ঢাকা   , ,     

Home Blog Page 127

শেখ হাসিনার বহরে হামলা: দণ্ডিত ৭ জনকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন চেম্বার আদালতে স্থগিত

0

ঊনিশ বছর আগে সাতক্ষীরায় শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় বিচারিক আদালতে সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির সাত নেতাকর্মীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত হয়ে গেছে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতির আদালতে।
রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দকীর ভার্চুয়াল চেম্বার আদালত এ স্থগিতাদেশ দিয়ে এ বিষয়ে রোববার আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন। অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত মঙ্গলবার হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এক আদেশে আসামি গোলাস রসুল, আব্দুস সামাদ, আব্দুস সাত্তার, জহিরুল ইসলাম, রাকিব, শাহাবুদ্দিন ও মনিরুল ইসলামকে জামিনের আদেশ দেয়।
ঊনিশ বছর আগে ২০০২ সালে সাতক্ষীরায় তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নিম্ন আদালতে সাজাপ্রাপ্ত ১৮ আসামির মধ্যে ৭ জনকে জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে চার মাসের জন্য জামিন পেয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার, গোলাস রসুল, আব্দুস সামাদ, আব্দুস সাত্তার, রাকিব, শাহাবুদ্দিন ও মনিরুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (২৫ মে) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। একইসঙ্গে মামলার অন্য ১১ আসামির জামিনের আদেশের জন্য আগামী রবিবার (৩০ মে) দিন ধার্য করেন।
যশোর-সাতক্ষীরা সড়কে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। ওই দিনই কলারোয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোসলেম উদ্দিন বাদী হয়ে মামলা করেন। এ মামলায় তদন্ত শেষে হাবিবুল ইসলামসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।
আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশে এই হামলা হয়েছে। এরপর মামলার আসামি রাকিবের আবেদনে ২০১৭ সালের ২৩ আগস্ট হাইকোর্ট মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। একইসঙ্গে রাকিবের ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়। পরে রাকিবকে জামিন দেওয়া হয়।
এদিকে রাকিবের জামিন আবেদনের মাধ্যমে হাইকোর্টকে জানানো হয়েছিল, ২০০২ সালে ঘটনার সময় তার বয়স ছিল ১০ বছর। সুতরাং তার বিচার হতে হলে শিশু আইনে হবে।পরে ২০২০ সালের ৮ অক্টোবর রাকিবের মামলার বিষয়ে জারি করা রুল খারিজ করে রায় দেন হাইকোর্ট। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে রাকিবুল।
রাকিবুলের আবেদনে আপিল বিভাগ তিন মাসের মধ্যে নিম্ন আদালতকে মামলাটির বিচার সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন। এরপর বিচার শেষে সাতক্ষীরার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গত ৪ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় সব আসামিকে সাজা দিয়ে রায় দেন।
রায়ে হাবিবুল ইসলামকে কয়েকটি ধারায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। এছাড়া সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তারসহ অপরাপর আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়।
পরে মামলা থেকে খালাস চেয় আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করে এবং জামিন চেয়ে আবেদন জানান।

কথিত শিশুবক্তা রফিকুল আরও ৩ দিনের রিমান্ডে

0

ধর্ম নিয়ে বিভ্রান্তি ও উগ্রবাদ ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার কথিত শিশুবক্তা মাওলানা রফিকুল ইসলামকে আরও ৩ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। রাজধানীর পল্টন থানার নাশকতার মামলায় বৃহস্পতিবার তাকে রিমান্ডে পাঠানো হয়। পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর ভার্চুয়াল আদালত তার এ রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর করেন।
এদিন ভার্চুয়ালি মাধ্যমে কারাগার থেকে রফিকুলকে আদালতে হাজির দেখানো হয়। এরপর পল্টন থানার মামলায় (মামলা নম্বর : ৬০(৩)২১) তাকে গ্রেফতার দেখানোপূর্বক ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করে শুনানি শেষে ৩ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।
উল্লেখ্য, গত ৮ই এপ্রিল নেত্রকোনার নিজ বাড়ি থেকে আটকের পর গাছা থানায় তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে র‌্যাব। এ সময় তার কাছ থেকে ৪টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এরপর থেকে তিনি কাশিমপুর কারাগারে আছেন। তার বিরুদ্ধে একই আইনে গাজীপুরের বাসন থানায় আরেকটি মামলা হয়েছে।

বাংলাদেশে অনুমোদন পেল ফাইজারের টিকা

0

যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি ফাইজার ও জার্মান জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি বায়োএনটেকের তৈরি করা করোনারভাইরাসের টিকা বাংলাদেশে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ নিয়ে বাংলাদেশ করোনাভাইরাসের মোট চারটি টিকা অনুমোদন পেল।
এর আগে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড, রাশিয়ার তৈরি স্পুৎনিক-ভি এবং চীনের সিনোফার্মের তৈরি টিকার অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
এর মধ্যে সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে কেনা কোভিশিল্ড দিয়েই গত ফেব্রুয়ারির শুরুতে দেশে গণটিকাদান শুরু করেছিল সরকার। চীনের সিনোফার্মের কাছ থেকে টিকা কেনার প্রস্তাবও মঙ্গলবার সরকারের অনুমোদন পেয়েছে। উপহার হিসেবে চীনের কাছ থেকে পাওয়া এ টিকা দেশে প্রয়োগও শুরু হয়েছে।
রাশিয়ার কাছ থেকে স্পুৎনিক-ভি কেনার জন্য সরকারি পর্যায়ে আলোচনা চলছে। আর ফাইজার-বায়োএনটেকের তৈরি এক লাখ ৬২০ ডোজ টিকা বাংলাদেশ পাচ্ছে টিকার আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্স থেকে।
ফাইজারের টিকার ওই চালান আগামী ২ জুন দেশে এসে পৌঁছাবে বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ইতোমধ্যে জানিয়েছেন।
গত বছরের ২ ডিসেম্বর বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে যুক্তরাজ্য ফাইজারের টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমতি দেয়। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে এখন এ টিকা প্রয়োগ করা হচ্ছে।
গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও তাদের জরুরি ব্যবহার্য টিকার তালিকায় ফাইজারের ভ্যাকসিনকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড বা সিনোফার্মের তৈরি টিকার মতই ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকাও নিতে হবে দুই ডোজ করে। প্রথম ডোজ দেওয়ার ৩ থেকে ৪ সপ্তাহ পর দিতে হবে দ্বিতীয় ডোজ।
১২ বছর বা তার বেশি বয়সীদের ওপর ফাইজারের টিকা প্রয়োগ করা যাবে। চূড়ান্ত ধাপের ট্রায়ালে এ টিকা ৯৫ শতাংশ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে বলে উৎপাদকদের ভাষ্য।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমানের স্বাক্ষরে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফাইজারের টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদনের জন্য গত ২৪ মে আবেদন করেছিল স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর টিকার ডোশিয়ের মূল্যায়ন শেষে ২৫ মে কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য পাবলিক হেলথ ইমার্জেন্সির ক্ষেত্রে ঔষধ, ইনভেস্টিগেশনাল ড্রাগ, ভ্যাকসিন এবং মেডিকেল ডিভাইস মূল্যায়নের জন্য গঠিত কমিটির কাছে উপস্থাপন করে।
ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার ফাইজারের কোভিড-১৯ এমআরএনএ ভ্যাকসিন জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
পরীক্ষামূলক প্রয়োগে তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকারিতা দেখালেও ফাইজারের টিকা সংরক্ষণ ও সরবরাহের কাজটি কোভিশিল্ডের মত সহজ নয়।
কোভিশিল্ড যেখানে সাধারণ রেফ্রিজারেটরে ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা সম্ভব, সেখানে ফাইজারের টিকা মাইনাস ৯০ ডিগ্রি থেকে মাইনাস ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সংরক্ষণ করতে হবে।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ টিকা ২ ডিগ্রি থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ৫ দিন রাখা যাবে। আর রেফ্রিজারেটরের বাইরে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এ টিকা দুই ঘণ্টা ভালো থাকবে।
বাংলাদেশে এই টিকা দেওয়া হবে সরকারের করোনাভাইরাসের টিকা প্রয়োগ পরিকল্পনা অনুযায়ী। সরকারের ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে এখন চল্লিশ বা কার বেশি বয়সীরা করোনাভাইরাসের টিকা পাচ্ছেন। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

অনলাইন হচ্ছে ভূমি নিবন্ধন ব্যবস্থাপনা

0

নিবন্ধন অধিদপ্তরের অধীন সাব-রেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে কাগজের ভলিউমে দলিল রেজিস্ট্রির পরিবর্তে অনলাইনে দলিল রেজিস্ট্রি ও রেকর্ড সংরক্ষণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।
এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এমপির নির্দেশনায় “ভূমি নিবন্ধন ব্যবস্থাপনা ডিজিটাইজেশনে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রকল্প” শিরোনামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে ।প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ ৩২ হাজার টাকা।
প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে সারা দেশের ১৭টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজ চলবে।
এ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বৃহস্পতিবার (২৭ মে) বিকেলে রাজধানীর নিবন্ধন অধিদপ্তরে এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এতে নিবন্ধন অধিদপ্তরের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির মহা-পরিদর্শক ও প্রকল্প পরিচালক শহীদুল আলম ঝিনুক এবং প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান লজিকফোরাম লিমিটের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক লে. কর্নেল মোহাম্মদ তারিকুল হক (অব.) চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার ও যুগ্ম সচিব এ এইচ এম হাবিবুর রহমানসহ নিবন্ধন অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে দলিল রেজিস্ট্রির পরিবর্তে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন বা ই-রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি প্রচলনের উপযোগিতা যাচাইকরণ, ভূমি নিবন্ধন ব্যবস্থা ডিজিটাইজেশনের জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়ারের প্রকৃতি যাচাইকরণ, ভূমি নিবন্ধন ব্যবস্থা ডিজিটাইজেশনের সফটওয়ার ব্যবহারের জন্য হার্ডওয়ারের প্রকৃতি যাচাই ও পরিমাণ নির্ধারণ করা, হাতে লেখা এলটি নোটিশ এর পরিবর্তে ই-এলটি নোটিশ জারীর পরীক্ষামূলক সফটওয়ার উন্নয়ন, হাতে লেখা বালাম বইর পরিবর্তে ডিজিটাল বালাম প্রচলনের সম্ভাব্যতা যাচাইকরণ, ডিজিটাল সূচিকরণ বা ই-ইন্ডেক্সিং পরীক্ষামূলক চালুকরণ ও বিদ্যমান ম্যানুয়াল দলিলসমূহ ডিজিটাল করার সম্ভাব্য ব্যয় নির্ধারণ করা।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক মনে করেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে জমির মালিকানা, খতিয়ান, জাতীয় পরিচয়পত্র ইত্যাদি অনলাইনে অটোমেটিক যাচাই হবে এবং বায়োমেট্রিক টীপ গ্রহণ করে দলিল অনলাইনে রেজিস্ট্রি ও রেকর্ড সংরক্ষণ করা যাবে। ফলে সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ে শৃঙ্খলা আসবে ও জাল জালিয়াতি প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। এতে রেজিস্ট্রি সেবা গ্রহণে মানুষের হয়রানী, সময় ও খরচ এবং আদালতে জমি-জমা সংক্রান্ত মামলা-মোকদ্দমা কমে যাবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

রাজধানীতে ১০ হাজার পিস ইয়াবা ও ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার

0

রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকা থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবা এবং তুরাগ এলাকা থেকে ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ডিএমপির মুখপাত্র জানান গোপনসূত্রে খবর পেয়ে গোয়েন্দা পুলিশ বুধবার বেলা পৌনে তিনটার দিকে নিউইস্কাটন এলাকায় অভিযান চালিয়ে রুহুল আমিন (৩১)কে আটক করে।

এ সময় তার হেফাজত থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এসব ইয়াবা মিয়ানমার থেকে কক্সবাজার হয়ে ঢাকায় পৌঁছে। একই দিন তুরাগ থানার পুলিশ খালপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম- মোঃ নয়ন সিকদার (৩১)। এ সময় তার হেফাজত হতে ছয় কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।

এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল বাতিল চেয়ে করা রিট খারিজ,বিষয়টি দেখবে স্বাস্থ্য অধিদফতর

0

২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ত্রুটিপূর্ণ ফলাফল বাতিল করে নতুন মেধা তালিকা প্রণয়ন করে মেডিক্যাল কলেজগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিট আবেদনটি পর্যবেক্ষণসহ খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত তার পর্যবেক্ষণে বলেছেন, রিটকারীরা চাইলে এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের কাছে আবেদন জানাতে পারেন। আর তারা আবেদন জানালে স্বাস্থ্য অধিদফতর যেন আবেদনের বিষয়টি সাত দিনের মধ্যে সুরাহা করে।
বৃহস্পতিবার (২৭ মে) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব।
এর আগে, গত ১৯ মে ফেরদাউস জাহান মারিয়াসহ ৩২৪ পরীক্ষার্থীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব এ রিট দায়ের করেছিলেন। রিট আবেদনে, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ও পরিচালক এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালককে বিবাদী করা হয়েছিলো।
রিট আবেদনে বলা হয়, গত ৪ এপ্রিল প্রকাশিত ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা ফলাফলে অসংখ্য ভুল এবং বড় ধরনের অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের গত ৭ ফেব্রুয়ারি প্রচারিত ভর্তি পরীক্ষার নিয়ম অনুযায়ী একজন পরীক্ষার্থী কোনও মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি থাকা অবস্থায় যদি দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন, তবে তার মোট প্রাপ্ত নম্বর থেকে ৭.৫ নম্বর কাটার কথা রয়েছে। আবার কোনও পরীক্ষার্থী যদি গত বছর এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করে থাকেন, তাহলে তার ৫ নম্বর কাটা যাবে।
কিন্তু প্রকাশিত ফলাফল থেকে দেখা যায় অনেক পরীক্ষার্থীর ক্ষেত্রেই এই নিয়মটি পালন করা হয়নি। যেসব পরীক্ষার্থীদের ৭.৫ নম্বর কাটার কথা সেখানে মাত্র ৫ নম্বর বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে ওইসব ভর্তি পরীক্ষার্থীদের ২.৫ নম্বর বেশি দিয়ে মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। আবার প্রথমবার পরীক্ষায় যেখানে কোনও নম্বর কাটবার কথা নয়, সেখানে অনেক পরীক্ষার্থীর ৫ নম্বর কেটে মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে।
এছাড়া ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত পাঠ্যপুস্তক অনুযায়ী অন্তত দুটি নৈর্ব্যত্তিক প্রশ্নের সঠিক উত্তর ছিল দুটি করে। সেইসঙ্গে অন্তত তিনটি নৈর্ব্যত্তিক প্রশ্নের কোনও সঠিক উত্তর ছিল না। সংরক্ষিত জেলা ও উপজাতি কোটার আসন পূরণেও ব্যাপক অসঙ্গতি দেখা গেছে। ঢাকা জেলা কোটা আবেদনকারী পরীক্ষার্থীকে দেখানো হয়েছে মেহেরপুর জেলার পরীক্ষার্থী হিসেবে। উপজাতি কোটায় সংরক্ষিত আসনে অসংখ্য সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীকে নির্বাচিত করা হয়েছে।
এসব ত্রুটি ও অসঙ্গতি রেখে মেধা তালিকা প্রণয়ন করার ফলে হাজারো যোগ্য ও মেধাবী পরীক্ষার্থী মেডিক্যাল কলেজগুলোতে ভর্তি হওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়ার মুখে পড়েছেন। এসব কারণে প্রকাশিত ফলাফল বাতিল করে এবং এসব ত্রুটি ও অসঙ্গতি সংশোধন করে নতুন মেধা তালিকা প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হলেও দৃশ্যমান কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। বরং ত্রুটিপূর্ণ মেধাতালিকার ভিত্তিতেই মেডিক্যাল কলেজগুলোতে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ২২ মে থেকে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতর ভর্তি কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে।

রিট আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ত্রুটিপূর্ণ মেধা তালিকার ভিত্তিতে মেডিক্যাল কলেজগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর অর্থই হলো প্রকৃত মেধাবী শিক্ষার্থীকে বঞ্চিত করা। তাদের আজীবন লালিত আকাঙ্ক্ষা চিকিৎসাকে পেশা হিসাবে গ্রহণ করা থেকে বঞ্চিত করা। সেইসঙ্গে দেশের সামগ্রিক জনগোষ্ঠীকে স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেওয়া, যা বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭, ৩১, ৩২ ও ৪০ এর পরিপন্থী।
প্রসঙ্গত, এর আগে এক আইনি নোটিশে তিন দিনের মধ্যে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতর কর্তৃক ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ত্রুটিপূর্ণ মেধা তালিকার ভিত্তিতে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত করা এবং ত্রুটিপূর্ণ মেধা তালিকা বাতিল করে ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণ করে নতুন মেধা তালিকা প্রণয়ন করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু সে নোটিশের জবাব না পাওয়ায় রিট দায়ের করা হয়

চুয়ান্ন বছর বয়েসি মসজিদের ইমামের পরকিয়া, প্রেমিকার স্বামীকে গলাকেটে হত্যা করে লাশ রাখেন সেপটিং ট্যাংকে

0

চুয়ান্ন বছর বয়েসি মসজিদের ইমাম পঁচিশ বছর বয়েসী এক নারীর সঙ্গে পরকিয়ায় জড়িয়ে পথের কাঁটা সরাতে ওই নারীর স্বামীকে ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন। শুধু হত্যাই নয়, ওই ব্যক্তির লাশ কেটে টুকরো টুকরো করে মসজিদের সেপটিক টেংকির ভেতরে ঢুকিয়ে রাখা হয়।পঁচা লাশের গন্ধে আশপাশের লোকজন র‍্যাবকে খবর দিলে জানাজানি হয় বিষয়টি। ভয়ঙ্কর এই খুনের ঘটনা ঘটেছে রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকায়।

বুধবার এক প্রেস ব্রিফিংএ র‍্যাব জানায়, রাজধানীর দক্ষিণখান জামে মসজিদের পাশেই পোশাকশ্রমিক আজহারুলের ইসলামের ভাড়া বাসা। মসজিদটির ইমাম আবদুর রহমান আজহারুল ও তাঁর ছেলেকে তাঁদের বাসায় গিয়ে আরবি পড়াতেন। গত ফেব্রুয়ারিতে রহমানের সঙ্গে আজহারুলের স্ত্রী আসমা বেগমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সন্দেহ হলে রহমানকে বাসায় আসতে নিষেধ করেন আজহারুল। এ নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে আজহারুলের দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। এরপর আজহারুলকে সরিয়ে দিতে ঈদুল ফিতরের সাত দিন আগে রহমানের সঙ্গে আসমা হত্যা পরিকল্পনা করেন। এরই অংশ হিসেবে আজহারুল ও ছেলেকে নিয়ে আসমা টাঙ্গাইলে গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে যান। মা–ছেলে থেকে গেলেও ২০ মে আজহারুল ঢাকায় ফিরে কাজে যোগ দেন। সেখান থেকে ফিরলে ওই দিন এশার নামাজের পর রহমান মসজিদের দোতলায় তাঁর ঘরে আজহারুলকে ডেকে নেন। এসময় তাদের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। হাতাহাতিরও ঘটনা ঘটে। তখন ক্ষিপ্ত হয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে কোরবানির গরু জবাইয়ের ছুরি দিয়ে আজহারের গলায় আঘাত করেন ইমাম মাওলানা আব্দুর রহমান। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর আজহারের মরদেহ ছয় টুকরা করে তাঁর দুই হাত, পা ও মাথা বিচ্ছিন্ন করে মসজিদের সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে ফেলে দেন। ট্যাংকের ঢাকনার ওপর সিমেন্টের বস্তা দিয়ে ঢেকে রাখেন। মঙ্গলবার আসমা ও মাওলানা রহমান জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য দিয়েছেন বলে র‍্যাব জানায়।
র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, গত সোমবার রাতে কয়েকজন মুসল্লি দক্ষিণখানের ওই মসজিদের দোতলায় ওঠার সিঁড়িতে রক্তের দাগ দেখতে পেয়ে র‍্যাব-১–কে জানান। পরে র‍্যাব সদস্যরা সেখানে গিয়ে মসজিদের পাশের বাড়ির বাসিন্দা আজহারুলের নিখোঁজ থাকার তথ্য জানতে পারেন। মসজিদ এলাকা থেকে তখন দুর্গন্ধও ছড়াচ্ছিল। এরপর রহমানকে আটক করা হয়। তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারিতে আসমার সঙ্গে রহমানের সম্পর্কের বিষয়টি আজহারুল জানার পর তাদের দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। রহমান একটি সিম কিনে দিয়ে আসমার সঙ্গে যোগাযোগ এবং বাসার বাইরে দেখা-সাক্ষাৎ করতে থাকেন। র‍্যাব জানায়, রহমান জিজ্ঞাসাবাদে এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনার কথা জানান। পরে রহমানকে সঙ্গে নিয়ে সেপটিক ট্যাংক থেকে আজহারুলের ছয় টুকরা লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে আসমা বেগমকে আটক করে র‍্যাব। হত্যায় ব্যবহৃত তিনটি ছুরিও উদ্ধার করে র‍্যাব। আটক দুজনকে দক্ষিণখান থানায় সোপর্দ করা হয়। ওই ঘটনায় আজহারুলের ছোট ভাই আবুল হাসান বাদী হয়ে আসমা ও রহমানকে আসামি করে দক্ষিণখান থানায় হত্যা মামলা করেন। দক্ষিণখান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজিজুল হক জানান, আসমা ও মাওলানা রহমানকে ১০ দিনের রিমান্ডে চেয়ে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে পাঠানো হয়। আদালত প্রত্যেকের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পল্লবীর সাহিনুদ্দিন হত্যা; রিমান্ড শেষে সাবেক সাংসদ আউয়াল কারাগারে

0

রাজধানীর পল্লবীর সাহিনুদ্দিন খান (৩৩) হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সাবেক সাংসদ ও তরীকত ফেডারেশনের সাবেক মহাসচিব এম এ আউয়ালকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত এই আদেশ দেন।
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, সাহিনুদ্দিন হত্যা মামলায় চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাবেক সাংসদ এম এ আউয়ালসহ তিনজনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে আউয়ালের পক্ষে তাঁর আইনজীবীরা আদালতে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আসামি নূর মোহাম্মাদ হাসান আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। অপর আসামি জহিরুল ইসলাম ওরফে বাবুকেও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। এর আগে ২৪ মে সুমন ব্যাপারী নামের আরেক আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
সাহিনুদ্দিন ১৬ মে বিকেলে সাত বছরের ছেলেকে নিয়ে মোটরসাইকেলে ঘুরতে বের হন। এ সময় পূর্বপরিচিত দুই ব্যক্তি মুঠোফোনে সাহিনুদ্দিনকে পল্লবীর ডি ব্লকে ডাকেন জমিজমা নিয়ে বিবাদ মীমাংসার জন্য। সাহিনুদ্দিন সেখানে গেলে ছেলের সামনেই তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, পল্লবীর ডি ব্লকের ৩১ নম্বর রোডে দুই তরুণ দুই পাশ থেকে সাহিনুদ্দিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাচ্ছেন। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপর হামলাকারীদের একজন চলে যান। অন্যজন ওই ব্যক্তির ঘাড়ে কোপাতে থাকেন মৃত্যু হওয়া পর্যন্ত। পরে পুলিশ ফুটেজ দেখে একজনকে মানিক ও অন্যজনকে মনির বলে শনাক্ত করে।
এ ঘটনায় সাহিনুদ্দিনের মা আকলিমা বেগম সাবেক সাংসদ আউয়ালসহ ২০ জনের নাম উল্লেখ করে পল্লবী থানায় হত্যা মামলা করেন। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে রূপনগর থানার ইস্টার্ন হাউজিংয়ে র‍্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মানিক নিহত হন। আর গত শনিবার দিবাগত রাত সোয়া দুইটার দিকে সাগুফতা হাউজিং এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের ‘গোলাগুলির’ সময় মনির নিহত হন।
পল্লবীর ১২ নম্বর সেকশনের বুড়িরটেকে (আলীনগর) সাহিনুদ্দিন ও তাঁদের স্বজনদের ১০ একর জমি রয়েছে। সাহিনের মা আকলিমা বেগমের অভিযোগ, তাঁদের জমি দখলে ব্যর্থ হয়ে আউয়াল ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে সাহিনুদ্দিনকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন। তিনি বলেন, গত বছরের নভেম্বরেও সন্ত্রাসীরা সাহিনুদ্দিনকে কুপিয়ে আহত করেছিল। সেই ঘটনায় করা মামলায় পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। উল্টো আউয়ালের দেওয়া মিথ্যা মামলায় সাহিনুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। খুন হওয়ার কিছুদিন আগে সাহিনুদ্দিন জামিনে মুক্তি পান।

জঙ্গিবাদ ছড়ানোর অভিযোগ, মুফতি আমির হামজা ৫ দিনের রিমান্ডে

0

ধর্মীয় উগ্রবাদ ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতার মুফতি আমির হামজার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলাম এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক কাজী মিজানুর রহমান মুফতি আমির হামজাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে সংসদ ভবনে তলোয়ার নিয়ে হামলা পরিকল্পনার মামলার তদন্তের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। গত ৫ই মে তলোয়ার নিয়ে সাকিব নামের এক যুবক সংসদ ভবনে হামলার চেষ্টা চালায়। সাকিবকে আটকের পর রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা হয়। ওই মামলার তদন্তের জন্য মুফতি আমির হামজাকে রিমান্ড চাওয়া হয়। আসামি পক্ষের আইনজীবী রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিন আবেদন করেন।ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলাম উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মুফতি হামজার বিরুদ্ধে ওয়াজের মাধ্যমে ধর্মের অপব্যাখ্যা ও উগ্রবাদ ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। সোমবার কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের ডাবিরাভিটা গ্রামের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

মুনিয়ার মৃত্যু: বসুন্ধরা গ্রুপের এমডিকে গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

0

কলেজশিক্ষার্থী মোসারাত জাহানকে (মুনিয়া) আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলার আসামি বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটি। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটির নেতারা এ দাবি জানান।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মেহেদী হাসান বলেন, আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা হওয়ার পর মৃত মোসারাত জাহানের নামে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি মহল। মামলার বাদী মোসারাতের বোন ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি মামলা প্রত্যাহারের জন্য নানা ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।

মেহেদী হাসান অভিযোগ করেন, ‘মুনিয়া হত্যাকাণ্ডকে শুরু থেকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার জন্য একটি মহল খুবই তৎপর। কেউ আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নিলে তার খুব বিপদ বলে বড় বোনকে দ্রুত আসতে বলবে কি?’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা, মুনিয়ার বড় বোন ও মামলার বাদী নুসরাত জাহান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের আইনবিষয়ক সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম কেন্দ্রীয় সংসদের ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব হাসান, আইনজীবী মাসুদ সালাউদ্দিন, যুগ্ম মহাসচিব হাবিবুল্লাহ মেজবাহ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কুমিল্লা মহানগরের সভাপতি আইরিন আহমেদ প্রমুখ।

রাজধানীর গুলশান এলাকার একটি বাসা থেকে গত ২৬ এপ্রিল কলেজশিক্ষার্থী মোসারাত জাহান মুনিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান বাদী হয়ে সায়েম সোবহানের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করেন। এ ছাড়া মুনিয়ার মৃত্যুর ছয় দিন পর তাঁর বড় ভাই আশিকুর রহমান বাদী হয়ে ঢাকার একটি আদালতে হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর ছেলে নাজমুল করিম চৌধুরী শারুনের নামে হত্যা মামলা নেওয়ার আবেদন করেন।