয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনকে ৩ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে, তিনি স্বপদে বহাল থাকছেন।
গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস সংস্কৃতি ও বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগের ১৪ জন শিক্ষার্থীর মাথার চুল কেটে দেয়ার ঘটনায় ওই বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র নাজমুল হোসেন তুহিন (২৫) ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সিরাজগঞ্জের খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনার পরে অভিযুক্ত শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনের স্থায়ী বহিষ্কার দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেন। এতে করে ব্যাহত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আশা করছে, তাদের নেয়া সিদ্ধান্তে ২ মাসের বেশি সময় ধরে চলা বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির অবসান হবে।
রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনকে ২০১৭-১৮, ২০১৮-১৯ ও ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের সেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. সোহরাব আলী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট ও একাডেমিক কমিটির মতামতের ওপর ভিত্তি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
এই ৩ শিক্ষাবর্ষের সময়কালে কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা হলেও শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন স্বপদে বহাল থাকবেন বলেও জানান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রওশন আলম বলেন, ‘অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে গত প্রায় ২ মাস ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা যাবে বলে আশা করছি।’সূত্র- দ্য ডেইলি স্টার।
শিক্ষার্থীদের চুল কেটে দেয়া শিক্ষিকা ফারহানা নিজ পদেই থাকছেন
রাজধানীতে ১২০ কেজি গাঁজা, প্রাইভেটকারসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও হাতিরঝিল থানা এলাকা থেকে ১২০ কেজি গাঁজা এবং ১টি প্রাইভেটকারসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলো মোঃ সোহেল, মোঃ মামুন আক্তার ওরফে মামুন খান, মোঃ হানিফ খলিফা ও আল আমিন ও আকাশ।
রবিবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে যাত্রাবাড়ী থানার আসমা আলী সিএনজি স্টেশনের বিপরীতে মেসার্স চৌধুরী টিম্বার কমপ্লেক্স এর সামনে থেকে ৪ জনকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান জোনাল টিম।

গোয়েন্দা গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মাহবুবুল হক সজীব জানান,কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী সাদা রংয়ের প্রাইভেটকারযোগে বিপুল পরিমাণ গাঁজা নিয়ে ঢাকার দিকে আসছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে যাত্রাবাড়ী থানার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আসমা আলী সিএনজি স্টেশনের সামনে অবস্থান নেয় গোয়েন্দারা। এ সময় অভিযান চালিয়ে প্রাইভেটকারসহ সোহেল, মামুন খান, হানিফ ও আল আমিনকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাইভেটকারটি তল্লাশি করে ১০৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, গ্রেফতারকৃতরা জানায় কুমিল্লা জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে গাঁজা নিয়ে জয়পুরহাট জেলায় যাচ্ছিল।
এদিকে রবিবার রাতে রাজধানীর হাতিরঝিল থানা এলাকা হতে গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী আকাশ মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। রাত সোয়া ৯টার দিকে হাতিরঝিল থানার মগবাজার রেলগেইট এলাকায় অভিযান চালায় গোয়েন্দা মিরপুর জোনাল টিম। সূত্র -ডিএমপি নিউজ।
সাগরে জলদস্যুতায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড; মেরিটাইম জোন আইন সংশোধনের প্রস্তাব সংসদে পাস
সাগরে জলদস্যুতার অপরাধে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রেখে আইন সংশোধনের প্রস্তাব সংসদের অনুমোদন পেয়েছে। রোববার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ১৯৭৪ সালের ‘টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোন’ আইন সংশোধনের জন্য ‘টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোন (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০২১’ সংসদে পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে বিলের ওপর দেয়া জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠান এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।
বিলটি পাস হওয়ায় অভ্যন্তরীণ জলসীমা ও রাষ্ট্রীয় জলসীমা, ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানে সমুদ্রসম্পদের ওপর বাংলাদেশের সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠিত হলো। বিলে বলা হয়েছে, জলদস্যুতা, সশস্ত্র চুরি, সমুদ্র সন্ত্রাস করতে গিয়ে কেউ খুন করলে মৃত্যুদণ্ড হবে। আর জলদস্যুতা বা সমুদ্র সন্ত্রাসের শাস্তি হবে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। এছাড়া দস্যুতা করে যা সে লুট করবে, তার জন্য জরিমানা হবে। কোনো ব্যক্তি জলদস্যুতা বা সমুদ্র সন্ত্রাসের চেষ্টা বা সহায়তা করলে সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৪ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় জলসীমায় অবস্থানকালে কোনো বিদেশী জাহাজে অপরাধ সংঘটিত হলে অপরাধী গ্রেফতার ও তদন্ত পরিচালনায় এ আইন প্রযোজ্য হবে।
শেষ হলো জাতীয় সংসদের পঞ্চদশ অধিবেশন
জাতীয় সংসদের পঞ্চদশ অধিবেশন শেষ হয়েছে। নয় কার্যদিবসের এ অধিবেশন শুরু হয় ১৪ নভেম্বর। রোববার অধিবেশন সমাপনী সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির আদেশ পড়ে শোনানোর মধ্য দিয়ে অধিবেশনের সমাপ্তি টানেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। এর আগে সংসদ কক্ষে দেখানো হয়, ১৯৭১ সালের ৩ জানুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে সত্তরের ঐতিহাসিক নির্বাচনে জয়ের পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ।
কভিড১৯ মহামারীর মধ্যে অনুষ্ঠিত অন্য অধিবেশনগুলোর মতো এবারো স্বাস্থ্যবিধি মেনে সংসদ চলে। এক্ষেত্রে কভিড-১৯ নেগেটিভ সনদ থাকা সংসদ সদস্যরাই অধিবেশনে যোগ দেন। প্রতিদিন ১০০-১২০ জন সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে বসে সংসদ। তবে ২৪ ও ২৫ নভেম্বর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বিশেষ আলোচনায় কভিড-১৯ নেগেটিভ সব সদস্য অংশ নেন।
এ অধিবেশনে ২৪ নভেম্বর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বিশেষ আলোচনায় স্মারক বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। পরে সংসদে বিশেষ আলোচনার জন্য প্রস্তাব তোলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুদিন আলোচনার পর সেই প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে পুরস্কার চালু করায় জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানাতে জাতীয় সংসদে একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে সংসদ। এ অধিবেশন চলাকালীন টাঙ্গাইলের সংসদ সদস্য একাব্বর হোসেন মারা যান। মহামারী কালের অন্য অধিবেশনগুলোর মতো এবারো সংসদ ভবনে প্রবেশাধিকার ছিল না গণমাধ্যমকর্মীদের। সংসদ সচিবালয়ের তথ্যমতে, এবারের অধিবেশনে নয়টি বিল পাস হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জন্য ৪১টি প্রশ্ন পাওয়া যায়, যার মধ্যে তিনি ১০টির উত্তর দিয়েছেন। অন্য মন্ত্রীদের এক হাজার ১২টি প্রশ্ন পাওয়া যায়, যার মধ্যে মন্ত্রীরা ৫৬৬টি প্রশ্নের উত্তর দেন।
নির্বাচন কমিশন গঠন আইন এবং হাইকোর্টে বিচারক নিয়োগ আইনের খসড়া হচ্ছে, চলতি সংসদেই পাস হবে,জানালেন আইনমন্ত্রী
নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন আইন এবং হাইকোর্টে বিচারক নিয়োগ আইন দুটোরই খসড়া প্রস্তুত করা হচ্ছে। চলতি সংসদের আগামী দু অধিবেশনের মধ্যেই বিল দুটি তোলা হবে। সংসদে আলোচনার মাধ্যমে এ আইন পাস হবে। রোববার সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
সংসদে ‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (পারিতোষিক ও বিশেষাধিকার) বিল-২০২১’ বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাবের ওপর বক্তব্য দেয়ার সময় আইনমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
খালেদা জিয়ার বাসাকে সাব জেল বানিয়ে সেখানে তাকে রাখা হয়েছে বিএনপির এমপিদের এমন বক্তব্যের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া সরকারের কাস্টডিতে নেই। খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে মুক্তি দেয়া হয়েছে। তিনি দুটো শর্তে সম্পূর্ণ মুক্ত। খালেদা জিয়া আমাদের কাস্টডিতে নেই। মুক্ত বলে তিনি মুক্তভাবে বাসায় থাকতে পারছেন। মুক্ত আছেন বলেই তিনি মুক্তভাবে চিকিৎসা নিতে পারছেন। রোববার জাতীয় সংসদে তিনি এ তথ্য জানান।
আনিসুল হক বলেন, আমি বলেছি একটা বিষয় সিদ্ধান্ত হলে সেখানে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেয়া যায় না। এটা চাইলে উনাকে আইন অনুযায়ী যেতে হবে। তারপর নতুন সিদ্ধান্ত হয়তো নেয়া যাবে। ৪০১ ধারার বিষয়ে বিএনপি থেকে যে ব্যাখ্যা দেয়া হচ্ছে আমার তার সঙ্গে দ্বিমত আছে। আমি আমার অবস্থান থেকে নড়বো না।
‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (পারিতোষিক ও বিশেষাধিকার) বিল-২০২১’ বিলটি বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাবের ওপর বক্তব্য দেয়ার সময় বিএনপির হারুনুর রশীদ ও জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নু ইসি গঠনে আইন প্রণয়নের কথা বলেন। চুন্নু ইসি গঠন আইনের পাশাপাশি উচ্চ আদালতে বিচারপতি নিয়োগেও আইন করার দাবি করেন। জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, বিচারক নিয়োগ আইন এবং ইসি গঠন আইন- দুটোরই খসড়া করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত সংবিধান অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের এখতিয়ার রাষ্ট্রপতির হাতে। গেল এক দশকে অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ করে রাষ্ট্রপতি সার্চ কমিটির মাধ্যমে সর্বশেষ দুই নির্বাচন কমিশন নিয়োগ দিয়েছিলেন।
সাংবিধানিক এ সংস্থার সদস্যদের নিয়োগে আইন করার কথা থাকলেও স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে তা হয়নি। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও এ বিষয়ে মতভেদ আছে। সাম্প্রতিক সময়ে এ নিয়োগ নিয়ে বিরোধী দলগুলোর সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে সরকারকে।
৫ সদস্যের বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ফেব্রুয়ারিতে। সরকারের তরফ থেকে এরই মধ্যে জানানো হয়েছে, পূর্ববর্তী দুই কমিশনের মত আসন্ন নির্বাচন কমিশনও সার্চ কমিটির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি গঠন করবেন।
সম্প্রতি সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী সংসদে বলেন, তারা একটা আইনের ড্রাফট (নির্বাচন কমিশন গঠনে) করেছে, সেটা দিতে এসেছিলেন। উনারা বলেছিলেন এটাতে সবই আছে।
এটা অধ্যাদেশ আকারে করে দিলেও তো হয়ে যায়। তখন আমি স্পষ্ট বলেছি, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের এই আইন সংসদে আলোচনা না হওয়া পর্যন্ত আইনটি করা ঠিক হবে না। এতে আমি বোধ হয় সংসদ সদস্যদের সম্মান কমাইনি, বাড়িয়েছি।
আইনমন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি এটা নিয়ে সংসদে আলোচনা হওয়া উচিত। আমার পরিকল্পনা, এর (চলতি সংসদের) পরের অধিবেশন বা তার পরের অধিবেশনে আমরা এটা আলাপ করব। কিন্তু অন্যান্য আনুসাঙ্গিক কাজ তাড়াহুড়া করে ২০২২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে করা যাবে না বলেই আমি বলেছি। সে জন্য আমি আশ্বস্ত করিনি। তবে দুটো আইনই আমরা করার চেষ্টা করছি।
জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ১শ কোটি টাকার মানহানি মামলা
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বরখাস্তকৃত মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ১শ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের হয়েছে। গাজীপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রোববার এই মামলা করেন গাজীপুর মহানগরের নলজানি এলাকার বাসিন্দা মো. আতিক মাহমুদ। (মামলা নং-সিআর ১২১০/২০২১)।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. নুর নবী সরদার জানান, আদালতের বিচারক রোববার মামলাটি আমলে নিয়ে গাজীপুর সদর থানা পুলিশকে তদন্ত করে আগামী ৩০ জানুয়ারির মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়— গাজীপুর মহানগরের কানাইয়া এলাকার মৃত মিজানুর রহমানের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত মেয়র হলেও আইনের প্রতি তিনি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন না। তিনি ১৩ সেপ্টেম্বর বিকাল আনুমানিক ৫টার দিকে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মহান স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে কটূক্তি করেন যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয় এবং বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। বাদী ক্ষুব্ধ হয়ে অপমান সহ্য করতে না পেরে সম্মানহানি হিসেবে ১শ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের করতে বাধ্য হন।
মানব পাচার মামলায় কুয়েতে পাপুলের ৭ বছরের কারাদণ্ড
মানব পাচারের মামলায় কুয়েতে গ্রেফতার বাংলাদেশের সাবেক এমপি শহিদ ইসলাম পাপুলকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া তাকে ২৭ লাখ কুয়েতি দিনার জরিমানা করা হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে গালফ নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি হাই প্রোফাইল মানব পাচার মামলায় পাপুলকে সাজা দিয়েছে কুয়েতের শীর্ষ আপিল আদালত। এ ছাড়া পাপুলের কাজে সহযোগিতা করায় কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক কর্মকর্তা মাজেন আল জাররাহ, জনশক্তি পরিচালক হাসান আল খিদরকেও সাত বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। কুয়েতের ওই সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষের মামলায় নিজ নিজ পদ থেকে বহিষ্কারেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কুয়েতের সাবেক এমপি সালাহ খুরশিদকেও সাত বছরের কারাদণ্ড এবং প্রায় সাড়ে সাত লাখ কুয়েতি দিনার জরিমানা করা হয়েছে।
এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে অর্থ ও ঘুষের মামলায় পাপুলকে চার বছরের কারাদণ্ড দেয় কুয়েতের আদালত। ওই সময় তাকে ১৯ লাখ কুয়েতি দিনার জরিমানা করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, একটি কোম্পানির মাধ্যমে অবৈধভাবে তিনি বাংলাদেশি শ্রমিকদের কুয়েত পাঠান। তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেন। গত বছরের ৬ জুন রাতে কুয়েতের মুশরিফ এলাকা থেকে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। পাচারের শিকার বাংলাদেশিদের অভিযোগের ভিত্তিতে পাপুলের বিরুদ্ধে মানবপাচার, অর্থপাচারের অভিযোগ আনা হয়।
জানা যায়, সাধারণ শ্রমিক হিসেবে কুয়েত গিয়ে বিশাল সাম্রাজ্য গড়া পাপুল ২০১৮ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তার মালিকানাধীন মারাফি কুয়েতিয়া কোম্পানি পরিচ্ছন্নতাকর্মী নেয়ার কাজ করলেও কুয়েতে অন্যান্য ব্যবসার কাজও করে।
খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিস শনাক্ত
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিস শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার চিকিৎসকরা। রোববার সন্ধ্যায় গুলশানে তার বাসভবন ফিরোজায় এক সংবাদ সম্মেলনে মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা এ কথা জানান।
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শরীরে তিনবার রক্তক্ষরণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তারা পরবর্তীতে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিষয়ে ‘হেল্পলেস’ বলে জানান।
সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ডা. ফখরুদ্দীন জানান, এ পর্যন্ত বেগম খালেদা জিয়ার তিনবার রক্তক্ষরণ হয়েছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়ার পর বর্তমানে তিনি স্ট্যাবল আছেন। তবে পুনরায় রক্তক্ষরণের সম্ভাবনা আগামী ছয় সপ্তাহে ৬০ ভাগ।
শারীরিক নানা জটিলতা নিয়ে গত ১৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন খালেদা জিয়া। জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে তার পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ শুরু হয়েছে। ফলে তিনি দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ছেন। শনিবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য দিয়ে জানান, পরিপাকতন্ত্রের চিকিৎসার প্রযুক্তি বাংলাদেশে নেই। তাকে বিদেশের হাসপাতালে নিতে হবে।
এদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান জানিয়েছেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার প্রস্তুতি শুরু করেছেন তারা। পরিবারের পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি হাসপাতালের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে।
উচ্চ আদালতের বিচারকদের সুযোগ সুবিধা আরও বাড়ল, সংসদে বিল পাস
‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (পারিতোষিক ও বিশেষাধিকার) বিল-২০২১’ এবং ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (ভ্রমণ ভাতা) বিল-২০২১’ পৃথকভাবে সংসদে পাস হয়েছে।
স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বিলের ওপর দেয়া জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তির পর বিল দুটি ভোটে দিলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
উচ্চ আদালতের বিচারকদের বেতন সংক্রান্ত সামরিক আমলের অধ্যাদেশ বাতিল করে বাংলায় নতুন আইন করতে ‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (পারিতোষিক ও বিশেষাধিকার) বিল-২০২১’ পাস হয়।
১৯৭৮ সালের ‘সুপ্রিম কোর্ট জাজেস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজেস) অর্ডিন্যান্স’ বাতিল করে নতু্ন আইন করার জন্য বিলটি পাস হয়েছে।
সর্বশেষ ২০১৬ সালে বিচারকদের বেতন ও ভাতা বাড়ান হয়। বর্তমানে প্রধান বিচারপতি এক লাখ ১০ হাজার টাকা, আপিল বিভাগের বিচারক এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা এবং হাই কোর্ট বিভাগের বিচারক ৯৫ হাজার বেতন পান।
এছাড়া বেতনের ৫০ শতাংশ হারে বিশেষ ভাতা পান তারা, যা নতুন আইনেও বলবৎ থাকছে।
বিলে প্রধান বিচারপতির ‘নিয়ামক ভাতা’ বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে প্রধান বিচারপতি মাসে ১২ হাজার টাকা হারে এই ভাতা পান। নতুন আইনে তা ২৫ হাজার টাকা করা হয়েছে।
আপিল বিভাগ ও হাই কোর্ট বিভাগের বিচারকরা আগের মতই আট হাজার ও পাঁচ হাজার টাকা নিয়ামক ভাতা পাবেন। আইনে উচ্চ আদালতের একজন বিচারক তার বাসায় একজন বাবুর্চির পরিবর্তে প্রতি মাসে ১৬ হাজার টাকা করে ‘কুক ভাতা’ পাবেন।
বর্তমান আইনে একজন বিচারক ‘ডমেস্টিক এইড’ ভাতা পান। নতুন আইনে সেটা রাখা হয়নি।
পাস হওয়া বিলে বলা হয়েছে, বিচারকরা তাদের তাদের ইয়ারমার্কড, স্বতন্ত্র, একক বাসা, বাড়ি বা ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে একজন করে নিরাপত্তা প্রহরী পদের সুবিধার পরিবর্তে প্রতিমাসে ১৬ হাজার টাকা সিকিউরিটি ভাতা প্রাপ্য হবেন।
‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (ভ্রমণ ভাতা) বিল’ এর ওপর সংশোধনী প্রম্তাব আনার সময় জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম বিলটি সংশোধনী কমিটিতে না পাঠানোয় আপত্তি জানান।
তিনি বলেন, “আমি জানি না। বিচারকরা তাদের ভাতার জন্য এতই চাপ দিয়েছেন যে, কমিটিকে বাইপাস করা হল? এতে আইনের ব্যতয় হয়েছে।”
বর্তমানে উচ্চ আদালতের একজন বিচারক সুপ্রিম কোর্ট সদরদপ্তরের বাইরে দায়িত্ব পালনকালে দৈনিক চারশ টাকা করে ভাতা পান। তা এক হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছে।
সেখানে বলা হয়েছে, কোনো বিচারক দায়িত্ব পালনে সদর দপ্তরের বাইরে থাকলে ছুটির দিনসহ দৈনিক ১৪০০ টাকা হারে ভাতা পাবেন।
পাস হওয়া বিলে বলা হয়েছে, সড়ক পথে ভ্রমণের জন্য একজন বিচারক প্রতি কিলোমিটারে তিন টাকা ৭৫ পয়সা হারে ভাতা পাবেন। বর্তমানে এই ভাতার হার প্রতি কিলোমিটার এক টাকা।
এছাড়া রেলপথ, নৌপথ ও আকাশপথে ভ্রমণের জন্যও বিভিন্ন হারে ভাতার বিধান রাখা হয়েছে। যেক্ষেত্রে ভ্রমণের জন্য একাধিক যাত্রাপথ রয়েছে, সেক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত এবং স্বল্প ব্যয়ের ভ্রমণ ভাতা দাবি করতে হবে।
কোনো বিচারক ছুটিতে গেলে, ছুটি থেকে ফিরে এলে কিংবা বিদেশে ছুটি কাটিয়ে আবার দায়িত্বে যোগ দেয়ার জন্য ফিরলে, কিংবা অবসরের পর নিজের ঠিকানায় ফেরার সময় কী কী সুযোগ-সুবিধা পাবেন, তাও বলা হয়েছে নতুন আইনে।
ট্রেনে, লঞ্চে, জাহাজে বা স্টিমারে ভ্রমণের ক্ষেত্রে ‘উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জন্য সংরক্ষিত’ দুই বার্থের প্রথম শ্রেণির একটি কম্পার্টমেন্ট বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কোচের একটি ক্যুপে কম্পার্টমেন্ট বা প্রথম শ্রেণির কেবিন পাবেন।
আকাশ পথে ভ্রমণ করলে সেই ভাড়া পাবেন।
একজন বিচারক তার দায়িত্বে যোগ দেয়ার সময় ভ্রমণের জন্য স্ত্রী বা স্বামী, সন্তান ছাড়াও তিনজন ব্যক্তিগত পরিচারকের জন্য সর্বনিম্ন হারে সড়ক, রেল বা স্টিমার ভাড়া পাবেন। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।
নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জাতির পিতার প্রতিকৃতি কেন নয়, জানতে চায় হাই কোর্ট
অবিলম্বে সব ধরনের নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি যুক্ত করার পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাই কোর্ট।
নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জাতির পিতার প্রতিকৃতি সন্নিবেশের নির্দেশনা চেয়ে করা এক রিটের শুনানি করে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাই কোর্ট বেঞ্চ রোববার এ রুল জারি করেন।
রুলে নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জাতির পিতার প্রতিকৃতি সন্নিবেশ করতে বিবাদীদের নিষ্ক্রীয়তা কেন ‘আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও বেআইনি’ ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
জন প্রশাসন সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব, আইন সচিব, পরিকল্পনা সচিব, মন্ত্রীপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব, সংসদ সচিবালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রচার ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও রংপুরের জেলা প্রশাসককে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আতাউল্লাহ নুরুল কবীর নয়ন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।
আইনজীবী আতাউল্লাহ নুরুল কবীর নয়ন জানান, সব ধরনের নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জাতির পিতার প্রতিকৃতি সন্নিবেশ করতে বিবাদীদের বিভিন্ন সময় উকিল নোটিস পঠানো হয়।
কিন্তু তাদের কাছ থেকে সাড়া না পেয়ে এবং এ সংক্রান্ত দৃশ্যমান পদক্ষেপ না থাকায় রিটটি করেন রংপুরের সদরের বাসিন্দা মো. মোফাজ্জল হোসেন মোফা।
রিট আবেদনে সব ধরনের নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জাতির পিতার প্রতিকৃতি সন্নিবেশ করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল। তিন দিন শুনানির পর রোববার আদালত রুল দিল।
রিট আবেদনে বলা হয়, “স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে প্রত্যেক নাগরিকের ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা রয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মর্যাদাকে আরও উন্নত স্তরে নিয়ে যাওয়ার। কিন্তু এখন পর্যন্ত নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জাতির পিতার প্রতিকৃতি সন্নিবেশ করার কোনো ধরনের পদক্ষেপ না নেয়া অসাংবিধানিক ও বেআইনি।
“সংবিধানের ৪(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, প্রধান বিচারপতির দপ্তর বা কার্যালয়সহ সরকারি-বেসরকারি অফিস, আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন সংস্থা, দূতাবাস, কর্তৃপক্ষের কার্যালয় ও দপ্তরে জাতির পিতার প্রতিকৃতির প্রদর্শন ও সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। উচ্চ আদালত থেকে এ ধরনের নির্দেশনাও এসেছে। এমনকি জাতির পিতার প্রতিকৃতি দেশের মুদ্রাতেও সন্নিবেশিত রয়েছে। কিন্তু হতাশাজনক বিষয় হচ্ছে, নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে এখন পর্যন্ত জাতির পিতার প্রতিকৃতি সন্নিবেশ করার কোনো পদক্ষেই নেয়া হয়নি।”
ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯৪২ ও ১৯৪৪ সালে ভারতের নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে তৎকালীন গভর্নরের প্রতিকৃতি সন্নিবেশ করা হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে রিটে। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।











