ঢাকা   , ,     

Home Blog Page 65

বিচার বিভাগকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা করা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

0

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বিচার বিভাগকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা করে দিতে চায়। যাতে জনগণ ন্যায্য বিচার পায় এবং বিচারকরা সঠিকভাবে বিচারকাজ করতে পারেন। বিচারকদের গাড়ি দেয়ার মূল উদ্দেশ্যও তাই। মঙ্গলবার রাজধানীর নিবন্ধন অধিদপ্তর প্রাঙ্গণে বিচারকদের মাঝে গাড়ির চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে একথা বলেন আইনমন্ত্রী। এসময় মন্ত্রী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, সন্ত্রাস বিরোধী ট্রাইব্যুনাল, মানব পাচার ট্রাইব্যুনাল, সাইবার ট্রাইব্যুনাল ও চীফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকদের ব্যবহারের জন্য ২৭টি কার এবং দুটি মাইক্রোবাসের চাবি হস্তান্তর করেন। ১২ কোটি ১৩ লাখ ৭৪ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয়ে কেনা এসব গাড়ি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে আনিসুল হক বলেন, আমরা দেখেছি বিচার বিভাগের বিচারকগণ রিক্সা করে বা বেবি ট্যাক্সি করে কিংবা মাইক্রোবাসে করে চলাফেরা করতেন। সেই অবস্থা পরিবর্তন করার জন্য সকল জেলা জজদের গাড়ি দেয়া হয়ে গেছে। এরপর অতিরিক্ত জেলা জজদের গাড়ি দেয়া হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ সম্পূর্ণভাবে পৃথকীকরণ করা হয়। এই পৃথকীরণের কারণে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেসি আলাদা হয়ে যায় এবং বিচার বিভাগে ভৌত অবকাঠামো সম্পূর্ণভাবে পুনর্বিন্যস্ত করতে হয়। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বিশ্বাস করে বিচার বিভাগের জন্য সঠিকভাবে অবকাঠামো সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে বিচারকদের স্বাধীনভাবে বিচার করার ভিত্তি তৈরি হবে। সে কারণেই বিচার বিভাগের অবকাঠামো তৈরির ওপর জোর দেয়া হয়েছে। ৬৪টি জেলায় ১০তলা বিশিষ্ট নতুন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসি ভবন তৈরির প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় ইতিমধ্যে ৩০টি জেলায় ম্যাজিস্ট্রেসি ভবন উদ্বোধন করা হয়েছে। বাকী কিছু আছে যেগুলো শিগগিরই উদ্বোধন করা হবে। এ সময় আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারোয়ার, যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহাসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিচারকদের মাঝে গাড়ির চাবি হস্তান্তর শেষে আইনমন্ত্রী গাড়িগুলো পরিদর্শন করেন।

কামরুন্নাহার বিচারিক ক্ষমতা হারালেন

0

সর্বোচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ থাকার পরও ধর্ষণ মামলার এক আসামিকে জামিন দেয়ায় ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর সাবেক বিচারক মোছা. কামরুন্নাহারের বিচারিক ক্ষমতা সিজ করে নিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সোমবার সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
এর আগে স্থগিতাদেশ থাকার পরও ধর্ষণ মামলার এক আসামিকে জামিন দেয়ায় ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর সাবেক বিচারক মোছা. কামরুন্নাহারকে তলব করেন আপিল বিভাগ।
ওই আদেশের ধারাবাহিকতায় সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় আপিল বিভাগে সশরীরে উপস্থিত হন ওই বিচারক। আপিল বিভাগের কার্যতালিকার ১ নম্বর ক্রমিকের মামলায় শুনানি হয়। শুনানি শেষে বিচারক কামরুন্নাহারের ফৌজদারি বিচারিক ক্ষমতা সিজ করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান। তিনি বলেন, ‘মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়ে আদেশের বিস্তারিত প্রকাশিত হবে।’
বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলার রায়ের পর্যবেক্ষণে ধর্ষণের ঘটনার ৭২ ঘণ্টা পর মামলা নেয়া যাবে না মন্তব্য করে আলোচনায় আসেন বিচারক কামরুন্নাহার। এ অভিযোগে তাকে বিচারকাজ থেকে প্রত্যাহার করে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।যদিও লিখিত রায়ে বিতর্কিত পর্যবেক্ষণ বাদ দেন তিনি। এরপরই আলোচনায় আসে তিন বছরের পুরোনো এক ধর্ষণ মামলায় আসামির জামিনকাণ্ড।
এর আগে ১৪ নভেম্বর কামরুন্নাহারের ফৌজদারি বিচারিক ক্ষমতা সাময়িকভাবে স্থগিত করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। একইসঙ্গে তাকে এজলাসে না বসার নির্দেশ দেয়া হয়।

ধর্ষণের আরেক মামলায় জামিন, আপিল বিভাগে ক্ষমা চাইলেন বিচারক কামরুন্নাহার

0

ধর্ষণের এক মামলায় আপিল বিভাগের স্থগতাদেশ থাকার পরও এক আসামিকে জামিন দেয়ায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে উপস্থিত হয়ে নি:শর্ত ক্ষমা চেয়েছেন আলোচিত বিচারক মোছা. কামরুন্নাহার। আপিল বিভাগে রুদ্ধদ্বার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এসময় কোনো সাংবাদিককে আদালত কক্ষে ঢুকতে দেয়া হয় নি।
সোমবার (২২ নভেম্বর) সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগে হাজির হয়ে তিনি ক্ষমা চান। তবে শুনানিকালে কোনো সাংবাদিককে কোর্টে ঢুকতে দেয়া হয়নি। এমনকি আপিল বিভাগের কর্মচারীদেরও কোর্ট থেকে বের করে দেয়া হয়।
এরপর প্রায় দুই ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার শুনানি হয়। তবে এ মামলায় কী আদেশ হয়েছে তা জানা যায়নি।
সম্প্রতি বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলায় ৭২ ঘণ্টা পর ধর্ষণ মামলা নেয়া যাবে না মর্মে পর্যবেক্ষণ দিয়ে আলোচনায় আসেন বিচারক কামরুন্নাহার। এ অভিযোগে তাকে বিচারকাজ থেকে প্রত্যাহারও করে সুপ্রিম কোর্ট। তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্থ নিযুক্ত) যদিও লিখিত রায়ে বিতর্কিত পর্যবেক্ষণ বাদ দেয়া হয়। এরপরই আলোচনায আসে তিন বছরের পুরনো এক ধর্ষণ মামলায় আসামির জামিনকাণ্ড। যার ধারাবাহিকতায় তাকে তলব করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহসহ ১১ মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি ১৫ মার্চ

0

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাশকতা ও রাষ্ট্রদ্রোহসহ ১১টি মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়েছে। এসব মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৫ মার্চ দিন ধার্য করেছেন আদালত।
সোমবার (২২ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ এ তারিখ নির্ধারণ করেন। ধার্য করেন।
আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে সোমবার মামলাগুলোর অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু অধিকাংশ মামলা উচ্চ আদালতে স্থগিত থাকায় শুনানি পেছানোর আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। এরপর বিচারক আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।
মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজধানীর দারুস সালাম থানার নাশকতার আটটি, যাত্রাবাড়ি থানার নাশকতার দুটি ও রাষ্ট্রদ্রোহের একটি মামলা।
২০১৭ সালের ২৫ জানুয়ারি মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহের একটি মামলা করা হয়।
২০১৫ সালে নাশকতার ঘটনায় যাত্রাবাড়ি থানায় দুটি মামলা করে পুলিশ। ওই বছরেই দারুসসালাম থানায় নাশকতার আরও আটটি মামলা করা হয়। এসব মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ দলীয় নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়। গুরুতর অসুস্থ হয়ে খালেদা জিয়া গত কয়েকদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছেন।

আফগানিস্তানে টিভি নাটকে নারীদের উপস্থিতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে তালেবান

0

আফগানিস্তানে তালেবান সরকারের জারি করা নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী টেলিভিশন নাটকে নারীদের উপস্থিতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এছাড়া টেলিভিশনের পর্দায় হাজির হবার সময় নারী সাংবাদিক এবং উপস্থাপিকাদেরও হিজাব পরতে বলা হয়েছে, তবে কোন ধরনের হিজাব ব্যবহার করতে হবে সে বিষয়ে ওই নির্দেশিকায় সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলা নেই।
সাংবাদিকরা বলছেন কিছু নিয়ম অস্পষ্ট এবং ব্যাখ্যার প্রয়োজন রয়েছে। চলতি বছরের অগাস্টের মাঝামাঝি সময়ে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে তালেবান এবং অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন যে তারা ধীরে ধীরে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে।
যেদিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্রবাহিনীর আফগানিস্তান ছেড়ে যায় তার পরপরই দেশটির নিয়ন্ত্রণ নেয় এই ইসলামি জঙ্গি গোষ্ঠীটি।
প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই তারা মেয়ে এবং তরুণীদের স্কুল থেকে ফেরার পর বাড়িতে থাকারই নির্দেশ দেয়।
তালেবান, ১৯৯০-এর দশকে তাদের আগের শাসনামলে, নারীদের শিক্ষা গ্রহণ এবং বাইরে কাজ করার ক্ষেত্রে বাধা দিয়েছিল।
সবশেষ তারা আফগান টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর জন্য নতুন যে নির্দেশাবলী জারি করলো, সেখানে মোট আটটি ব্যাপারে বিধিনিষেধ দেয়া হয়েছে।
এর মধ্যে শরিয়া বা ইসলামিক আইন এবং আফগান মূল্যবোধের বিরুদ্ধে যায় এমন চলচ্চিত্র নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে।
এছাড়া পুরুষদের শরীরের গোপন অংশগুলো প্রকাশ করার ফুটেজও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
যে ধর্মের অবমাননা করা হয়েছে বা আফগানদের জন্য আপত্তিকর বলে বিবেচিত হতে পারে এমন কমেডি এবং বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
তালেবানের বক্তব্য, বিদেশি সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ প্রচার করে এমন বিদেশি চলচ্চিত্র সম্প্রচার করা উচিৎ নয়।
আফগানিস্তানের টেলিভিশন চ্যানেলগুলোয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিদেশি নাটক দেখানো হয়। যেগুলোর প্রধান চরিত্রে থাকেন নারী।
আফগানিস্তানে সাংবাদিকদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন, হুজ্জাতুল্লাহ মুজাদ্দেদির এক সদস্য বলেছেন, নতুন এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা অপ্রত্যাশিত।
তিনি বিবিসিকে বলেছেন যে, কিছু নিয়ম বাস্তবসম্মত নয় এবং তা কার্যকর হলে সম্প্রচারকারীরা টেলিভিশন অনুষ্ঠান সম্প্রচার বন্ধ করতে বাধ্য হতে পারেন।
তালেবান এর আগে মেয়ে এবং তরুণীদের স্কুল থেকে বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেন।
এর পরপরই আফগানিস্তান তার অর্ধেক জনসংখ্যাকে শিক্ষা অর্জনে বাধা দেয়ার ক্ষেত্রে বিশ্বের একমাত্র দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়।
রাজধানী কাবুলের মেয়র, নারী পৌর কর্মীদেরও বাড়িতে থাকতে বলেছেন, যতক্ষণ না তাদের চাকরির স্থলে একজন পুরুষকে বসানো হচ্ছে।
তবে তালেবানের দাবি, কর্মরত নারী এবং শিক্ষা গ্রহণকারী ছাত্রীদের ওপর তাদের এসব নিষেধাজ্ঞা “অস্থায়ী”। তাদের জন্য কর্মক্ষেত্র এবং শিক্ষার পরিবেশন পুরোপুরি “নিরাপদ” করার জন্যই এ ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

চাল কেটে ‘মিনিকেট’ বানানো অটোরাইস মিল মালিকদের তালিকা চেয়েছে হাইকোর্ট

0

মেশিনে সাধারণ চাল কেটে-ছেঁটে মিনিকেট ও নাজিরশাইল নামে সরবরাহ করে, দেশের ৭ জেলার এমন অটোরাইস মিলের মালিকদের তালিকা তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
জেলাগুলো হলো-রংপুর, কুষ্টিয়া, জয়পুরহাট, নওগাঁ, যশোর, গোপালগঞ্জ ও নেত্রকোনা।
এসব জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারদের (এসপি) আগামী ৪ মাসের মধ্যে এ তালিকা তৈরি করে আদালতে জমা দিতে বলা হয়েছে।
মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) করা এ সংক্রান্ত একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
মিলগুলোতে চাল পালিশ করে বাজারজাত করায় মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও খাদ্যের পুষ্টিমান নষ্ট হচ্ছে কি না তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।
বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা কাউন্সিলের (বিসিএসআইআর) চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএআরআই) মহাপরিচালকদের একই সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে গবেষণা প্রতিবেদন হাইকোর্টে জমা দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে মেশিনে সাধারণ চাল পলিশ করে ‘মিনিকেট’ ও ‘নাজিরশাইল’ চাল বিক্রি বন্ধে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, ৩ সপ্তাহের মধ্যে তার ব্যাখ্যা চেয়ে একটি রুলও জারি করেছেন হাইকোর্ট বেঞ্চ।
আদালতে রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। আর সরকারের পক্ষে ছিলেন ডিএজি কাজী মাইনুল হাসান।

এটিএম কার্ডের জালিয়াতি ঠেকাতে যা করবেন

0

বর্তমান সময়ে সবকিছু ডিজিটালাইজড হচ্ছে,পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সাইবার অপরাধ। আর এই সাইবার জালিয়াতির দুনিয়ায় সফ্ট টার্গেট হচ্ছে এটিএম কার্ড। একের পর এক অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও হয়ে যায় লাখ লাখ টাকা। এটিএম কার্ড জালিয়াতির হাত থেকে বাঁচতে তাই মেনে চলুন কিছু নিয়ম।
বিপদ এড়াতে সবসময় খেয়াল রাখুন এগুলো–
* নির্দিষ্ট সময়ের পর পর এটিএম কার্ডের পিন পরিবর্তন করুন।
* কার্ডে পিন নম্বর লিখে রাখবেন না, কাউকে কার্ড দেবেন না। এমনকি নিজেও পিন নম্বর কাউকে বলবেন না।
* আপনি যখন এটিএমের ভিতরে থাকবেন, তখন অন্য কাউকে প্রবেশ করতে দেবেন না।
* এটিএম মেশিনে পিন দেয়ার সময় হাত দিয়ে আড়াল করে পিন দিন। যাতে অন্য কারোর নজরে না পড়ে।
* এটিএম থেকে টাকা তোলার পর যে স্লিপ আসে তা কাউন্টারে ফেলে আসবেন না।
* এটিএমের স্ক্রিন যতক্ষন না পুরনো অবস্থায় ফিরে আসছে, ততক্ষণ পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন।
* নতুন কার্ড নেয়ার পর পুরনো কার্ড পুরোপুরি নষ্ট করে ফেলুন।
যা করবেন না–
* ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নম্বর, পিন, সিভিভি (কার্ডের পিছনে থাকা তিন সংখ্যার নম্বর, যা নেট-লেনদেনে কাজে লাগে) ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড কাউকে দেবেন না।
* অনেক সময়ে ব্যাংক বা অন্য কোনও বিশ্বস্ত সংস্থার নাম করে ফোন, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে প্রতারক কার্ডের পিন নম্বর জানার চেষ্টা করে। ভুলেও সেই ফাঁদে পা দেবেন না। মনে রাখবেন, আপনার তথ্য এমনিতেই ব্যাংকের কাছে আছে। তারা তা নতুন করে চাইবে কেন?
* পিন নম্বর মুখস্থ রাখুন। লিখে রাখলে, অবশ্যই সাংকেতিক ভাবে।
* কার্ড ব্যবহারে অপরিচিতের সাহায্য নেবেন না।
* কার্ডে জিনিসপত্র কেনাকাটার সময়ে সাবধান থাকুন। দোকানে কেনাকাটা বা রেস্তরাঁয় খাওয়াদাওয়ার পরে কার্ড সোয়াইপ করানোর জন্য তা অন্য কারও হাতে দেবেন না। তথ্য সূত্র: অনলাইন।

ধর্ষকদের খোজা করার বিধান থেকে সরে আসলো পাকিস্তান

0

ধর্ষকদের খোজা করণের বিধান থেকে শেষ মুহুর্তে সরে আসলো পাকিস্তান। তবে গণ-ধর্ষণের দায়ে যারা দোষী সাব্যস্ত হবে, তাদের মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হবে।
এই আইনে বলা হয়েছে, ধর্ষণ এবং যৌন নির্যাতনের দ্রুত বিচারের জন্য পাকিস্তান সরকার দেশজুড়ে বিশেষ আদালত স্থাপন করবে। চারমাসের মধ্যে এসব বিচার শেষ করার টার্গেট থাকবে।
পাকিস্তানে সাম্প্রতিক সময়ে নারী ও শিশু ধর্ষণ বেড়ে যাবার প্রেক্ষাপটে এই কঠোর আইন পাশ করা হয়েছে।
তবে শরীরে রাসায়নিক প্রয়োগ করে খোজা করে দেবার বিধান প্রস্তাব করা হয়েছিল, সেটি শেষ মুহূর্তে বাতিল করা হয়।
গত ডিসেম্বর থেকে দেশটির প্রেসিডেন্টের এক অধ্যাদেশ-এর বলে এই শাস্তির বিধান করা হয়েছিল।
কিন্তু এনিয়ে আইন প্রণয়নের জন্য সংসদে উত্থাপন করা হলে সেটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। গত বছর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছিলেন, শরীরে রাসায়নিক প্রয়োগের মাধ্যমে ধর্ষকদের খোজা করে দেবার আইন প্রণয়ন করতে চান তিনি।
বিবিসি উর্দু ভাষা সার্ভিসের সাংবাদিক জুবায়ের আজম বলেছেন, পাকিস্তানের ইসলামিক মতাদর্শিক কাউন্সিল মত দিয়েছে রাসায়নিক প্রয়োগের মাধ্যমে ধর্ষকদের খোজা করার বিষয়টি ইসলাম-সম্মত নয়।
যদিও এই কাউন্সিলের মতামত মানতে দেশটির পার্লামেন্ট বাধ্য নয়, কিন্তু ধর্ষকদের খোঁজ করে দেবার বিষয়টি বাদ দেবার ক্ষেত্রে তাদের মতামত হয়তো প্রভাব ফেলেছে।
পাকিস্তানের পার্লামেন্টে আইন বিষয়ক সচিব মালিকা বুখারি বিবিসি উর্দু বিভাগকে বলেন, ইসলামিক মতাদর্শিক কাউন্সিলের আপত্তি পর্যালোচনা করে বিষয়টি বাদ দেয়া হয়েছে।
মালিকা বুখারি বলেন, ধর্ষণের ক্ষেত্রে বিতর্কিত টু-ফিঙ্গার টেস্টের বিধান বাতিল করা হয়েছে নতুন আইনে।
তবে পাকিস্তানের বিভিন্ন হাসপাতালে অ্যান্টি-রেইপ ক্রাইসিস সেল স্থাপন করা হবে। সেখানে নারীদের সম্মান রক্ষা করে শারীরিক পরীক্ষা এবং আইনগত সহায়তা দেয়া হবে বলে মালিকা বুখারি উল্লেখ করেন।
এছাড়া নতুন আইনে ধর্ষণের শাস্তি বাড়ানো হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। রাসায়নিক প্রয়োগের মাধ্যমে খোজা করে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থাও আপত্তি তুলেছিল।

ধর্ষণের শিকার নারীরা বিচার পান না যে সব কারণে
ধর্ষকদের এ ধরণের সাজার পরিবর্তে ধর্ষণের কারণ খুঁজে বের করার আহবান জানিয়েছিল মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, পোল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, চেক রিপাবলিক এবং আমেরিকার কিছু রাজ্যে এ বিধান রয়েছে।
ওয়ার অ্যাগেইনস্ট রেইপ নামের একটি পাকিস্তানী বেসরকারি সংস্থাকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স বলছে, দেশটিতে যারা ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত হয় তাদের মধ্যে তিন শতাংশেরও আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়। বিবিসি বাংলা।

খালেদার বিদেশ যাওয়া প্রশ্নে সংসদে আইনমন্ত্রীঃ বিএনপি ‘যত খুশি গালি দিক’, কিছু করার নেই

0

দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবি নিয়ে আলোচনায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সংসদে বলেছেন, তিনি ‘আইন অনুযায়ীই’ চলবেন।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অনির্ধারিত আলোচনায় তিনি বলেন, “বিএনপি যে দাবি করছে, তা আইনের বইয়ে নেই। উনারা (বিএপি) আমাকে যত খুশি গালি দিতে পারেন। তাতে আমার কিছু আসে যায় না। আমি আইন মোতাবেক চলব।”
বৃহস্পতিবার সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে বিএনপির সাংসদ জিএম সিরাজের বক্তব্যের জবাবে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।
জিএম সিরাজ তার দলের নেত্রী খালেদা জিয়াকে ‘মানবিক দিক বিবেচনায়’ দুয়েক দিনের মধ্যে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবি জানান। তা না হলে সংসদ থেকে পদত্যাগ করারও হুঁমকি দেন।
বিএনপির এই সাংসদ বলেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠানো না হলে দলীয় সিদ্ধান্তে বিএনপির পক্ষে এই সংসদে থাকা ‘হয়ত সম্ভব হবে না’।
“আমরা ছয়জন এই সংসদে আছি। আওয়ামী লীগের বন্ধুরা বলেন, এটা এই পার্লামেন্টের জন্য অলঙ্কার। আজকে তাই বলতে চাই, আমাদের সংসদ নেতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, যদি আমরা সত্যি সত্যি অলঙ্কারই হয়ে থাকি, তাহলে পার্লামেন্ট অলঙ্কারবিহীন করবেন না। এই কারণে, আমাদের দলীয় সিদ্ধান্তে এমনও হতে পারে, ম্যাডামের যদি চরম অবস্থা চলে যায়, তাহলে হয়ত এই পার্লামেন্টে  আমাদের থাকা সম্ভব নাও হতে পারে। আমি এটাকে শর্ত দিচ্ছি না।”
জিএম সিরাজ বলেন, গত এপ্রিলে কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে বিএনপির চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা ‘চরম অবনতির দিকে’ যাচ্ছে।
“যা তাকে দিনে দিনে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। পরিবার থেকে পাঁচবার আবেদন করা হয়েছে। দল থেকে বারবার আবেদন করা হচ্ছে। খালেদা জিয়াকে অতি দ্রুত জামিন দিয়ে দুয়েক দিনের মধ্যে বিদেশে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হোক।”
এ বিষয়ে বুধবার সংবাদ সম্মেলনে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে সিরাজ বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শপথ নিয়েছিলেন রাগ বিরাগের বশবর্তী হবেন না। উনার গতকালের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে বিনয়ের সাথে বলছি, উনার বক্তব্যের সাথে শপথের ভাষা সাংঘর্ষিক। তুমি অধম বলিয়া আমি উত্তম হইব না, এটা কি সঠিক?”
৭৬ বছর বয়েসী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বহু বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। গত ১৩ নভেম্বর থেকে তিনি বসুন্ধরায় এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি।
তাকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে আবারও সরকারের কাছে আবেদন করেছে তার পরিবার। কিন্তু সরকারের তরফ থেকে বলা হচ্ছে, যেহেতু দণ্ড স্থগিত করে শর্ত সাপেক্ষে খালেদা জিয়াকে সাময়িক মুক্তি দেওয়া হয়েছে, সেহেতু তাকে এখন বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার সুযোগ নেই। তিনি যদি কারাগারে ফিরে গিয়ে আবেদন করেন, সরকার তখন তা বিবেচনা করতে পারে।
এ নিয়ে এক সাংবাদিক বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করলে সরকার প্রধান শেখ হাসিনা বলেন, দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য সরকারের নির্বাহী ক্ষমতায় যা করার ছিল, তা তিনি করেছেন, এখন বাকিটা ‘আইনের ব্যাপার’।
তিনি বলেন, “এতবড় অমানবিক যে, তাকে আমি মানবতা দেখিয়েছি। আমার হাতে যেটুকু পাওয়ার সেটুকু আমি দেখিয়েছি। আর কত চান?”
সংসদে জিএম সিরাজ বলেন, “দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে জামিন নিয়ে বিদেশে চিকিৎসা নেয়ার নজির দেশে আছে। ১৯৭৯ সালে আসম আব্দুর রব সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পরও চিকিৎসার জন্য জার্মানি গিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগের নেতা মোহাম্মদ নাসিম দুদকের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে ২০০৮ সালে চিকিৎসার জন্য সুযোগ পান।”
খালেদা জিয়া কেন সেই সুযোগ পাবেন না- সেই প্রশ্ন রেখে বিএনপির এই সাংসদ বলেন, “এটা তার মৌলিক অধিকার। দেশের মানুষ মনে করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী যা চাইবেন তাই করতে পারবেন, করেন। সর্বময় ক্ষমতার মালিক তিনি। এটা পাবলিক পারসেপশন।”
প্রধানমন্ত্রীকে সিরাজ অনুরোধ করেন: “মানবিক কারণে খালেদা জিয়াকে দুয়েক দিনের মধ্যে জামিন দিয়ে বিদেশ পাঠানো হোক। না হলে কিছু একটা হয়ে গেলে এর দায়ভার সারাজীবন আওয়ামী লীগকে বহন করতে হবে।”
জিএম সিরাজের এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের সাংসদরা হইচই শুরু করেন। স্পিকার তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।
পরে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, “আইনের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। মানবিক কারণে দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়াকে সাজা স্থগিত রেখে ছয় মাস পরে বাড়ানো হয়েছে।”
কিন্তু চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে অনুমতি দেয়ার বিধান ‘আইনে নেই’, মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, “আমিতো দেখিয়েছি যে বাংলাদেশের আইনের বইয়ে এটা নাই। উনারা যদি এটা দেখাতে পারেন, তাহলেতো আমরা এটা বিবেচনা করতে পারি। কিন্তু এটা আইনের বইয়ে নাই। উনারও দেখাতে পারবেন না, বিবেচনার প্রশ্ন আসে না।”
সরকারি দলের সদস্যরা টেবিল চপড়ে তার এই বক্তব্যে সমর্থন দেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, “২০০৭-০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিদেশ যেতে দেয়া হয়েছে, এটা অসত্য। প্রধানমন্ত্রী কখনো সাজাপ্রাপ্ত হননি। আ স ম আবদুর রবকে যখন পাঠানো হয়েছিল তখন দেশে ছিল মার্শাল ল। মাশাল লর ধারা ফৌজদারি কার্যবিধির ধারার সঙ্গে চলে না। উনারা যথেচ্ছা করেছেন। আজকে আইনের শাসন যেখানে আছে, সেখানে আমি যথেচ্ছা করতে পারি না। এটা হচ্ছে প্রকৃত ঘটনা।”
খালেদা জিয়াকে ‘সঠিকভাবে’ চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “একজন সাজাপ্রাপ্ত… ৪০১ ধারায় কোনো সুযোগ নেই নিস্পত্তিকৃত আবেদন আবার বিবেচনা করার।” সূত্র – বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

দুদকের মামলায় কনিষ্ঠ বিচারপতির ভিন্নমত, বেঞ্চ ছেড়ে চলে গেলেন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি

0

দুর্নীতির এক মামলায় দুদকের আইনজীবীর উপস্থিত থাকা নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগের একটি বেঞ্চে দুই বিচারপতি ভিন্নমত দিয়েছেন। এর ফলে ওই বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এজলাস ত্যাগ করেছেন। দুই বিচারপতির ভিন্ন ভিন্ন মতের কারণে ওই দ্বৈত বেঞ্চের বিচারকাজ এখন বন্ধ আছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এস এম মুজিবুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এমন ঘটনা ঘটে।
বিএনপির সাবেক চিফ হুইপ জয়নাল আবদীন ফারকের স্ত্রী কানিজ ফাতেমার মামলায় দুদকের কোনো আইনজীবী না থাকায় দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের একজন কর্মকর্তা সার্বক্ষণিক কোর্টে রাখা যায় কি-না এ নিয়ে দুই বিচারপতির ভিন্ন ভিন্ন মত দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবারের (১৮ নভেম্বর) শুনানিতে দুদকের আইনজীবী মো. খুরশিদ আলম জানান, দুদকে জনবল সংকট রয়েছে। এ কারণে কোর্টে সার্বক্ষণিক একজন অফিসার বসিয়ে রাখা সম্ভব নয়।
এ সময় বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ‘দুদকের মামলা যারা ঠিকমতো তদন্ত করতে পারছেন না তাদেরকে কোর্টে এনে বসিয়ে রাখুন।’
তখন বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারপতি এস এম মুজিবুর রহমান বলেন, ‘দুদকের কী আর কাজ নেই, একজন অফিসার এখানে এসে বসে থাকবেন।’
এ সময় জ্যেষ্ঠ বিচারপতি বলেন, ‘বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারপতি এত কথা বললে তো সমস্যা।’
কনিষ্ঠ বিচারপতি বলেন, ‘তাহলে বেঞ্চে দুই বিচারপতি রাখার দরকার কী?’
এরপর কনিষ্ঠ বিচারপতির প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে এজলাস ছেড়ে চলে যান জ্যেষ্ঠ বিচারপতি। এদিন সকাল পৌনে ১১ টার দিকে (১০টা ৪৭ মিনিটে) এ ঘটনা ঘটে।
এরপর ওই দুই বিচারপতি আর একসঙ্গে বেঞ্চে বসেননি।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সরকারি জমি আত্মসাতের ঘটনায় বিএনপি নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য জয়নুল আবদীন ফারুকের স্ত্রী কানিজ ফাতেমার বিরুদ্ধে করা মামলা কেন বাতিল করা হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। ২০১৯ সালের ২ ডিসেম্বর ওই রুল জারি কারেন আদালত। একইসঙ্গে তিন মাসের জন্য মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন হাইকোর্ট।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, নোয়াখালী জেলার সেনবাগ থানাধীন ইয়ারপুর মৌজার ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ সরকারি খাসজমি থেকে ভুয়া দানপত্র দলিলের মাধ্যমে শূন্য দশমিক ১৯ শতাংশ সম্পত্তি আত্মসাৎ করার ঘটনা প্রমাণ পায়। এ ঘটনায় জেলা দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক মোহাম্মদ আলী বাদী হয়ে ১৯৯৯ সালের ৩০ মে কানিজ ফাতেমাসহ আটজনকে আসামি করে সেনবাগ থানায় মামলা করেন। মামলায় ঘটনার তারিখ উল্লেখ করা হয় ১৯৯৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর।
মামলাটি তদন্ত করে দুদকের উপপরিচালক নিরাপদ স্বর্ণকার ২০১৫ সালের ১৮ জানুয়ারি সবার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। গত ১৯ মার্চ বিশেষ দায়রা জজ আদালত, নোয়াখালী সব আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ মামলায় জামিনে আছেন কানিজ ফাতেমা। সূত্র – জাগো নিউজ/ সময় নিউজ।