ঢাকা   , ,     

Home Blog Page 64

শিশু সন্তানের অভিভাবকত্ব নিয়ে বিচারাধিন মামলা ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের

0

পারিবারিক আদালত অবমাননায় শাস্তির বিধান সংশোধন করে আরও কঠোর করতে বলেছেন হাইকোর্ট। এক্ষেত্রে সিভিল জেল ও পর্যাপ্ত জরিমানার বিধান প্রণয়ন সময়ের বাস্তবতা বলেও উল্লেখ করেছেন আদালত।
সন্তানের হেফাজত নিয়ে মায়ের দায়ের করা রিট খারিজ করে দেয়া হাইকোর্টের এক রায়ে এ কথা বলা হয়েছে। শনিবার (২৭ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৫ পৃষ্ঠার ওই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে। হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের দ্বৈত বেঞ্চ এই রায় দিয়েছেন।
রায়ে যা বলা হয়েছে:
রায়ে আদালত বলেছেন, পারিবারিক আদালতসমূহের বিভিন্ন আদেশ, বিশেষত শিশু সন্তানকে দেখা-সাক্ষাতের আদেশ সংশ্লিষ্ট পক্ষ মান্য করছেন না। ফলশ্রুতিতে তারা হাইকোর্টে হেবিয়াস কর্পাস অধিক্ষেত্রে এসে আশ্রয় গ্রহণ করছেন।
পারিবারিক অধ্যাদেশ ১৯৮৫ এর ধারা ১৯ অনুযায়ী, পারিবারিক আদালতকে অবমাননা করা হলে অবমাননাকারীকে মাত্র ২০০ টাকা জরিমানা করার বিধান রয়েছে। সময়ের বাস্তবতায় পারিবারিক আদালত অবমাননায় শাস্তির এই বিধানটি সংশোধন করে আরও কঠোর বাঞ্ছনীয়। এ ক্ষেত্রে সিভিল জেল ও পর্যাপ্ত জরিমানার বিধান প্রণয়ন সময়ের বাস্তবতা। আদালত প্রত্যাশা করে সরকারের নীতি নির্ধারক মহল এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে অবিলম্বে যথাযথ ব্যবস্থা করবেন।
একইসঙ্গে দেশের সকল পারিবারিক আদালতে শিশু সন্তানের অভিভাবকত্ব নিয়ে থাকা মামলাগুলো ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে আইন সচিব ও সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
রায়ে এ প্রসঙ্গে আদালত বলেন, হাইকোর্টের নজরে এসেছে, ২০১০ সালে থেকে ২০১৪ সাল এবং ২০১৮ সালের দাখিলকৃত মামলাসমূহ এখনো বিচারাধীন। শিশুদের অভিভাবক ও হেফাজত সম্পর্কিত মামলাগুলো এতো দীর্ঘ সময় ধরে চলমান থাকা হতাশাজনক ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়া বাঞ্ছনীয়।
হাইকোর্ট রায়ে উল্লেখ করেন, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৯ অনুযায়ী, দেশের সব পারিবারিক আদালতকে শিশু সন্তানের অভিভাবকত্ব ও হেফাজত সম্পর্কিত মামলাগুলো যাতে ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়, সে বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করা হলো।
আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. মোতাহার হোসেন সাজু। অপরপক্ষে ছিলেন ফাওজিয়া করিম ফিরোজ।
সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু গণমাধ্যমকে বলেন, দেশের পারিবারিক আদালতের জন্য এটা একটি যুগান্তকারী রায়। এই রায় বাস্তবায়ন হলে পারিবারিক আদালত ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে। দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি সম্ভব হবে।
মামলার বিবরণ:
রংপুরের মেয়ে ও রাজশাহীর এক ছেলের ২০১১ সালে বিয়ে হয়। ২০১৫ সালে তাদের কন্যাশিশুর জন্ম হয়। ২০১৮ সালে ওই দম্পতির বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এরপর শিশুটি তার বাবার কাছে ছিল।
এ অবস্থায় শিশুটিকে ফিরে পেতে হাইকোর্টে রিট করেন শিশুটির মা। এর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন। এর আগে শিশুটির মা পারিবারিক আদালতে একটি মামলা করেন।
রুলের শুনানি শেষে আদালত উপরোক্ত রায় দেন। পারিবারিক আদালতে শিশুটির মায়ের করা মামলাটি ৩১ মার্চের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দেন আদালত।

নির্বাচনী সহিংসতা ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব ও জমির বিরোধে : সংসদে আইনমন্ত্রী

0

চলমান ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে সহিংসতার বেশির ভাগই ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব এবং জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। জাতীয় পার্টির লিয়াকত হোসেন খোকার প্রশ্নের জবাবে শনিবার সংসদে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবে এ মন্তব্য করেন। স্পিকার ড. শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে টেবিলে এটি উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘দেশব্যাপী প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর কয়েকটি প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নির্বাচনী সহিংসতার খবর প্রচারিত হয়েছে। অনেক সময় ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নির্বাচনের সময় সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ধর্মীয় সংখ্যালঘু, নারী ও শিশুর ওপর সহিংসতা চালানোর অপচেষ্টা চালায়। এ কারণেও নির্বাচনের সময় অনেক ধরনের সহিংসতার উদ্ভব হয়।’
সংসদে মন্ত্রী বলেন, “নির্বাচনী সহিংসতার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত সজাগ ও সতর্ক দৃষ্টি রেখেছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নির্বাচন কমিশন চিঠি দিয়ে নির্বাচনী সহিংসতার বিষয়ে সজাগ ও সতর্ক থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
“নির্বাচনী কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া পুলিশ এ পর্যন্ত কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা কমিশনকে অবহিত করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণলয়কে চিঠি দেয়া হয়েছে।”

বিআরটিসির বাসে শিক্ষার্থীদের জন্য ‘হাফ ভাড়া’ ১ ডিসেম্বর থেকে

0

সারাদেশে বিআরটিসির বাসে ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামি ১ ডিসেম্বর থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যে এই সিদ্বান্তে সম্মতি দিয়েছেন।
শুক্রবার ঢাকায় নিজের বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের বলেন, “শেখ হাসিনা সরকার জনগণের সরকার, জনঘনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক কোনো দাবিতে তিনি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন।
“আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে শিক্ষার্থীরা হাফ ভাড়ায় বিআরটিসি বাসে যাতায়াত করতে পারবে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে এই সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যক্তি মালিকানাধিন বাসের ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বাসে অর্ধেক ভাড়া দিতে হলে ছাত্র-ছাত্রীদের অবশ্যই নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ‘বৈধ’ পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে, সেখানে ছবিও থাকতে হবে।
সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা বিআরটিসি বাসে চলাচলে এ সুবিধা পাবে।
“তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটির দিনে এ কনসেশন প্রযোজ্য হবে না। শিগগিরই এ বিষয়ে বিআরটিসি প্রজ্ঞাপন জারি করবে।”
ডিজেলের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ানোর পর পরিবহন মালিকদের চাপে সরকার বাসের ভাড়া ২৭ শতাংশ বাড়ায়। এর পর থেকেই বাসে অর্ধেক ভাড়া দেয়ার দাবিতে আন্দোলন করে আসছে শিক্ষার্থীরা। বুধবার সড়কে সিটি করপোরেশনের গাড়ির ধাক্কায় নটর ডেম কলেজের এক শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর সেই আন্দোলন আরও গতি পায়।
সরকার বিআরটিসির বাসে শিক্ষার্থীদের জন্য ‘হাফ’ ভাড়ার ব্যবস্থা করলেও রাষ্ট্রায়ত্ত এ কোম্পানির বাসের সংখ্যা ঢাকার যাত্রীর তুলনায় নগন্য। ফলে বেসরকারি বাসেও একই নিয়ম চালু না হলে শিক্ষার্থীদর উপকার হবে না খুব একটা।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, বেসরকারি মালিকানাধীন বাস-মিনিবাসেও শিক্ষার্থীদের ‘কনসেশন’ দেয়ার বিষয়টি নিয়ে শনিবার বিআরটিএতে বৈঠক হবে। পরিবহন মালিক এবং শ্রমিক ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্টরা সেখানে থাকবেন।
“আশা করি সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংবেদনশীল থেকে পরিবহন মালিকরা ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।” বিডি নিউজ।

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে সংসদে প্রধানমন্ত্রী উত্থাপিত প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত

0

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে আনীত প্রস্তাব সাধারণ বিধি ১৪৭ সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে।
বুধবার জাতীয় সংসদে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রস্তাব সাধারণ বিধি ১৪৭ এর আওতায় স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর আলোচনার এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তিনি তাঁর প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন। এর আগে সংসদে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ভাষণ দেন।
প্রস্তাবটির ওপর গত দুই দিনে সরকারি ও বিরোধী দলের মোট ৫৯ জন সংসদ সদস্য ১০ঘন্টা ৪৫ মিনিট আলোচনা করেন। আলোচনার পর পরই স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রস্তাবটি ভোটে দিলে তা কন্ঠ ভোটে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়।
সুবর্ণ জয়ন্তীর বিশেষ আলোচনায় অংশ নিয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সর্বক্ষেত্রে উন্নয়নের যে ভিত্তি রচিত হয়েছে তাতে অচিরেই বাংলাদেশ উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ আজ আর্থ-সামাজিকসহ সব খাতে অভূতপূর্ব উন্নতি অর্জন করেছে। এক সময়ের সাড়ে সাত কোটি জনসংখ্যার দেশ আজ ১৬ কোটির বেশী জনসংখ্যায় পরিণত হয়েছে। এ বিশাল জনগোষ্ঠীর খাদ্য চাহিদা আজ স্থানীয়ভাবে পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে কৃষি উৎপাদনে অভূতপূর্ব সাফল্যের কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে।
তিনি বলেন, অথচ এক সময় বিদেশী বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশ স্বনির্ভরভাবে টিকে থাকতে পারবে না বলে মতামত দিয়েছিলেন। আজ তাদের সে মতামত মিথ্যা প্রমাণ করে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে।
ড.রাজ্জাক বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে বাংলাদেশ শুধু খাদ্যে নয়, বিদ্যুৎ, অবকাঠামো, যোগাযোগ অবকাঠামো, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বাসস্থান, শান্তি, শৃঙ্খলাসহ সব ক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। এমডিজি লক্ষ্যমাত্রা ইতিমধ্যে অর্জিত হয়েছে। এসডিজি লক্ষ্যগুলোর বেশ কয়েকটি অর্জনের পথে এগিয়ে চলছে।
ইতিমধ্যে দেশ মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিনত হওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অচিরেই বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিনত হবে।
আলোচনায় অংশ নিয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ অদম্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দক্ষ ও দূরদর্শী পরিচালনায় দেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিনত হয়েছে। আন্তর্জাতিক ভাবে আজ এটা স্বীকৃত। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মুজিব বর্ষে পাঠানো বার্তায় বাংলাদেশকে বিশ্বে উন্নয়নের উদাহরণ হিসাবে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্টও বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল বলে অভিহিত করেছেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ আমরা শুধু উন্নত- সমৃদ্ধ দেশ নয়, ৪১’ সাল নাগাদ মেধা মনন, মানবিকতায় উদাহরণ সৃষ্টকারী একটি উন্নত- সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।’
তিনি বলেন, এ জন্য মেধা, মনন, মানবিকতা, আধুনিক জ্ঞান সম্পন্ন একটি প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
ড. হাছান মাহমুদ গত ১৩ বছরে দেশের উন্নয়ন – অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ আজ পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের তুলনায় উন্নয়ন ও সামাজিক সূচকে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে রয়েছে। এমনকি সমস্ত সূচকে বাংলাদেশ পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে অনেক দূর এগিয়ে গেছে।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের আগে বাংলাদেশ কখনো স্বাধীন ছিল না। একমাত্র বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালির প্রথম জাতি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। এ সময় তিনি ১৯৭২ সালে জাতির পিতার ৫৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কমিউনিষ্ট পার্টির মনিসিংহের উদ্ধৃতি উল্লেখ করে বলেন, ‘মনিসিংহ বলেছিলেন, ১৯৫১ সালে বঙ্গবন্ধু তাকে চিঠিতে জানিয়েছিলেন তিনি পূর্ব বাংলার স্বাধীনতার পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন।’ তবে রাজনীতির কবি বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার জন্য জাতিকে ধাপে ধাপে প্রস্তুত করতে থাকেন। এরই মধ্যে ৬৬ সালে বাঙালির মুক্তি সনদ খ্যাত ৬ দফা পেশ করে জনগণের মনন তৈরি করেন। এর ধারাবাহিকতায় ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান এবং ৭০ এর নির্বাচন, ৭১ এর ৭ মার্চের ভাষণ, ২৬ মার্চে জাতির পিতার স্বাধীনতা ঘোষণায় রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাঙালির জাতি রাষ্ট্র বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু উন্নত – সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করেন। কিন্তু ঘাতকরা তা সম্পন্ন করতে দেয়নি। ৭৫ এর ১৫ আগষ্ট সপরিবারে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালিকে হত্যা করা হয়।
তিনি বলেন, অথচ ১৯৭৪-৭৫ সালে দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি ছিল শতকরা ৯.৫৯ ভাগ। এ প্রবৃদ্ধি আজ পর্যন্ত কোন সময় অর্জন করা সম্ভব হয়নি। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে এ প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা সম্ভব হতো। আর দেশ অনেক আগেই উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিনত হতো। এখন তার সুযোগ্য কন্যার হাতে দেশ সেদিকে এগিয়ে যাচ্ছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই উন্নত- সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে।
আলোচনায় অংশ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, জাতির পিতার ৭ মার্চের ভাষণে স্বাধীনতার যে অমোঘ বাণী অনুরণিত হয়েছে ‘কেউ আমাদের দাবায়া রাখতে পারবেনা’ তা প্রতিটি বাঙালিকে সাহসে বলিয়ান করে তোলে। আর রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের সৃষ্টি হয়। স্বাধীনতার পর মাত্র সাড়ে তিন বছরে বঙ্গবন্ধু দেশকে সোনার বাংলা নির্মাণে ভিত্তি রচনা করেছিলেন। কিন্তু ঘাতকরা তা হতে দেয়নি। ৭৫এর ১৫ আগস্ট সপরিবারে জাতির পিতাকে হত্যার পর দেশের উন্নয়নের গতি থমকে গিয়েছিল, ভূলুন্ঠিত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের উত্তরাধিকার তাঁর আত্মজা শেখ হাসিনা দেশীয়- আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে অপ্রতিরুদ্ধ গতিতে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। পিতার মতোই কন্যা ‘ কেউ আমাদের দাবাইয়া রাখতে পারবে না’ এ মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে বাঙালি জাতিকে বিশ্বে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। দেশকে শুধু মধ্যম আয়ের নয়, উন্নয়নশীল দেশে পরিনত করেছেন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে অন্য সদস্যরা বলেন, বঙ্গবন্ধু জাতিকে শুধু স্বাধীনতা উপহার দিয়ে ক্ষ্যান্ত থাকেননি, এ মহান রাষ্ট্রনায়ক যুদ্ধ বিধ্বস্থ দেশকে ধাপে ধাপে ক্ষুধা- দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত সমৃদ্ধ দেশে উন্নীত করার কাজ শুরু করেছিলেন। দেশকে এগিয়ে নিয়েও যাচ্ছিলেন। কিন্তু ঘাতকরা তা হতে দেয়নি। তবে বঙ্গবন্ধু বাঙালির হৃদয়ে চিরদিন বেঁচে থাকবেন। তাঁর আদর্শের ভিত্তিতে আজ দেশ পরিচালিত হচ্ছে। আর দেশ এখন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিনত হতে চলেছে।
তারা বলোন, বঙ্গবন্ধু শুধু বাঙালির নেতা ছিলেন না, তিনি বিশ্বের সকল নিপীড়িত – নির্যাতিত মানুষেরও নেতা ছিলেন। বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীনতার আগে কিংবা মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠি হত্যা করতে পারেনি, বাংলাদেশের কিছু কুলাঙ্গার মীরজাফররা এ মহান নেতাকে সপরিবারে হত্যা করেছে। তাঁকে হত্যা করে স্বাধীনতার আদর্শকে এবং দেশের উন্নয়নকে পেছনের দিকে নিয়ে যায়। আজ জাতির পিতার যোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে দেশ আবার মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের ধারায় ফিরে এসেছে। খুনিদের বিচার হয়েছে। রায় কার্যকর হয়েছে। এমনকি ‘৭১ এর মানবতা বিরোধী অপরাধীদের বিচার হয়েছে। এখনও চলছে। শেখ হাসিনা দলের পতাকা হাতে নিয়ে আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছেন। সে থেকে তিনি নিষ্ঠার সাথে দেশ ও জনগণের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। দেশকে বিশ্বে মর্যাদার আসনে আসীন করেছেন।
তারা বলেন, জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুর আজীবন স্বপ্ন ছিলো ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত বাংলাদেশ। ঘাতকরা তা হতে দেয়নি। আজ তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা পিতার সে স্বপ্নের পথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। দেশ আজ সব ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে।
আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, চিফ হুইপ নুর-ই- আলম চৌধুরী, বিরোধী দলের উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী, হুইপ ইকবালুর রহিম, সরকারি দলের সদস্য আমির হোসেন আমু, বেগম মতিয়া চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, নুরুল ইসলাম নাহিদ, আ, ফ, ম রুহুল হক, আ, স, ম ফিরোজ, এ বি তাজুল ইসলাম, মোতাহার হোসেন, প্রাণ গোপাল দত্ত, শাজাহান খান, আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, এ, কে এম, রহমতুল্লাহ, নজরুল ইসলাম চৌধুরী, নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, তানভির শাকিল জয়, মৃণাল কান্তি দাস, সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল, বেগম শবনম জাহান, নাহিদ এজাহার খান, ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন, জাসদের শিরীন আখতার, জাতীয় পার্টির আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, ফখরুল ইমাম, রুস্তম আলী ফরাজী, মুজিবুল হক, রওশন আরা মান্নান, বিএনপির হারুনুর রশীদ, রুমীন ফারহানা, গণফোরামের মোকাব্বির খান এবং বিকল্পধারা বাংলাদেশের আবদুল মান্নান। বাসস।

বন্ধুত্বের ৫০ বছর: স্বাধীনতার লড়াইয়ে বাংলাদেশের জনগণের প্রশংসা করলেন ভারতের সেনাপ্রধান

0

ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল এম এম নারাভানে মুক্তি ও স্বাধীনতার অধিকারের পক্ষে রুখে দাঁড়ানোর জন্য বাংলাদেশের জনগণের প্রশংসা করে বলেছেন ১৯৭১ সালে অগণিত মুক্তিযোদ্ধা তাদের মাতৃভূমির জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
বুধবার(২৪ নভেম্বর) দিল্লীতে ‘ভারত-বাংলাদেশ: বন্ধুত্বের পঞ্চাশ বছর’ শীর্ষক সেমিনার কাম ওয়েবিনারে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নের জন্ম দিতে সামনে থেকে নেতৃত্বদানকারী বাংলাদেশী নেতাদের ভূমিকারও প্রশংসা করেন।
সেন্টার ফর ল্যান্ড ওয়ারফেয়ার স্টাডিজ (সিএলএডব্লিউএস) ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে (আইআইসি) ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের ৫০ বছর এবং সেই সাথে ১৯৭১ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে নিষ্পত্তিমূলক বিজয়ের স্মরণে এ সেমিনারের আয়োজন করে।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এই মহাকাব্যিক সংগ্রামে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অবদানের স্বীকৃতি যা বাংলাদেশের লাখো মানুষের জীবন ও ভাগ্য বদলে দিয়েছে।
ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুহাম্মদ ইমরান এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) এম হারুন-অর-রশিদ, বীর প্রতীকও আলোচনায় অংশ নেন। তারা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের অগ্রগতি নিয়ে কথা বলেন এবং দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সম্পর্কের প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করেন।
সেমিনারে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বৃদ্ধির ওপর আলোকপাত করা হয়। সেমিনারে পর্যটন ও সাধারণ সংস্কৃতির মতো কূটনৈতিক হাতিয়ার, উন্নত অবকাঠামোগত সংযোগের প্রয়োজনীয়তা এবং অর্থনৈতিক সংহতির বিষয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে উভয় দেশকেই কাজ করতে হবে বলে মত প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক প্রধান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট জনারেল (অব.) এম হারুন-অর-রশিদ, সশস্ত্র বাহিনীকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
পরে অনুষ্ঠান চলাকালীন ‘‘বাংলাদেশ লিবারেশন আ্যট ৫০ ইয়ার্স: বিজয়’ উইথ সিনার্জি ইন্ডিয়া-পাকিস্তান ওয়ার ১৯৭১’’ শিরোনামের একটি বইও প্রকাশ করা হয়।
বইটি ১৯৭১ সালের যুদ্ধের ঐতিহাসিক এবং উপাখ্যানের বিবরণের মিশ্রণ এবং এতে ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দেশের লেখকরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন, যাদের অনেকেই প্রকৃতপক্ষে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।
বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব রাষ্ট্রদূত শমসের চৌধুরী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সাথে যুদ্ধ এবং সে সময় যুদ্ধবন্দী হওয়া সম্পর্কে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। তিনি পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে বাংলাদেশি সেনাদের যে নৃশংসতা ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল তাও প্রকাশ করেন।
বই প্রকাশের পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হয়, যেখানে একজন যোদ্ধা হিসেবে এবং গবেষণার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য সিওএএস ব্রিগেডিয়ার নরেন্দ্র কুমারকে (ভিজিটিং ফেলো, সিএলএডব্লিউএস) ‘স্কলার ওয়ারিয়র অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করেন। সিএলএডব্লিউএস ফিল্ড মার্শাল মানেকশ রচনা প্রতিযোগিতা (এফএমএমইসি) বিজয়ীদের পুরষ্কার এবং প্রশংসাপত্র প্রদান করা হয়। বাসস।

পতাকা টানিয়ে অনুশীলন,পাকিস্তান ক্রিকেট দলের ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা নেয়নি আদালত

0

বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি না নিয়ে ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের অভিযোগে দেশটির ক্রিকেট দলের ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা নেয়ার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু বকর সিদ্দিক বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। আদালত আদেশে উল্লেখ করেন, এ মামলা করার জন্য সরকারের কোনো অনুমোদন নেই। তাই মামলা নেয়ার আবেদন খারিজ করা হলো।
এ মামলা নেয়ার আবেদনটি করেন বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নামের একটি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আল মামুন। আদালত প্রথমে বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে বাদীর আবেদন খারিজ করে দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী আনিস উজ জামান বলেন,বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা অনুযায়ী, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদার প্রতীক। বিদেশি কোনো নাগরিকের তাঁর দেশের জাতীয় পতাকা এ দেশে প্রদর্শন করতে হলে অবশ্যই সরকারের পূর্ব অনুমোদন প্রয়োজন। তবে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সদস্যরা ১৫ নভেম্বর রাজধানীর মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দেশটির জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করেন। কিন্তু তাঁরা বাংলাদেশ সরকারের কোনো অনুমোদন নেননি। পরবর্তীকালে তাঁরা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাছে পতাকা প্রদর্শনের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন। এর মধ্য দিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সদস্যরা বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত, পতাকা ও প্রতীক আদেশ ১৯৭২ অনুযায়ী ফৌজদারি অপরাধ করেছেন। তাই পাকিস্তান ক্রিকেট দলের ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা নেওয়ার আবেদনটি আদালতে করা হয়।
যাঁদের আসামি করার আবেদন করা হয়েছিল, তাঁরা হলেন পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মোহাম্মদ বাবর আজম, কোচ সাকলায়েন মুশতাক, ব্যবস্থাপক মনসুর রানা, সদস্য শাদাব খান, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ নওয়াজ, মোহাম্মদ রিজওয়ান, ফখর জামান, আসিফ আলী, হায়দার আলী, হ্যারিস রউফ, হাসান আলী, ইফতেখার আহমেদ, ইমাদ ওয়াসিম, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, শাহনেওয়াজ দাহানি, ওসমান কাদির, সরফরাজ আহমেদ, শাহিন শাহ আফ্রিদি, শোয়েব মালিক ও শহীদ আসলাম। সূত্র -প্রথম আলো/বিডি নিউজ।

গাজিপুরের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বরখাস্ত

0

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো.জাহাঙ্গীর আলমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। জনস্বার্থ পরিপন্থি কাজ, ক্ষমতার অপব্যাবহার, সরকারি সম্পদ আত্মসাতের মত অভিযোগে তার বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এই পদক্ষেপ নিয়েছে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো তদন্ত করছে বলে জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।
১৯ নভেম্বর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে জাহাঙ্গীর আলমকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে জাহাঙ্গীরের কিছু বিতর্কিত মন্তব্যসংবলিত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পরই ৩ অক্টোবর জাহাঙ্গীর আলমকে শোকজ করা হয়। জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বৃহস্পতিবার মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে মো. আতাউল্লাহ মণ্ডলকে। তিনি মহানগর কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

জাহাঙ্গীর আলমকে দল থেকে বহিষ্কারের পরপরই তাঁকে মেয়র পদ থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। ১৯ নভেম্বরের বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার বিষয় বিবেচিত হচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাঁর দপ্তরে সাংবাদিকদের জাহাঙ্গীর আলমের বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করনে। মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে অনেকগুলো অভিযোগ আছে। এর মধ্যে সরকারি সম্পদ অপব্যবহার, অর্থ আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহার ইত্যাদি নানা অভিযোগ আছে। সেগুলো তদন্তের স্বার্থে বলা যাচ্ছে না। গত সেপ্টেম্বর মাসে গোপনে ধারণ করা মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জেলার কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করা হয়েছে বলে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯ নভেম্বর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে জাহাঙ্গীর আলমকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

বিচারক কামরুন্নাহার কোনো ধরনের ফৌজদারি মামলার বিচার করতে পারবেন না: আপিল বিভাগের রায়

0

আপিল বিভাগের স্থগিতাদেশ থাকার পরও ধর্ষণ মামলার এক আসামিকে জামিন দেয়া বিচারক মোছা. কামরুন্নাহার কোনো ধরনের ফৌজদারি মামলা পরিচালনার ‘উপযুক্ত নন’ বলে রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
আপিল বিভাগ বলেছে, মামলার সকল নথি পাশ কাটিয়ে ধর্ষণ মামলার আসামিকে জামিন দিয়েছিলেন কামরুন্নাহার, যা ‘অসৎ উদ্দেশ্যের ইংগিত’ করে।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ গত ২২ নভেম্বর এ রায় দেন। বুধবার রাতে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ছয় পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
সম্প্রতি রেইনট্রি হোটেলে দুই তরুণীকে ধর্ষণের মামলায় পাঁচ আসামির সবাইকে খালাসের রায়ে ঢাকার সপ্তম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক কামরুন্নাহারের এখতিয়ারবহির্ভূত পর্যবেক্ষণ বিতর্কের জন্ম দেয়।
মৌখিক ওই পর্যবেক্ষণে তিনি বলেন, ধর্ষণের অভিযোগের ক্ষেত্রে ঘটনার ৭২ ঘণ্টা পর পুলিশ যেন মামলা না নেয়। তবে লিখিত রায়ে সে বিষয়টি তিনি রাখেননি।
এ নিয়ে আলোচনার মধ্যে গত ১৪ নভেম্বর কামরুন্নাহারের বিচারিক ক্ষমতাসাময়িকভাবে প্রত্যাহার করে তাকে আর আদালতে না বসার নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি। আদালত থেকে প্রত্যাহার করে তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়।
তখন জানা যায়, স্থগিতাদেশ থাকার পরও হাতিরঝিল থানার ২০১৮ সালের এক ধর্ষণের মামলায় আসলাম শিকদার নামের এক আসামিকে জামিন দিয়েছিলেন বিচারক কামরুন্নাহার। কোন এখতিয়ার বা ক্ষমতাবলে ওই আসামিকে তিনি জামিন দিয়েছিলেন, সে ব্যাখ্যাও জানতে চাওয়া হয়েছিল তার কাছে।
ওই মামলার রায়ে গত বছরের ১৪ অক্টোবর ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক সামছুন্নাহার আসামি আসলাম শিকদারকে খালাস দেন। সে রায়ের বিরুদ্ধে হাই কোর্ট আপিলও করে রাষ্ট্রপক্ষ।
এতদিন পর কামরুন্নাহারের বিষয়টি গত সপ্তাহে আপিল বিভাগে উঠলে ২২ নভেম্বর তিনি সর্বোচ্চ আদালতে সামনে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেন। সেখানে তিনি বলেন, আসলাম শিকদারের জামিন যে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত স্থগিত করেছে, তা তিনি জানতেন না।
কিন্তু জামিন শুনানির সময় নথিতে অন্যসব কাগজপত্রের সঙ্গে চেম্বার আদালতের ওই আদেশের অনুলিপিও ছিল এবং তার আগের বিচারক পাঁচবার আসলামের জামিন আবেদন নাকচ করেছিলেন- এসব বিষয়ে প্রশ্ন করলে কামরুন্নাহার বলেন, তিনি আগের নথি দেখেননি, যা তার ভুল হয়েছে।
আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে, ইচ্ছাকৃতভাবে পুরনো নথি না দেখার বিষয়টি কামরুন্নাহারের ‘অসৎ উদ্দেশ্যের’ ইংগিত করে।
সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তে বলা হয়, আসলাম শিকদারকে জামিন দেয়ার মাধ্যমে মোছা. কামরুন্নাহার আপিল বিভাগের আদেশ লঙ্ঘন করেছেন। কোনো ধরনের ফৌজদারি মামলা পরিচালনার জন্য তিনি ‘উপযুক্ত নন’।
সুতরাং, মোছা. কামরুন্নাহার বাংলাদেশের কোনো আদালতে কোনো ধরনের ফৌজদারি মামলার বিচার করতে পারবেন না।” বিডি নিউজ।

মানবতাবিরোধী অপরাধ : বিএনপির সাবেক সাংসদ মোমিনের ফাঁসির রায়

0

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা, হত্যা, লুটপাট, অগ্নিসংযোগের মত মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার দায়ে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য বগুড়ার আব্দুল মোমিন তালুকদার ওরফে খোকার ফাঁসির রায় দিয়েছে অান্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন বিচারপতি মো. আবু আহমেদ জমাদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম সমন্বয়ে গঠিত তিন বিচারকের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
পলাতক আব্দুল মোমিন তালুকদারের বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগেই তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হলে তাকে আত্মসমর্পণ করতে হবে।
চারদলীয় জোট সরকারের আমলের বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও রাজশাহী বিভাগীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন আব্দুল মোমিন তালুকদার। তিনি বগুড়া-৩ আসন থেকে এমপি হয়েছিলেন দুইবার।
রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সিমন ও রেজিয়া সুলতানা চমন মামলাটির শুনানি করেন। আসামিপক্ষে ছিলেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী মো. আবুল হাসান।
দুই পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত ৩১ অক্টোবর মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।

মোমিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের তিন অভিযোগঃ

১. ১৯৭১ সালের ২২ এপ্রিল দুপুর ১২টার দিকে আসামি আব্দুল মোমিন তালুকদারসহ ৫ থেকে ৬ জন স্বাধীনতাবিরোধী ও ২০ জন পাকিস্তানি সেনা সদস্যকে নিয়ে বগুড়া জেলার আদমদিঘী থানার কলসা বাজার, রথবাড়ী এবং তিয়রপাড়ায় মুক্তিযোদ্ধা ও হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে হত্যা করতে অপারেশন চালান। ওই দিন আসামি নিজে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে কলসা গ্রামের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ইসলাম উদ্দিন প্রামানিকসহ হিন্দু-মুসলিম মিলিয়ে ১০ জনকে গুলি করে হত্যা করেন।

২. ১৯৭১ সালের ২৪ অক্টোবর থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে একই থানার কাশিমালা গ্রামের ১৬ থেকে ১৭টি বাড়ি লুট করেন মোমিন। সেদিন ৫ জনকে গুলি করে হত্যা করে হত্যা করা হয়।

৩.১৯৭১ সালের ২৫ অক্টোবর রাতে আব্দুল মোমিন তালুকদার রাজাকার ও পাকিস্তানি বাহিনী নিয়ে আদমদিঘী থানার তালশন গ্রামের অভিযান চালিয়ে চারজনকে হত্যা করেন।

২০১৬ সালের ১৮ জানুয়ারি থেকে এ মামলাটির তদন্ত কাজ শুরু করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা জেডএম আলতাফুর রহমান।

এ মামলায় জব্দ তালিকা ছাড়াও ২৯ জনকে ঘটনার স্বাক্ষী করা হয়। বিচারের সময় তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ মোট ১৫ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়।
স্বাধীনতার পর ১৯৭৮ সালে আবদুল মোমিন তালুকদার বিএনপিতে যোগ দেন। পরে আদমদীঘি উপজেলা বিএনপির সভাপতি হন। বিগত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্বও পান তিনি।
তিনি ২০০১ ও ২০০৮ সালে দুইবার বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সেসময় তিনি বগুড়া জেলা বিএনপির সহসভাপতি এবং রাজশাহী বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

সব মামলায় জামিনে হেলেনা জাহাঙ্গীর

0

গুলশান থানার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীরকে জামিন দিয়েছে আদালত।
ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আবুবকর ছিদ্দিক বুধবার ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় হেলেনার জামিন মঞ্জুর করেন।
এর মধ্যে দিয়ে হেলেনা তার নামে থাকা চার মামলার সবগুলোতেই জামিন পেলেন জানিয়ে তার আইনজীবী এএইচএম শফিকুল ইসলাম মোল্লা (সোহাগ) বলেন, “তার মুক্তিতে আর কোনো বাধা রইল না।”
হেলেনার বিরুদ্ধে বাকি মামলাগুলো টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের।
গত ২৯ জুলাই গুলশানের বাসা থেকে হেলেনাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পরে আলাদা চার মামলায় তার ১৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ গত ২১ সেপ্টেম্বর গুলশান থানার বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং পল্লবী থানার প্রতারণা মামলায় হেলেনাকে জামিন দেন। আর টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনের আরেক মামলায় গত ১৭ আগস্ট তার জামিন মঞ্জুর করে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত।
এফবিসিসিআইর পরিচালক হেলেনা জাহাঙ্গীর জয়যাত্রা গ্রুপের কর্ণধার এবং জয়যাত্রা টেলিভিশনের চেয়ারপারসন। নিজেকে তিনি আইপি টিভি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি হিসেবে পরিচয় দিতেন।
হেলেনা জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ছিলেন। কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগেরও উপদেষ্টা পরিষদে ছিলেন তিনি।
‘বাংলাদেশ আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ’ নামের একটি ‘ভূইফোঁড়’ সংগঠনে হেলেনা জাহাঙ্গীরের সভাপতি হওয়ার খবর চাউর হলে জুলাই মাসে তাকে দুই কমিটি থেকেই বাদ দেয় আওয়ামী লীগ। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।