ঢাকা   , ,     

Home Blog Page 102

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন ৫ আগষ্ট পর্যন্ত স্থগিত করল হাইকোর্ট

0

আগামী ২৮ জুলাই অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদের সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ ৫ আগস্ট পর্যন্ত স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট ।
সোমবার (২৬ জুলাই) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের একক ভার্চ্যুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস ও বিপুল বাগমার।
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি বিবেচনায় নিয়ে এ উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ স্থগিত চেয়ে স্থানীয় সাতজন বাসিন্দা এবং ছয়জন আইনজীবী এ রিট আবেদন করেন।
এর আগে ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখার অনুরোধ জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদাকে রোববার আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।
সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ আইনজীবীর পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এ নোটিশ দিয়েছিলেন।
নেটিশে বলা হয়, গত ১১ মার্চ সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর মৃত্যুতে সিলেট-৩ আসনটি শূন্য হয়। ১৫ মার্চ নির্বাচন কমিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে ওই আসন শূন্য ঘোষণা করে। ২৯ এপ্রিল নির্বাচন কমিশনের প্রজ্ঞাপন বলা হয়, সংবিধান অনুযায়ী ৮ জুনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে। কিন্তু দৈবদুর্বিপাকের কারণে তা সম্ভব না হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী আরো ৯০ দিন সময় বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ পায় ইসি। এরপর গত ২ জুন ওই উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। এ তফসিলে ১৪ জুলাই ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করা হয়। পরে ইসি ১৫ জুন তারিখ পরিবর্তন করে ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করে ২৮ জুলাই।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, দৈবদুর্বিপাকের কারণে সংবিধান অনুযায়ী সিলেটের এ উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়সীমা ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। তাই ২৮ জুলাই অনুষ্ঠেয় উপনির্বাচন স্থগিত করা যাবে না-এ বক্তব্য আইনের সঠিক ব্যাখ্যা নয়। ইসির উচিত চলমান করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি বিবেচনায় নিয়ে ‘লকডাউনে’র সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন না করা এবং ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অন্য যে কোনো সময়ে ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করা। তিন লাখ ৫২
হাজার ভোটারের এ নির্বাচন অনুষ্ঠান সরকারের বর্তমান ‘লকডাউন’ নীতিরও বিরোধী।
করোনা আক্রান্ত হয়ে এ বছরের ১১ মার্চ সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর মৃত্যু হয়। এরপর ১৫ মার্চ আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তফসিল ঘোষণার পর ৯০ দিন পেছালেও ২৮ জুলাই ভোটগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়। ওইদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ইভিএমে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণের কথা রয়েছে।
নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান নৌকা প্রতীকে, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আতিকুর রহমান লাঙ্গল প্রতীকে, বাংলাদেশ কংগ্রেসের জুনায়েদ মোহাম্মদ মিয়া ডাব প্রতীকে এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য (বহিষ্কৃত) স্বতন্ত্র প্রার্থী শফি আহমেদ চৌধুরী মোটর গাড়ি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। করোনা পরিস্থিতিতে কঠোর ‘লকডাউন’ দিয়ে সরকার মানুষকে ঘরে রাখার চেষ্টাকালে প্রার্থীরা নেতাকর্মী-সমর্থকদের নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তফসিল অনুযায়ী ২৬ জুলাই রাত ১২টায় প্রচার-প্রচারণা বন্ধ থাকবে।

মুনিয়া আত্মহত্যা: বসুন্ধরা গ্রুপের এমডিকে অব্যাহতির ঘটনায় পুনঃ তদন্ত দাবি ৫১ নাগরিকের

0

মুনিয়া আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা থেকে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরকে অব্যাহতি দিয়ে পুলিশ আদালতের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়ায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন দেশের ৫১ নাগরিক। বিবৃতিতে আনভীরের অব্যাহতির ঘটনায় পুনঃ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।
রোববার এক বিবৃতিতে এসব দাবি জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ‘মামলার পর পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার তো দূরে থাক এমনকি থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এমন তথ্য আমাদের জানা নেই। বিপরীতে বিচার চেয়ে আয়োজিত একটি নাগরিক সমাবেশে বাধা দেওয়া, মামলার পর আনভীরের অবাধ চলাচল, মুনিয়ার বিষয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য, কুৎসা ও অবিরাম অপপ্রচার চালানো, মামলার বাদীর বিরুদ্ধে নানা হয়রানিমূলক ঘটনা তদন্তকে প্রভাবান্বিত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।’
এ সব পরিপ্রেক্ষিতে এই মামলায় সুষ্ঠু তদন্ত হয়েছে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করার যথেষ্ট অবকাশ আছে বলে জানান বিবৃতিদাতারা।
তারা বলেন, ‘আমরা এই মামলার সুষ্ঠুভাবে পুনঃ তদন্ত করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি এবং পুলিশের কাছে থাকা মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামতগুলোর (যেমন-নিহতের ডায়েরি ইত্যাদি) যেন যথাযথ ও ন্যায়ানুগ বিশ্লেষণ হয় তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি। মামলার বাদীকে কোনো চাপের মুখে পদ্মা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চাকরিচ্যুত করেছে কিনা সরকারকে তাও খতিয়ে দেখতে অনুরোধ করছি। একইসাথে মুনিয়ার বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং মামলার বাদীকে হয়রানি বন্ধ এবং তাকে ও তার পরিবারকে নিরাপত্তা দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা মনে করি মুনিয়ার আত্মহত্যা বা হত্যার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও উপযুক্ত বিচার দেশের আইনের শাসনের প্রতি মানুষের আস্থা রক্ষার স্বার্থে খুবই জরুরি। নারীর বিরুদ্ধে সংহিসতা রোধে সরকারের যে ঘোষিত নীতি রয়েছে তার প্রতি সরকারের আন্তরিকতা এ ধরনের ঘটনায় ক্ষমতাশালী ও বিত্তশালী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমেই প্রমাণিত হতে পারে।’
অবিলম্বে এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আদালতে না-রাজী দরখাস্ত দাখিল করে এ ঘটনার পুনরায় নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করেন বিবৃতিদাতারা।
বিবৃতিদাতারা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস প্রফেসর সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল, অর্থনীতিবিদ ও নির্বাহী সভাপতি পিপিআরসি ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার, নিজেরা করি’র সমন্বয়কারী খুশী কবির, মানবাধিকার কর্মী ড. হামিদা হোসেন, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, সুজনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, এএলআরডি’র নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গীতিয়ারা নাসরীন, নারীপক্ষের সদস্য শিরিন প হক, সেন্ট্রাল উইমেন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক পারভীন হাসান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মির্জা তাসলিমা সুলতানা, মানবাধিকার কর্মী ড. ফষ্টিনা পেরেরা, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের নির্বাহী পরিচালক সঞ্জীব দ্রং, বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন ক্লিনিক্যাল নিউরোসাইন্স সেন্টারের পরিচালক ড. নায়লা জেড খান সহ ৫১ নাগরিক।

করোনায় নির্বাচন কর্মকর্তার মৃত্যু; সিলেট-৩ আসনে উপনির্বাচন নিয়ে শঙ্কা, স্থগিত চেয়ে আইনি নোটিশ

0

সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইসরাইল হোসেন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। রোববার বেলা ৩টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ইসরাইল হোসেন আগামি ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিত সিলেট -৩ আসনের উপনির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে সিলেট জেলা প্রশাসককে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব দেয়া হয়।

( নির্বাচন কর্মকর্তা ইসরাইল হোসেন,মারা গেলেন করোনায়)।
আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুতে উপনির্বাচন স্থগিত হবে কী না এ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। দেশে একদিকে চলছে কঠোর লকডাউন আরেক দিকে করোনা সংক্রমন বৃদ্ধি পাওয়ায় সিলেট ৩ আসনের ভোটাররা আছেন আতঙ্কে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা যদিও ইতিমধ্যে বলেছেন উপনির্বাচন স্থগিতের সম্ভবানা নেই।
এদিকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বিবেচনায় সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন স্থগিত করার অনুরোধ জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বরাবরে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন পাঁচ আইনজীবী। অন্যথায় তাঁরা উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হবেন বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। রোববার এই নোটিশ পাঠানো হয়।
উল্লেখ্য গত ১১ মার্চ করোনা আক্রান্ত হয়ে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী মারা যান। এরপর ১৫ মার্চ আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। আসনটিতে উপ নির্বাচনের তফসীল অনুযায়ী ২৮ জুলাই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের যুগ্ম-সচিব ও পরিচালক (জনসংযোগ) এসএম আসাদুজ্জামান জানান, সিলেট-৩ আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর ২ জুন নির্বাচন কমিশনের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই উপনির্বাচনে ইসরাইল হোসেনকে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এই দায়িত্ব পালনের সময় ৩ জুলাই ইসরাইলসহ তিনজন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত হন। এর মধ্যে ইসরাইল হোসেন ঢাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় মারা যান।
তার বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন সন্তানসহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। ইসরাইল হোসেনের মৃত্যুতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদাসহ নির্বাচন কমিশন গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
এদিকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বিবেচনায় সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন স্থগিত করার অনুরোধ জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বরাবরে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন পাঁচ আইনজীবী।
পাঁচ আইনজীবীর পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ই–মেইলে রোববার ওই আইনি নোটিশ পাঠান। ওই উপনির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে গণমাধ্যমের আসা সিইসির বক্তব্য তুলে ধরে নোটিশে বলা হয়, সিইসি বলেছেন যে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে চলমান লকডাউনেও নির্বাচন স্থগিত রাখা সম্ভব নয়। সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদের ৪ দফার শর্তানুযায়ী সিলেট উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়সীমা ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ৭ তারিখ পর্যন্ত। তাই ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন স্থগিত করা যাবে না—এই বক্তব্য আইনের সঠিক ব্যাখ্যা নয়।
আরও বলা হয়, নির্বাচন কমিশনের উচিত চলমান করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি বিবেচনায় নিয়ে লকডাউনের সময় নির্বাচন অনুষ্ঠান আয়োজন না করা এবং ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অন্য যেকোনো সময় ভোট গ্রহণ নির্ধারণ করা। ৩ লাখ ৫২ হাজার ভোটারের এই নির্বাচন অনুষ্ঠান সরকারের বর্তমান লকডাউন নীতিরও বিরোধী। সুতরাং ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোনো সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নেই।
তাই করোনাভাইরাস সংক্রমণের বৃদ্ধি বিবেচনায় নিয়ে ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য সিলেট-৩ আসনের ভোট গ্রহণ স্থগিত করার অনুরোধ জানানো হয় নোটিশে। অন্যথায় নোটিশদাতারা উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হবেন বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
নোটিশদাতা পাঁচ আইনজীবী হলেন মোহা. মুজাহিদুল ইসলাম, আল-রেজা মো. আমির, জোবায়দুর রহমান, মো. জহিরুল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমান।

পেগাসাসের জন্যই লাখ লাখ মানুষ নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারে, উদ্ভট দাবি ইসরাইলের প্রস্তুতকারী সংস্থার

0

বিশ্বজুড়ে বিতর্কের জেরে ধাক্কা খাচ্ছে ভাবমূর্তি। দাবি উঠছে পেগাসাসের মতো সফটওয়্যার বা ম্যালওয়্যার যারা বানায়, সেই ধরনের সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া উচিত। সব মিলিয়ে রীতিমতো বিতর্কে পেগাসাস এর প্রস্তুতকারী সংস্থা ইসরাইলের এনএসও গ্রুপ। আর এই বিতর্কের মুখে এবার আজব সাফাই গাইল তাঁরা। এনএসও গ্রুপের দাবি, বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারেন শুধু পেগাসাসের -এর মতো প্রযুক্তির জন্যই। আমরা পৃথিবীকে নিরাপদ করে তোলার জন্য সাধ্যমতো কাজ করছি।
শনিবার এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের এই তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাটি দাবি করেছে,”বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারছেন, নিরাপদে চলাফেরা করতে পারছেন শুধু পেগাসাসের এবং এই ধরনের অন্য সফটওয়্যারের জন্যই। বিভিন্ন অ্যাপের এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশনের আড়ালে বিশ্বব্যাপী যে অপরাধ এবং সন্ত্রাসের জাল ছড়িয়েছে, তা সম্পর্কে তদন্ত করতে এবং সন্ত্রাস রুখতে আমরাই বিভিন্ন নিরাপত্তা এজেন্সিকে সাহায্য করছি।” এসএসও গ্রুপের যুক্তি, “আমরা এবং অন্য বেশ কয়েকটি সাইবার ইন্টেলিজেন্স কোম্পানি বিভিন্ন দেশের সরকারকে এই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করতে দিই কারণ, সামাজিক মাধ্যম বা ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপের আড়ালে যে অপরাধের জাল ছড়িয়ে পড়ছে তা নিয়ন্ত্রণ করার কোনও উপায় কারও কাছে নেই। আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছি, এই পৃথিবীকে আরও নিরাপদ করে তোলার।” পেগাসাসকে ঘিরে যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তা নিয়ে সংস্থার সাফ যুক্তি, আমরা নিজেরা এই সফটওয়্যার ব্যবহারও করি না। এটার বিস্তারিত তথ্যও আমাদের হাতে নেই।
উল্লেখ্য পেগাসাস হচ্ছে ইসরায়েলের সংস্থা ‘এনএসও গ্রুপ’-এর তৈরি একটি সফটওয়্যার। এর মাধ্যমে ফোনে আড়ি পাতা যায় বা ফোন হ্যাক করা যায়। ফলে যে স্মার্টফোনটিকে নিশানা করা হয়েছে সেটির ভয়েস কল ও হোয়াটসঅ্যাপ ডেটা-সহ সমস্ত তথ্য হামলাকারীর হাতে চলে যায়। এই কাজটি এতটাই গোপনে হয় যে ফোনটির ব্যবহারকারী আক্রান্ত হওয়ার কথা জানতেই পারেন না। ফলে তাঁর অজান্তেই গোপন কথাবার্তা, তথ্য সমস্ত কিছু ফাঁস হয়ে যায়। বিশেষ করে, রাজনীতিবিদ, শিল্পপতি, সাংবাদিক ও কুটনীতিবিদের এই স্পাইওয়্যারের মাধ্যমে নিশানা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। পেগাসাস রিপোর্ট নিয়েই এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বই উত্তাল।

আওয়ামী লীগের উপকমিটির পদ হারালেন সেই হেলেনা জাহাঙ্গীর

0

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের উপকমিটির সদস্যপদ হারিয়েছেন ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীর। নামের সঙ্গে ‘লীগ’ যুক্ত করে গড়ে ওঠা আওয়ামী লীগের অননুমোদিত একটি সংগঠনের সভাপতি পদে নাম আসার পর তার বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নিয়েছে আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক উপকমিটি। এই উপকমিটিতেই সদস্য ছিলেন দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইর পরিচালক পদে থাকা হেলেনা জাহাঙ্গীর।
জয়যাত্রা গ্রুপের কর্ণধার হেলেনা জাহাঙ্গীর নিজেকে আইপি টিভি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি হিসেবেও পরিচয় দেন। সম্প্রতি ফেইসবুকে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ’ নামের একটি সংগঠনের সভাপতি হিসেবে হেলেনা জাহাঙ্গীরের নাম আসে।
সেই কারণেই তাকে উপকমিটির পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি।

তিনি বলেন, “সে (হেলেনা) কোথা থেকে কী করে, তার কোনো ঠিক নেই। “যখন আমরা তাকে নিয়েছিলাম, তখন তো এটা জেনেই নিয়েছিলাম যে আমাদের পরিবারের একজন সদস্য। এখন যদি সে নিজে নিজেই নেতা হয়ে যায়, তাহলে আমরা কী করব?”
“বুঝে না বুঝে যা ইচ্ছে তাই করছেন। আর এগুলো আমাদের না জানিয়ে করেছেন। আমি ইতিমধ্যে আমাদের দপ্তরে জানিয়েছি, তাকে অব্যাহতির চিঠি দিয়ে দেওয়ার জন্য। আমাদের উপকমিটিতে যেহেতু সে নিয়মনীতি ভঙ্গ করেছে, তার সদস্যপদ আমরা বাতিল করে দিয়েছি,” বলেন চুমকি।
উপকমিটিতে হেলেনার পদ পাওয়ার বিষয়ে চুমকি বলেন, “উনি তো কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সদস্য। আওয়ামী পরিবারের হিসেবেই আমি জানি। উনার জয়যাত্রা টেলিভিশন নামে একটা মিডিয়া আছে, যেটার সাথে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী মহোদয় আছেন। এই সুবাদেই উপকমিটিতে উনাকে আমরা রেখেছিলাম।”

কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ম রুহুল আমিন শনিবার বলেন, “আমরা তাকে অব্যাহতি দিয়ে দিয়েছি। গত মাসে ডাকযোগে চিঠি পাঠিয়েছি।”
কী কারণে অব্যাহতি দিয়েছেন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, “অভিযোগ অনেক আছে, সেটা আমরা বলতে চাই না। কেন্দ্র থেকে নির্দেশনা দিয়েছে, আমরা দপ্তর থেকে চিঠি পাঠিয়ে দিয়েছি।”
‘চাকরিজীবী লীগ’ নামে সংগঠনটির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, তারা দুই-তিন বছর ধরেই আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন হিসেবে অনুমোদন পাওয়ার চেষ্টা করছে। তবে আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, সংগঠনটির সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক নেই।
এ বিষয়ে হেলেনা জাহাঙ্গীর শনিবার বিকালে বলেন, “আমাকে উপকমিটি থেকে বাদ দেওয়ার কোনো চিঠি আমি পাইনি। দলীয়ভাবে কেউ কিছু বলেওনি।”
চাকরিজীবী লীগে সম্পৃক্ততা অস্বীকার না করে তিনি বলেন, “আমি চাকরিজীবী লীগের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলাম না। আমাকে এই কমিটিতে সভাপতি করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তাই অনেকেই ফেইসবুকে দিয়েছে। যেহেতু আমাকে সভাপতি বানানোর কথা ছিল, সেই হিসেবে কেউ হয়তবা দিয়েছেন।”

হেলেনা জাহাঙ্গীরের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার এবং জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত এইচ এম এরশাদের পুরনো দুটি ছবিও সম্প্রতি ফেইসবুকে ছড়িয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে এক ফেইসবুক পোস্টে জবাবও দিয়েছেন হেলেনা জাহাঙ্গীর।
তিনি লিখেছেন, “খালেদা জিয়া ও অন্যান্যদের সাথে যে ছবিগুলা ভাইরাল হচ্ছে সেটা বিয়েতে এসেছিল তখন তোলা ছবি এবং এই ছবি গুলা আমি নিজেই ফেইসবুকে দিয়েছিলাম।
“আমি একজন প্রকৃত ১০০% ব্যবসায়ী ও সরকারের একজন কমার্শিয়ালি ইমপোর্টেন্ট পার্সন CIP…সেখান থেকে রাজনীতিতে এসেছি। বঙ্গবন্ধুর সৈনিক ছোটবেলা থেকেই। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই আমাদেরকে বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানে যেতে হয় একটা ছবি মানুষের রাজনৈতিক পরিচয় বহন করে না।”

ভগবানকে নিয়ে ফেইসবুকে কটুক্তি করার অভিযোগে, ঢাবি শিক্ষক কার্জনের বিরুদ্ধে থানায় জিডি

1

‘ভগবান’কে নিয়ে ফেইসবুকে কটুক্তি করার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জনের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করা হয়েছে। শনিবার (২৪ জুলাই) বাংলাদেশ হিন্দু যুব পরিষদ এর সাধারণ সম্পাদক অমিত ভৌমিক শাহবাগ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। একই সঙ্গে হাফিজুর রহমান কার্জনকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কার করার জন্য উপচার্যের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন একজন আইনজীবী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন শুক্রবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে তার ব্যক্তিগত আইডিতে ‘ভগবান’কে নিয়ে কটুক্তিমূলক লেখা পোস্ট করেন। সেই পোস্টটি মূহুর্তের মধ্যে ভাইরাল হলে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এর প্রতিবাদ করেন।
বাংলাদেশ হিন্দু যুব পরিষদ এর সাধারণ সম্পাদক অমিত ভৌমিক বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট, ধর্মীয় উগ্রবাদ সৃষ্টি, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য পোস্টটি করেছেন।তিনি পোস্টটি করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনূভুতিতে আঘাত করেছেন। তাই আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

এদিকে হাফিজুর রহমান কার্জনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন সুমন কুমার রায় নামের একজন আইনজীবী। আবেদনে বলেন মি.কার্জনের এমন মন্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। এদিকে নিজের পোস্টে বিপরীত প্রতিক্রিয়া এবং প্রতিবাদ পেয়ে নিজের ফেইসবুক আইডি থেকে পোস্টটি সড়িয়ে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন বলেন, “আমি প্রত্যেকটি ধর্মের ব্যাপারে শ্রদ্ধাশীল এবং মনে করি যে কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা উচিত নয়। তবুও অসচেতনভাবে বা অনিচ্ছাকৃতভাবে যদি আমার পোস্টের মাধ্যমে কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে থাকি সেজন্য আমি ক্ষাপ্রার্থী।”
এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ওসি জানান, একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রোববার থেকে হাইকোর্টে ৩টি বেঞ্চে সীমিত পরিসরে বিচারিক কার্যক্রম চলবে,নিম্ন আদালতের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয় নি

0

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে কঠোরতম বিধিনিষেধকালে হাইকোর্টে বিচারিক কার্যক্রম ভার্চুয়ালি সীমিত পরিসরে ৫ আগস্ট পর্যন্ত পরিচালিত হবে। শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্টের ফুল কোর্ট সভায় সর্বসম্মতিতে এ সিদ্ধান্ত হয়। সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিদের অংশগ্রহণে ওই সভা হয়।
তবে নিম্ন আদালতের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয় নি। আইনজীবীরা বলছেন,ভার্চুয়াল বিচারকাজ চালানো হলে হাইকোর্টের সব বেঞ্চেই চালু করা সম্ভব। একইসঙ্গে নিম্ন আদালতেও ভার্চুয়ালি বিচারকার্যক্রম চালু রাখা দরকার। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধু আদালতের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত প্রয়োজনীয়সংখ্যক কর্মচারীদেরও আদালতে আনা যেতে পারে।
আদালতে বিচার কার্যক্রম বন্ধ থাকায় একদিকে যেমন মামলা জটের সৃষ্টি হচ্ছে অপর দিকে আইনজীবীরাও আর্থিক অনটনে পড়েছেন। বিচার প্রার্থীরাও পড়েছেন দুর্ভোগে।
শু্ক্রবার ফুলকোর্ট সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৫ আগষ্ট পর্যন্ত হাইকোর্ট বিভাগের পৃথক তিনটি একক বেঞ্চে বিচারকাজ পরিচালিত হবে। রিট ও দেওয়ানি, ফৌজদারি এবং কোম্পানি ও অ্যাডমিরালটি–সংক্রান্ত একটি করে তিনটি বেঞ্চে তিনজন বিচারপতি তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চ্যুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে অতি জরুরি বিষয়ে শুনানি গ্রহণ ও অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেবেন। সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মোহাম্মদ সাইফুর রহমান শুক্রবার রাতে এসব তথ্য জানিয়েছেন। সভায় সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে করোনাভাইরাসের টিকা গ্রহণ শেষ করতে হবে বলে সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়। এ ছাড়া আগামী ৫ আগস্ট অনুষ্ঠেয় ফুল কোর্ট সভায় পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
পবিত্র ঈদুল আজহার কারণে ১৫ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়। পরে ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ‘কঠোরতম বিধিনিষেধ’ আরোপ করা হয়।

রাজধানীতে গাঁজার চাহিদা বেড়েছে, দু’দিনেই দেড়শ কেজি উদ্ধার, আসছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্ত হয়ে

0

লকডাউনে রাজধানীতে গাঁজার চাহিদা ব্যাপক হারে বেড়েছে। মাত্র দুদিনেই রমনা, মহাখালি ও মিরপুর এলাকা থেকে অন্তত দেড়শ কেজি গাঁজা পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে। বেশিরভাগ গাঁজা আসছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্ত এলাকা থেকে।
ডিএমপি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে রমনা পার্কের অরুনোদয় গেটের সামনে থেকে ৫০ কেজি গাঁজাসহ দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।

তারা বিশেষ কায়দায় পিকআপ ভ্যানে করে এ গাঁজা পরিবহন করছিল। গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার দেবাশীষ কর্মকার জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বেলা তিনটার দিকে কাঙ্খিত নীল রঙের পিকআপ ভ্যানটি রমনা পার্কের সামনে আসলে ডিবি পুলিশের মাইক্রোবাস দিয়ে ব্যারিকেড দেয়া হয়। তখন পিকআপ ভ্যান রেখে পালানোর চেষ্টা করলে আজগর ও মনির নামে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তারা গাঁজা রাখার কথা স্বীকার করে এবং পিকআপ ভ্যানের পাটাতনের নিচ থেকে একে একে বের করে ২৫টি গাঁজার প্যাকেট। যার ওজন ৫০ কেজি। গ্রেফতারকৃতরা জানায় ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে এসব গাঁজা নিয়ে আসা হয়। এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর টেকনিক্যাল এলাকা থেকে ৪০ কেজি গাঁজাসহ একজনকে গ্রেফতার করে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতের নাম মোঃ সেলিম, তার বাড়ি চাঁদপুর। মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাজিরুর রহমান জানান, মিরপুরের টেকনিক্যাল যাত্রী ছাউনি থেকে সেলিমকে ৪০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করা হয়। সেলিম দুটি চটের বস্তা নিয়ে টেকনিক্যাল যাত্রী ছাউনিতে অপেক্ষা করছিল। একটি বস্তা থেকে ২২ কেজি ও আরেকটি বস্তা থেকে ১৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে সে এই গাঁজা কুমিল্লা থেকে নিয়ে আসে। এর আগে সোমবার রাজধানীর মহাখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬০ কেজি গাঁজাসহ একজনকে গ্রেফতার করে ডিএমপির গোয়েন্দা গুলশান ইউনিট। গ্রেফতারকৃতের নাম- মোঃ নিজাম উদ্দিন (৩৫)। এসময় তার কাছ থেকে গাঁজা বহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়। গোয়েন্দা পুলিশ জানায় সোমবার সন্ধ্যায় বনানী থানার মহাখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত নিজাম জানিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে গাঁজা সংগ্রহ করে ঢাকা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করতো।

আফগানিস্তানের কান্দাহারে শতাধিক মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে তালেবানরা

0

আফগানিস্তানের কান্দাহারের স্পিন বোলদাকে তালেবানরা শতাধিক মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে আফগান প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
এই প্রসঙ্গে আফগানিস্তানের অন্তর্দেশীয় দপ্তরের মুখপাত্র মিরওয়াইস স্নেনেকজা বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদীরা স্পিন বোলদাকের নির্দিষ্ট কয়েকটি অঞ্চলের নিরীহ আফগানদের বাড়িঘর আক্রমণ করে এবং বাড়িঘর লুট করে ১০০ জন নিরীহ মানুষকে খুন করে। এদের আসল চেহারা উন্মোচন হল।’ জানা যায়, কান্দাহার প্রদেশ কাউন্সিলের এক সদস্যের দুই ছেলেকেও খুন করা হয়েছে। যদিও এই ঘটনার দায় অস্বীকার করেছে তালেবানরা। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে আফগানিস্তানের কান্দাহার শহরে দখল নেয় তালেবানরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, ওই শহরে লুটপাট চালাচ্ছে তালেবান জঙ্গিরা। ঘরবাড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। এমনকী সরকারি দপ্তরগুলোও হামলা চালিয়ে ভেঙে ফেলা হচ্ছে। আফগানিস্তানের নিরাপত্তা এজেন্সির তরফে জানানো হয়েছে, এখনও অনেক দেহ মাটিতে পড়ে রয়েছে।
এদিকে, সম্প্রতি আফগানিস্তান থেকে বেশিরভাগ সেনা সরিয়ে নিয়েছে আমেরিকা। তবে তাতেও যে সহজে তালেবানদের রেহাই দেবে না তার স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলল সেনার এক মুখপাত্রের কথায়। তালেবানের বিরুদ্ধে আফগান বাহিনীকে সাহায্য করতে ইতিমধ্যেই বিমানহানা শুরু করেছে আমেরিকা। গত কয়েক দিন ধরেই আফগানিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় বিমান হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। তবে কোথায় কোথায় এবং কী রণকৌশলে এই হামলা চালানো হয়েছে তা নিয়ে স্পষ্ট কোনও উত্তর দেয়নি পেন্টাগন। পেন্টাগনের প্রেস সেক্রেটারি জন কিরবি বলেন, “পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য দিতে চাই না। তবে এটা বলতে পারি যে গত কয়েক দিনে আফগানিস্তানের বেশ কয়েকটি জায়গায় বিমানহানা চালানো হয়েছে। আফগান বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য এই হামলা জারি রাখা হবে।” আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা সেনা তুলে নিতেই গোটা দেশ জুড়ে ফের তাণ্ডব চালাতে শুরু করেছে তালেবান জঙ্গিরা। আফগানিস্তানের ৮৫ শতাংশই তালেবানের দখলে চলে গিয়েছে। দেশের ৪০০টি জেলাকে ইতিমধ্যেই কব্জা করে ফেলেছে জঙ্গিরা। আমেরিকা সেনা তুলে নেওয়ায় কঠোর চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে আফগান বাহিনীকে। তালেবানের হাত থেকে এলাকা উদ্ধারের চেষ্টায় লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে তারা।

পাকিস্তানে নিরাপত্তাহীনতায় চীনা বিনিয়োগ; একে ৪৭ রাইফেলের ছবি ভাইরাল, নিরাপত্তা রক্ষায় চীনের ব্যয় বাড়ছে

0

পাকিস্তানে এক বাস বিস্ফোরণে নয়জন চীনা কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় দেশটিতে চীনের প্রকল্পগুলোর নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ব্যবসায়িক বিনিয়োগের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মীদের নিরাপত্তা রক্ষায় চীনকে ব্যয় করতে হবে বলে বলা হচ্ছে।
জানা গেছে , বাসটি পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলের দাসু জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে চীনা প্রকৌশলীদের নিয়ে যাওয়ার পথে বিস্ফোরিত হয়। এসময় ১৩জন ব্যাক্তি নিহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে এ দুর্ঘটনার কারণ জানাতে পাকিস্তান ও চীনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত বিবৃতিটি ছিলো পরস্পরবিরোধি।
ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে বলা হয় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গ্যাস লিক হয়ে এ বিস্ফোরণ হয়। অন্যদিকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয় দাবি করে এটি ‘বোমা হামলা’ এবং বিষয়টি নিয়ে তারা ‘দুঃখ ও নিন্দা’ প্রকাশ করে। তারা পাকিস্তানের কাছে কঠোর শাস্তি দাবি করেছে। ঘটনাটি নিয়ে দুপক্ষের এই অসামঞ্জস্য বিবৃতি নিয়ে গণমাধ্যমগুলোয় ক্ষোভে ফেটে পড়ে চীনা নাগরিকরা। পাকিস্তান সত্য গোপন করছে বলে অনেকে অভিযোগ করে।

এদিকে পাকিস্তানের মাটিতে চীনা কর্মীদের কাধে এ কে ৪৭ রাইফেল নিয়ে কাজ করার একটি ছবি নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। ইন্ডিয়া টুডেতে প্রকাশিত দেখা যাচ্ছে হাতে একে ৪৭ রাইফেল নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে পাকিস্তানে কর্মরত চিনারা। মনে করা হচ্ছে আত্মরক্ষার স্বার্থেই তারা এই কাজ করছে। পাকিস্তানের সিপিইসি প্রজেক্টে কাজ করছেন বহু চিনের নাগরিক।
এদিকে বাসে বোমা হামলার প্রাথমিক অনুসন্ধানে ‘বিস্ফোরকের চিহ্ন’ পাওয়ার পর পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী টুইটারে বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদের বিষয়টিকে উড়িয়ে দেয়া যায় না।’ পরবর্তী পর্যায়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে ফোনালাপে চীনা প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং এই বিস্ফোরণকে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ বলে উল্লেখ করেন।
চীনের জননিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী ঝাও কেঝি জানিয়েছেন ঘটনাটি তদন্তে সহায়তা করতে পাকিস্তানে গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞদের একটি দল পাঠিয়েছে তারা। কিন্তু এ পদক্ষেপই কি যথেষ্ট?
বেইজিংয়ের অর্থনৈতিক পদচারণা যেমন বাড়ছে তেমনি নিরাপত্তা ঝুঁকি কমাতে তাদের করনীয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা আরএএনডি করপোরেশনের প্রকাশিত তথ্যানুযায়ি, বিভিন্ন দেশে চীনের ৩০ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়া প্রতিবছর ১০ কোটির বেশি চীনা নাগরিক অন্যদেশে ভ্রমন করছে। এইসব নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষার জন্য চীন কি কোনদিন নিজেদের সামরিক সম্পদ মোতায়েনে বাধ্য হবে?

বিগত কয়েকবছর ধরে বিদেশে চীনা নাগরিকদের ওপর ভয়াবহ হামলাগুলোর অন্যতম এই বাস বিস্ফোরণ। একদিকে দেশের অভ্যন্তরে জাতীয়তাবাদের উত্থান এবং দেশের বাইরে ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মুহুর্তে বেইজিংকে এখন দেখাতে হবে তারা নিজেদের নাগরিকদের রক্ষার বিষয়টিতে কতোটা গুরুত্ব দিচ্ছে।
এছাড়া পাকিস্তানের বাস বিস্ফোরণের ঘটনাটি মধ্য এশিয়ায় চীনের প্রকল্পগুলো কতোটা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে তা বুঝিয়ে দিচ্ছে। দেখা গিয়েছে বিগত বছরগুলোয় বেইজিংয়ের উচ্চাবিলাসি বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্প এবং অবকাঠামো স্কিমের একাধিক প্রকল্পে বোমা হামলা হয়েছে।
এরমধ্যে সবচেয়ে বড় হুমকিতে রয়েছে চায়না-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর (সিপিইসি)। এই ৬০ বিলিয়ন ডলারের বেল্ট অ্যান্ড রোড ফ্লাগশিপ প্রকল্পটি চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় শিনজিয়াং অঞ্চলের সঙ্গে আরব সাগরে পাকিস্তানের কৌশলগত গাদোয়ার বন্দরকে সড়ক,রেলপথ,পাইপলাইন ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো বিশাল প্রকল্পের মাধ্যমে সংযুক্ত করবে। অবশ্য দাসু জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি সিপিইসির আওতায় জ্বালানী প্রকল্পগুলোয় অন্তর্ভূক্ত নয়। তবে পাকিস্তানের দূর্ঘটনাটি সিপিইসি প্রকল্পে কর্মরত হাজার হাজার চীনা শ্রমিকদের আতঙ্কের মধ্যে রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে চীনের তহবিলে পরিচালিত প্রকল্পগুলো ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। এসব উন্নয়ন কর্মসূচিতে তারা খুব বেশি উপকৃত হচ্ছে না বলে দাবি করছে। বিশেষ করে বেলুচিস্তানে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মধ্যে চীন বিরোধি মনোভাব ক্রমে ঘনীভূত হচ্ছে। ২০১৮ সালের নভেম্বরে করাচিতে চীনা কনস্যুলেটে হামলার দায় স্বীকার করে বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। এর ছয় মাস পরেই গাদোয়ারে একটি বিলাসবহুল হোটেলে হামলা করা হয়। এই হোটেলটি গাদোয়ার বন্দরে কর্মরত চীনা কর্মীরা ব্যবহার করতেন।
প্রতিবেশি আফগানিস্তানে সহিংসতা ছড়িয়ে দেয়ার জন্য পাকিস্তান নিজেদের জড়িত করার কারণে আসন্ন মাসগুলোয় দেশটিতে নিরাপত্তা পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ মার্কিন সেনা প্রত্যাহারকে সামনে রেখে আফগানিস্তানের একটি বড় অংশ তালেবানরা এরইমধ্যে দখল করে নিচ্ছে।
বিভিন্ন প্রকল্প ও সেখানে কর্মরত চীনা নাগরিকদের এখন পর্যন্ত নিরাপত্তার জন্য বেইজিং মূলত পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর নির্ভরশীল। তবে ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ করা চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো সুরক্ষার জন্য ক্রমে চীনভিত্তিক বেসরকারি নিরাপত্তা কোম্পানির দিকে ঝুঁকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড ডিফেন্স স্টাডিজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কম্বোডিয়া ও মিয়ানমারে ৪৯ টি বিদেশি বেসরকারি নিরাপত্তা কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২৯টিই চীনভিত্তিক। ২০১৯ এবং ২০২০ সালে এই কোম্পানির সংখ্যা বেড়েছে। এসময়টিতে বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পের কাজও এগিয়েছে।