ঢাকা   , ,     

Home Blog Page 164

দেশের বাইরে যেতে পারবেন না, খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়লো

0

দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সাজার কার্যকারিতা আরও ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছে সরকার।   

খালেদা জিয়ার পরিবারের আবদনে আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মতি পাওয়ার পর সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের অনুমোদন নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ মঙ্গলবার এ বিষয়ে নির্বাহী আদেশ জারি করেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, “বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পরিবার তার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেছিল। এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় থেকে পরীক্ষা নিরীক্ষার পর আমাদের কাছে সুপারিশ এসেছে। তাতে কিছুক্ষণ আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুমোদন দিয়েছেন।”

শর্ত অনুযায়ী, এই সময়ে খালেদা জিয়াকে ঢাকায় নিজের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিতে হবে। এবং তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না। বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “করোনার কারণে গত ছয় মাস খালেদা জিয়ার পরিবার তার কোনো চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারেননি। এই বিবেচনায় তার মুক্তির মেয়াদ ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে।”

দুর্নীতির দুই মামলায় দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে গত ২৫ মার্চ নির্বাহী আদেশে সাময়িক মুক্তি দেয় সরকার।

তার দণ্ডের কার্যকারিতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হলে তিনি কারামুক্ত হন। ওই মুক্তির মেয়াদ ২৪ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল।

তার আগেই বিএনপি চেয়ারপারসনের পরিবারের পক্ষ থেকে তার ভাই শামীম এস্কেন্দার গত মাসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি আবেদন করেন। তাতে তার অসুস্থ বোনের কারামুক্তির পদক্ষেপ নিতে সরকারকে আহ্বান জানান তিনি।

প্রথমবার খালেদা জিয়াকে ছাড়ার সময় নিয়ম অনুযায়ী আইন মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ বিবেচনায় নিয়েছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তাই শামীমের আবেদনও পাঠানো হয় সেখানে। গত ৩ সেপ্টেম্বর আগের শর্তেই খালেদা জিয়ার সাজা আরও ছয় মাস স্থগিত রাখার বিষয়ে সম্মতিসূচক মতামত দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।

৭৫ বছর বয়সী খালেদা জিয়া বর্তমানে গুলশানে তার ভাড়া বাসা ‘ফিরোজায়’ রয়েছেন। তিনি আর্থারাইটিসের ব্যথা, ডায়াবেটিস, চোখের সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছেন।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় পাঁচ বছরের সাজায় কারাজীবন শুরু করেন খালেদা জিয়া। পরে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায়ও তার সাজার রায় হয়। তার বিরুদ্ধে আরও ৩৪টি মামলা রয়েছে।

পেঁয়াজ নিয়ে প্যাঁচাল

0

১.ভারত আজকে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিলে কালকেই দেশে ৪০ টাকার পেঁয়াজ ৮০ টাকা কেজি হবে কেনো?

২.সরকারের বিটিটিসি জানিয়েছে, যে পেঁয়াজ মজুদ আছে তা নির্বিঘ্নে ৩ মাস ন্যুনতম মূল্যে বিক্রি করা যাবে।

৩.পেঁয়াজ নিয়ে প্রতিবছরই দেশে একটি চক্রান্ত হয়। এই চক্রান্তের লোকজন মাস দুয়েকে হাজার কোটি টাকা লুটে নেয়। এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে ভারতের ব্যবসায়ীরাও জড়িত। গতবছরও মনে হয় ইলিশ রপ্তানির দিন ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করেছিল। ইলিশ রপ্তানি এই ব্যবসায়ি সিন্ডিকেটের কোনো সংকেত কী না তলিয়ে দেখা দরকার।

৪.আমাদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যেমন ব্যর্থ তেমনি ব্যর্থতার পরিচয় দেয় ভারতে নিযুক্ত হাইকমিশন উপ-হাইকমিশনের কর্মকর্তারা। দিল্লিতে হাইকমিশন ছাড়াও কলকাতা, মুম্বাই, আগরতলা, গৌহাটিতে চারটি উপ- হাইকমিশন রয়েছে। সেগুলোতে কাউন্সিলর (বাণিজ্য) পদ রয়েছে। কিন্তু তাদের কি কাজ দেশের মানুষ জানে না। তারা দেশকে আগাম কোনো সংবাদ জানাতে পারেন না। বাংলাদেশে ভারতের যেসব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার রয়েছে সেটা সম্পর্কে আমাদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ও কোনো মনিটর করে না। হাইকমিশনও করে না। অথচ হাইকমিশনে বাণিজ্য দেখার জন্য কর্মকর্তাসহ জনবল রয়েছে। ভারতের বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে এবং ভারত রপ্তানি বন্ধ করে দিতে পারে এটা হাইকমিশন দেশকে আগাম জানাতে পারে নি। তারা নিজেরাও সম্ভবত জানে না। তারা খায় দায় ঘুমায়, ডলারে বেতন নেয়। যদি আগাম জানাতে পারতো সে ক্ষেত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ভারতের বিকল্প অন্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করতে পারতো। কিন্তু নিত্য পণ্যের বাজার সম্পর্কে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হয় আগাম খবর রাখে না, না হয় সিন্ডিকেটকে সুবিধা দেওয়ার জন্য তারা ওঁৎ পেতে থাকে।

৫. গতবছরও একই প্রক্রিয়ায় ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছিল। সেবার ৩ শ টাকা কেজি পেঁয়াজ খেয়েছি। সিন্ডিকেট টাকা লুটের পর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ভারতের বিকল্প চীন, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজ এনেছিল। বিমানে পর্যন্ত পেঁয়াজ এসেছে। সরকার যদি ভারতের পাশাপাশি অন্য দেশ থেকেও পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রাখতো তা হলে ভারতের একচেটিয়া রপ্তানির মনোভাবের পরাজয় হতো। ভারত রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা তোলার পর সেখান থেকে পেঁয়াজ আনাটাই ভুল ছিল। বাংলাদেশে রপ্তানি না করলে ভারতের পেঁয়াজ পঁচবে এটাও সত্য। কিন্তু আমরা আমাদের দেশপ্রেম দেখাতে পারি না, সংকল্পে অটুট থাকতে পারি না।

৬. যেহেতু মজুদ আছে সে ক্ষেত্রে অন্তত তিনমাস পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখা সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু আমি নিশ্চিত সেটা হবে না। কালই ৪০ টাকার পেঁয়াজ ১০০ টাকা পরে ২০০ টাকা এরপর ৩০০ টাকা হবে। এভাবে চলবে ডিসেম্বর জানুয়ারি পর্যন্ত। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলবে তারা পাকিস্তান, চীন থেকে পেঁয়াজ আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করছে। সেটা আসতে আসতে ডিসেম্বর পর্যন্ত যাবে। এর কিছুদিন পরই আমাদের কৃষকের উৎপাদিত পেঁয়াজ বাজারে চলে আসবে। ভারতও তখন রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে। তখন ভারত আর চীনের পেঁয়াজে সয়লাব হয়ে বাজারে দর নামবে ২০ টাকায়। আমাদের কৃষক লাভের মুখ আর দেখবে না। তাঁর উৎপাদন খরচও ওঠবে না। মাঝপথে সিন্ডিকেট কয়েকমাসে কয়েক হাজার কোটি টাকা লুটে নেবে। এ ভাবেই চলবে পেঁয়াজ নিয়ে প্যাঁচাল।
ফি বছর।

সিনহা হত্যা মামলার তথ্য প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট বাতিল, তথ্য জানার অধিকার সবার আছে,বললো হাইকোর্ট

0

টেকনাফে পুলিশের গুলিতে মেজর(অব.) সিনহা রাশেদ খান হত্যা মামলার তদন্তে উঠে আসা তথ্যাদি গণমাধ্যমে প্রকাশ না করার নির্দেশনা চেয়ে করা রিট কার্যতালিকা(কজ লিস্ট) থেকে বাদ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রবিবার বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মাহমুদ হাসান তালুকদার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আবেদনটি বাতিল করে আদালত বলেন, দেশের মানুষ চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলাটির তথ্য জানতে চায়। মিডিয়ার মাধ্যমেই মানুষ তথ্য জানবে। কারো তথ্য জানার অধিকারের ওপর আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারে না। আর তথ্য প্রকাশ হলে মামলার বিচারেও কোনো প্রভাব পড়বে না। এ কারণ দেখিয়ে আদালত আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আসান উল্লাহ ও সজল মাহমুদ রাসেল। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

এর আগে টেকনাফ মডেল থানার সাময়িক বরখাস্ত এসআই নন্দলাল রক্ষিতের ভাই দেব দুলাল রক্ষিত মামলার তদন্তে উঠে আসা তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ না করার নির্দেশনা চেয়ে এ রিট করেন।

রিটে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের গণমাধ্যমের সামনে উপস্থিত না করার বিষয়েও নির্দেশনা চাওয়া হয়। এছাড়া কক্সবাজারের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন এই মামলার তদন্ত ও ঘটনা সম্পর্কিত তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারির আরজি জানানো হয়।
রিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, তথ্য মন্ত্রণালয় সচিবসহ সংশ্লিষ্ট চারজনকে বিবাদী করা হয়।
৮ সেপ্টেম্বর এর ওপর প্রাথমিক শুনানি শেষে ১৩ সেপ্টেম্বর পুনরায় শুনানির তারিখ নির্ধারণ ছিল। রবিবার শুনানি করে তা কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত।

সংসদে আতর নিষিদ্ধ 

0

সংসদ সচিবালয়ের দাপুটে কর্মচারী আতর আলীকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে সংসদ এলাকায়। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদকে নিয়ে ‘অসত্য’ বক্তব্য দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশসহ এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সংসদ সচিবালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের নেতা আতর আলী অবশ্য বলেছেন তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তিনি রাষ্ট্রপতিকে খারাপ কিছু বলেন নি।
সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সংসদ সচিবালয়ের অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মচারী হয়েও রাষ্ট্রপ্রধানকে নিয়ে ‘অসত্য’ বক্তব্য দেয়ায় এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

গত ১৭ আগস্ট সংসদের শপথ কক্ষে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

কর্মচারীদের পক্ষ থেকে আতর আলী সেখানে তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ স্পিকার থাকার সময় ‘এ ধরনের অনুষ্ঠান হয়নি’। তার এ বক্তব্যকে অসত্য বলে দাবি করা হয় সংসদ সচিবালয় থেকে ।
গত ৬ সেপ্টেম্বর সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ খালেদুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

নোটিশে বলা হয়, “আপনি মোহাম্মদ আতর আলী বিগত ১৭ আগস্ট ২০২০ খ্রিস্টাব্দ তারিখে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় আয়োজিত আলোচনা সভা দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে অসত্য বক্তব্য প্রদান করেন। যেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করেন, কোনো ব্যক্তির পক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে প্রকাশ্যে কোনো অসত্য বক্তব্য প্রদান দেশের সংবিধান পরিপন্থী।

“যেহেতু আপনি মহামান্য রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে অসত্য বক্তব্য প্রদান করেছেন যা একজন সরকারি কর্মচারী হিসেবে অনুচিত ও যেহেতু আপনার উপরোক্ত আচরণ একজন সরকারি কর্মচারীদের জন্য অশোভনীয় আচরণ এবং সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা পরিপন্থী যা জাতীয় সংসদ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা মোতাবেক অসদাচারণ হিসেবে গণ্য যেহেতু আপনাকে জাতীয় সংসদ সচিবালয় কর্মচারী কর্মকর্তা ও কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা ২০০৫ এর ৩ এর ক দায়ে অভিযুক্ত করে কেন উক্ত বিধিমালা অধীনে যথোপযুক্ত দণ্ড প্রদান করা হবে না সে বিষয়ে এ নোটিশ প্রাপ্তির তিন কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শনের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হল।’’
নোটিশের বিষয়টি স্বীকার করেছেন আতর আলী। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘ আমি রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে আপত্তিকর কথা বলিনি। এটা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। ওই বক্তব্য দেওয়ার কারণে আমাকে সংসদ এলাকায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যেহেতু আমাকে যেতে নিষেধ করা হয়ে গেছে এজন্য আমি এখন আর সংসদ সচিবালয় যাই না। তবে কারণ দর্শানোর নোটিস পাওয়ার পরদিনই আমি জবাব দিয়েছি।’
প্রসঙ্গত, চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী সমিতির সাবেক সভাপতি আতর আলী সংসদ সচিবালয়ে সংসদ নেতার দফতরে দায়িত্ব পালন করেন। চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হয়েও আতর আলী সংসদ সচিবালয়ে খুবই প্রভাবশালী। অনেক কর্মকর্তাও আতর আলীর কাছে পাত্তা পান না।

করোনায় আর্থিক সংকট মোকাবেলায় স্বল্প সুদে দীর্ঘ মেয়াদী ঋণ পাবেন আইনজীবীরা- আইনমন্ত্রী

0

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, করোনা ভাইরাসের কারণে প্রায় আড়াই মাস আইনজীবী বিশেষ করে জুনিয়র আইনজীবীরা তাঁদের প্রাকটিস থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এতে অনেকেই আর্থিক সংকটে পতিত হয়েছেন। অনেকেই কষ্টে আছেন। তাঁদের এই কষ্ট লাঘবের জন্য স্বল্পসুদে দীর্ঘ মেয়াদী ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের মাধ্যমে এই ঋণ দেওয়া হবে।

ফরিদপুরে ৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আট তলা বিশিষ্ট চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রবিবার ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।

শেখ হাসিনার আমলে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা ও জেল হত্যা মামলার বিচার হয়েছে, মানবতা বিরোধী অপরাধীদের বিচার হয়েছে এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মন্ত্রী বলেন, হেফাজতে মৃত্যুর কারণে এই উপমহাদেশে প্রথম সাজাও তাঁর সরকারের সময় হয়েছে। তিনি বলেন, অপরাধীদের সাজা দিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা যায়। কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়, এই দেশে সকলকেই আইন মানতে হবে এবং এর ব্যত্যয় ঘটালে তার বিচার হবে এবং আইনসংগত সাজা হবে। এটা সকলকে মনে রাখতে হবে।

আইনমন্ত্রী বলেন, জনগণ আমাদের উপরে তখনি আস্থা রাখবে, যখন তারা সঠিক বিচার পাবে। বলেন, বিচারক ও আইনজীবীরা বিচার বিভাগকে কার্যকর করার জন্য অত্যন্ত মূল্যবান দুটি অর্গান। রাষ্ট্রের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অর্গানের মধ্যে বিচার বিভাগ যেমন একটি, ঠিক তেমনি বিচার বিভাগকে সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য বিচারক ও আইনজীবীরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি ইনস্টিটিউশন। এই দুই ইনষ্টিটিউশন মিলে জনগণের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের যে উন্নয়নের ধারা তা চলবে। দুই হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা ব্যয়ে যে ই-জুডিসিয়ারি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে সেটাও বাস্তবায়ন হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করলে জনগণ এসব কাজের সুফল পাবেন। তিনি বলেন, বর্তমানে ৩৭ লাখ মামলা জট রয়েছে। এ জট কমাতে হবে। আমরা Justice delayed is justice denied এবং Justice hurried is justice Buried এই দুটির মাঝ দিয়ে চলে এই মামলা জট কমানোর চেষ্টা করবো এবং জনগণের কাছে ন্যায়বিচার পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করবো। জনগণের কাছে ন্যায়বিচার পৌঁছে দেওয়া না গেলে তার পরিণতি কি হবে সেটা মুখে উচ্চারণ করাও উচিত নয়।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর পিতার মতই বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় ও উন্নয়নে বিশ্বাসী। বলেন, ব্রিটিশরা যে আদালত ভবনগুলো তৈরি করে গিয়েছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার আগ পর্যন্ত অন্যান্য সরকার সেগুলোর কোন পরিবর্তন করেনি। জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর বিচার বিভাগে বৃহদাকারে অবকাঠামো উন্নয়নের কাজে হাত দেন। তাঁর সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়া সুপ্রিম কোর্ট থেকে শুরু করে জেলা পর্যায়ে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। সরকার জেলায় জেলায় চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন ও জেলা জজ আদালত ভবন নির্মাণ করে দিচ্ছে। বিচারকদের সঠিকভাবে মূল্যায়ন করে তাদের বেতন ভাতা বাড়িয়ে দিয়েছেন। কারণ শেখ হাসিনা মনে করেন বিচারকরা আর্থিকভাবে স্বচ্ছল থাকলে তাঁরা কাজে মনোনিবেশ করতে পারবেন এবং জনগণ সুষ্ঠু বিচার পাবেন।

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর দেওয়া সংবিধানে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের কথা থাকলেও সামরিক ও খালেদা জিয়ার সরকার তা বাস্তবায়ন করেনি। শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর বিচার বিভাগের অনেক পজেটিভ পরিবর্তন আনেন এবং এই পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় ২০০৭ সালের ১লা নভেম্বর বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ করা হয়।

ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. সেলিম মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ফরিদপুর ১ ও ৪ আসনের সংসদ সদস্য যথাক্রমে মনজুর হোসেন ও মজিবুর রহমান চৌধুরী (নিক্সন),আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, জেলা প্রশাসক অতুল সরকার, পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান,জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট সুবল চন্দ্র সাহা, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এওএম খালেদ প্রমুখ বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহা।

ইউএনও ওয়াহিদার ভ্যানেটি ব্যাগ থেকে ৫০ হাজার টাকা চুরি করেছিল মালি রবিউল, ধরা পড়ে হয় বরখাস্ত, প্রতিশোধ নিতেই হামলা?

0

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের ইউএনও ওয়াহিদা খানমের উপর হামলার ঘটনায় মোড় ঘুরে গেলো। পুলিশের তদন্তে বের হয়ে এসেছে, ইউএনওর উপর হামলা করেছে তারই অফিসে চুরির অভিযোগে বরখাস্তকৃত এক কর্মচারী রবিউল।
শনিবার বিকেলে দিনাজপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করে এ কথা জানান রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য।


ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, গ্রেপ্তার রবিউল বিরল উপজেলার ধামহার গ্রামের বাসিন্দা। জিজ্ঞাসাবাদে সে হামলার কথা স্বীকার করেছে।
বিকেলেই তাকে আদালতে হাজির করে ৬ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পাওয়া গেছে।
ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদের বরখাস্ত এক মালি রবিউল ইসলামকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়ে ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য বলেছেন, এই ব্যক্তিই ওই হামলায় জড়িত।

গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে বাসভবনের ভেন্টিলেটর দিয়ে ঢুকে ইউএনও ওয়াহিদা ও তার বাবা ওমর আলীর উপর হামলা চালানো হয়। মাথায় হাতুড়ির আঘাতে গুরুতর আহত ওয়াহিদা এখন ঢাকায় নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানিয়েছে, ইউএনওর উপর হামলার ঘটনাটি নিয়ে দেশজুড়ে শোরগোলের মধ্যে দুদিন পর তিনজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১৩ অধিনায়ক রেজা আহমেদ ফেরদৌস রংপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসে বলেন, চুরি করতে ওই বাড়িতে ঢুকেছিল আসাদুল (৩৫)। তার সহযোগী ছিল নবীরুল ইসলাম (৩৪) ও সান্টু কুমার বিশ্বাস (২৮)।
আলোচিত এই ঘটনার ছায়া তদন্তে নামা র‌্যাব এটাও বলেছিল যে আসাদুল ‘নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার’ করেছেন।
র‌্যাব বলেছিল, এই আসাদুল হক চুরি করতে গিয়ে ইউএনওর উপর হামলা চালিয়েছিল; এখন পুলিশ বলছে অন্য কথা।
তবে এই ঘটনা নিছক চুরির ঘটনা কি না এ নিয়ে নানা সন্দেহ হয়।
নিজেদের তদন্তের অগ্রগতি তুলে ধরে শনিবার ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য দিনাজপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে আসেন।
তিনি বলেন, “ইতিপূর্বে আটক আসাদুল জড়িত নয়।”
ঘোড়াঘাট উপজেলার সাগরপুর এলাকার আসাদুল এখন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে রয়েছেন। ডিবিই এই মামলার তদন্ত করছে।
আসাদুল যুবলীগে যুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়।
বরখাস্ত মালি রবিউল ইসলামকে শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান ডিআইজি দেবদাস। রবিউলের বাড়ি বিরল উপজেলার বিজোড়া গ্রামে।

ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য বলেন, “রবিউলকে গ্রেপ্তারের পর রাতেই তাকে নিয়ে অভিযান চালিয়ে ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে হাতুড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। সে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।”

রবিউলের উদ্দেশ্য কী ছিল- তা জানতে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
“এই ঘটনার সাথে আর কারা জড়িত আছে কি না, কী কারণে এই ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়গুলো তদন্ত করা হবে।”
শনিবার বিকালে রবিউলকে আদালতে হাজির করে ৬ দিনের রিমান্ডের অনুমতি পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা ডিবির ওসি ইমাম জাফর।
ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ একজন কর্মচারী জানিয়েছেন, চার মাস আগে ইউএনওর ভ্যানেটি ব্যাগ থেকে ৫০ হাজার টাকা চুরির ঘটনা ঘটে। এতে মালি রবিউলকে সন্দেহ হলে সে অস্বীকার করে। পরে সিসি ক্যামেরায় দেখা যায় রবিউল টাতা চুরি করছে। এ অভিযোগে রবিউলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল।
হামলার পর ইউএনওর ভাই শেখ ফরিদ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে একটি মামলা করেন। যা তদন্ত করছে ডিবি।

তারেক রহমান দেশে আসুন দলই তা চায় না, জানালেন মির্জা ফখরুল, চীনের কূটনীতি নিয়ে সন্দিহান

0

এই মুহূর্তে তারেক রহমান দেশে ফিরুন দলই তা চায় না৷ তিনি বলেন, ‘‘তারেক রহমানের দেশে ফেরা সরকারই বন্ধ করে দিয়েছেন৷ যেসব মামলাতে একতরফা রায় দিয়ে দিয়েছেন, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৩৬-৩৭টা মামলায় তার অন্য সাজাও হয়েছে৷ সুতরাং এই মুহূর্তে তার দেশে ফেরাটা দলই মনে করছে না নিরাপদ হবে৷ দলের সার্বিক নেতৃত্বেও এর ফলে সংকট সৃষ্টি হতে পারে৷”
ডয়চে ভেলে বাংলার সাপ্তাহিক ইউটিউব টক শো ‘খালেদ মুহিউদ্দীন জানতে চায়’-এর অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য জানান।

বিভিন্ন সময়ে তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানকেও দলের দায়িত্বে নিয়ে আসার কথা শোনা গেছে৷ তবে এমন তথ্যকে ‘মনগড়া’ বলে দাবি করেন বিএনপির মহাসচিব৷ তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশের সাংবাদিকরা মাঝেমধ্যে গল্প তৈরি করতে পছন্দ করেন এবং তা নিয়ে আলোচনাও হয়৷ এটা জাতিগত বিনোদনও বটে৷”
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সুস্থ রয়েছেন, খালেদা জিয়াও যথেষ্ট সক্ষম রয়েছেন বলে মনে করেন মির্জা ফখরুল৷ ফলে মামলা থেকে বের হয়ে আসতে পারলে বা কোনোভাবে ‘রাজনৈতিক পটপরিবর্তন’ হলে খালেদা জিয়াই দেশের নেতৃত্ব দিতে সম্পূর্ণ সক্ষম বলেও মন্তব্য করেন তিনি৷
১৫ আগস্ট খালেদা জিয়ার জন্মদিনে উপহার পাঠালেও পরবর্তীতে তা প্রত্যাহার করার সংবাদও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে৷ তবে এর সত্যতা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন মির্জা ফখরুল৷ তিনি বলেন, ‘‘চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে এমন কোনো বক্তব্য আসেনি, এসেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে৷ আমরা নিজেরাও কনফিউজড৷ চীনের কূটনীতি এতটা কাঁচা নয়৷”
আলোচনায় উঠে আসে মহাসচিব হিসেবে বিএনপিকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থতার অভিযোগের প্রসঙ্গও৷ এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘‘এটা আমার বিবেচনার বিষয় নয়, এটা জনগণ বলবে, পার্টি সিদ্ধান্ত নেবে৷ কিন্তু দল এখনও আমাকে এমন কোনো কথা বলেনি৷”
তিনি বলেন, ‘‘দেশে কী আসলেই কোনো রাজনীতি আছে? ২০১২ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের পর থেকে আওয়ামী লীগ একদলীয় সরকারব্যবস্থা চালু করতে চাচ্ছে৷ রাজনৈতিক দলগুলোকে অকার্যকর করে দেয়া, রাজনৈতিক নেতৃত্বদের হেনস্তা করা হচ্ছে৷ এখন রাজনৈতিক দল, এমনকি মিডিয়াও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না৷”

বিএনপি এখন রাজনীতির ঠিক পথেই আছে বলে মনে করেন মির্জা ফখরুল৷ তিনি বলেন, ‘‘বিএনপি উদারপন্থি রাজনৈতিক দল৷ কিন্তু দেশে এখন স্বাভাবিকভাবে রাজনীতি করার কোনো উপায় নেই৷ দেশে গণতন্ত্রের কোনোকিছুই অবশিষ্ট নেই৷”

গবেষণায় চুরির অভিযোগ প্রমাণিত; সামিয়া রহমান ও মারজানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ

0

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিয়া রহমান এবং অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক সৈয়দ মাহফুজুল হক মারজানের বেশ কয়েকটি গবেষণা নিবন্ধে চৌর্যবৃত্তির প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি।

তাদের বিষয়ে একাডেমিক অপরাধের শাস্তি সুপারিশ করতে ট্রাইব্যুনাল গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

তিনি বলেন, “তদন্ত কমিটি ওই দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ পেয়েছে মর্মে সিন্ডিকেটের সভায় রিপোর্ট পেশ হয়েছে।

“সভায় ট্রাইব্যুনাল গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু কাদের নিয়ে এই ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে, এটা নির্ধারণ হয়নি। এটা নির্ধারণ করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।”

এবিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “নিয়ম-নীতি অনুযায়ীই সব কিছু হবে।”
২০১৬ সালের ডিসেম্বরে সামিয়া রহমান ও মাহফুজুল হক মারজানের যৌথভাবে লেখা ‘এ নিউ ডাইমেনশন অব কলোনিয়ালিজম অ্যান্ড পপ কালচার : এ কেস স্ট্যাডি অব দ্য কালচারাল ইমপেরিয়ালিজম’ নামক আট পৃষ্ঠার একটি গবেষণা প্রবন্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সোশ্যাল সায়েন্স রিভিউ’ নামের একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়।

তবে তা ১৯৮২ সালের শিকাগো ইউনিভার্সিটির জার্নাল ‘ক্রিটিক্যাল ইনকোয়ারি’তে প্রকাশিত ফরাসি দার্শনিক মিশেল ফুকোর ‘দ্য সাবজেক্ট অ্যান্ড পাওয়ার’ নামের একটি নিবন্ধ থেকে প্রায় পাঁচ পৃষ্ঠা হুবহু নকল বলে অভিযোগ ওঠে।

২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে এক লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এই চুরির কথা জানিয়েছিল ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেস।

শুধু মিশেল ফুকোই নন, বুদ্ধিজীবী এডওয়ার্ড সাঈদের ‘কালচার অ্যান্ড ইমপেরিয়ালিজম’ গ্রন্থের পাতার পর পাতাও সামিয়া ও মারজান হুবহু নকল করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরিন আহমেদকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট।

দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে গত বছর ওই কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রত

যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বাংলাদেশে পাই সেটা পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না : রিভা গাঙ্গুলী

0

আরও বড় দায়িত্ব নিয়ে দেশে ফিরে যাচ্ছেন ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাশ। প্রায় দেড় বছর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। বাঙালী এই নারী কূটনীতিক বাংলাদেশের মানুষকে আপন করে নিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশের সাংবাদিকদের সঙ্গে এক বিদায়ী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, এখানে যে আতিথেয়তা পাওয়া যায়, তা অন্য কোথাও পাওয়া যায় না।
তিনি বলেন, ‘আমি গত বছরের মার্চ মাসে এসেছি। আমাদের একটা অনেক ক্লোজ রিলেশনশিপ বাংলাদেশের সঙ্গে হয়ে যায়। আমি সবসময় বলি, আমরা যে হসপিটালিটি, যে বন্ধন, যে ফ্রেন্ডশিপটা এই দেশে পাই সেটা পৃথিবীর কোনো জায়গায় পাওয়া যায় না।’
সাংবাদিকদের উদ্দেশে রিভা গাঙ্গুলি বলেন, ‘অনেক সময় আপনাদের স্টরিগুলোর সঙ্গে আমাদের ভিন্ন মত থাকে। এটা ভুল, ওটা ভুল কোট হয়েছে ইত্যাদি। দ্যাট ইস দ্যা পার্ট অফ দ্যা রিলেশনশিপ। সেটাই আমাদের ক্লোজনেস, সেটাই আমাদের ক্লোজ রিলেশনশিপ দেখায়।’


করোনা মহামারির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখন ভালো সময়ের মধ্যেই নেই আমরা। তবে খুব লাকি অ্যান্ড ভেরি ইম্পরট্যান্ট যে, একটা সময় আমি এখানে এসেছি, নতুন সরকার এসেছে আমাদের দেশে। এখানে, অনেক কিছু করার অপরচুনিটি পেয়েছি। গত বছর অনেক কিছু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী দুইবার ভারতে গিয়েছেন।’

ভারতীয় হাইকমিশনার আরো বলেন, ‘আমরা খুব এক্সাইটেড ছিলাম যে, মুজিব বর্ষে আমরা অনেক কিছু এক সঙ্গে করবো। আনফরচুনেটলি, কিন্তু আমরা এই লিমিটেড ওয়ের মধ্যেও একটা গুড গিফটিং সিরেমনি করেছি ১০০টা কলেজ-ইউনিভার্সিটিকে। বঙ্গবন্ধুর উপর একটা কবিতার প্রোগ্রাম করেছি। আগামীতে আরো প্রোগ্রাম করবো।’

এসময় তিনি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে রেল কন্টেইনারে পণ্য পরিবহনের কথা বলেন তিনি। এছাড়া নদী পথে ভারতের ত্রিপুরায় বাংলাদেশি পণ্য যাওয়ার কথাও বলেন। ত্রিপুরায় বাংলাদেশ থেকে প্রিমিয়ার সিমেন্টের একটি চালান যায়। এসবের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের ইঙ্গিত দেন।
বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা ও তাদের স্মরণ করার কথা উল্লেখ করে বিদায়ী এই হাইকমিশনার বলেন, ‘কোভিডের মধ্যে অনেক রেস্ট্রিকশন ছিলো। ফিজিক্যাললি মুভমেন্ট, কোথাও যাওয়া-আসায়। তারপরেও আমরা সবাই বাড়িতে বসেই কাজ করেছি। অনেক রকমের ডেভেলপমেন্ট হয়েছে। আপনারা অনেকেই বলছিলেন আমাকে মিস করবেন, আমিও আপনাদের সবাইকে মিস করবো।’

ইসলামিক রাষ্ট্রের পরিচয় মুছে, ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ দেশ হচ্ছে সুদান, সংবিধান সংশোধনে ঐকমত্য

0

দীর্ঘ ৩০ বছর পর ইসলামিক রাষ্ট্রের পরিচয় মুছতে চলেছে সুদান। উত্তর আফ্রিকার এই দেশটির শতকরক ৯৭ ভাগ মানুষই ইসলাম ধর্মাবলম্বী। ১৯৮৯ সাল থেকে সুদানে ইসলামিক আইনের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনা শুরু হয়। কিন্তু সুদান সরকারের বিরুদ্ধে ক্রমাগত সশস্ত্র আন্দোলন করে চলছিল “পিপলস লিবারেশন মুভমেন্ট” নামে এক বিপ্লবী সংগঠন। তারা বরাবর চেয়েছিল সুদানকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসাবে গড়ে তুলতে। খবর রয়টার্স /এপি।

অবশেষে সুদানের প্রধানমন্ত্রী আবদাল্লা হামদক ও পিপলস লিবারেশন মুভমেন্ট এর নেতা আবদেল আজিজ আল হিলু এক শান্তি চুক্তি করলেন। এই শান্ত চুক্তিটি ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবাতে সংগঠিত হয়। সেখানে বিবাদমান দুইপক্ষই দেশের সংবিধানকে ধর্মনিরপেক্ষ করতে সম্মত হয়েছেন।
৪ সেপ্টেম্বর চুক্তি সাক্ষরের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন সুদানের প্রধানমন্ত্রী আবদাল্লা হ্যামদক এবং পিওপল’স লিবারেশনের নেতা আজিজ আল-হিলু। দুজনেই একবাক্যে স্বীকার করে নেন সমস্ত মানুষের সমানাধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। ধর্ম যার যার ব্যক্তিগত, কিন্তু রাষ্ট্রের দায়িত্ব সব সময় মুক্তচিন্তার পক্ষে থাকা। আর ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসাবে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও সুদানের ভাবমূর্তি উন্নত হবে বলে মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী। সেইসঙ্গে দীর্ঘ সশস্ত্র লড়াইয়ের অবসান নিঃসন্দেহে খুশির খবর।
শান্তি চুক্তিতে বলা হয়েছে- “ধর্ম এবং রাষ্ট্রকে পৃথক করে এক ধর্মনিরপেক্ষ সুদান গড়ে তোলাই প্রধান লক্ষ্য। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসাবে প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার সুনিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।”
যদিও এই শান্তিচুক্তি এতোটা সহজ হয়নি। কারণ- পিপলস্ লিবারেশন মুভমেন্টের বেশ কিছু শাখা সুদানকে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসাবে মান্যতা দিতে চায়নি।
এক নজরে সুদান:
১৮২০ সালে মিসরের ওসমানীয় শাসক মুহাম্মদ আলি পাশা সুদান দখল করেন। নামেমাত্র ওসমানীয়দের অধীনে থাকলেও পাশা মূলত নিজেকে মিসরের স্বাধীন শাসক হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। পাশা তার ছেলে ইসমাইলকে সুদান শাসনের দায়িত্ব দেন। ইসমাইল ও তার পরবর্তী শাসকরা সুদানে বহু অবকাঠামো গড়ে তোলেন।
১৮৭৯ সালে ইসমাইল পদত্যাগে বাধ্য হন এবং ইসমাইলের ছেলে প্রথম তৌফিক বাবার স্থলাভিষিক্ত হন। তবে তৌফিকের দুর্নীতির কারণে সেখানে অল্প দিনের মধ্যেই একটি বিপ্লব হয়। তৌফিক ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে ব্রিটিশদের সাহায্য কামনা করেন। এ সুযোগে ব্রিটিশরা ১৮৮২ সালে মিসর দখল করে নেয়। স্বাভাবিকভাবে সুদানও ব্রিটিশদের দখলে চলে আসে। তখন শুরু হয় ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন। এতে নেতৃত্ব দেন মুহাম্মদ আহমদ ইবনে আবদ আল্লাহ। ১৮৮৫ সালে সুদানে ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল গর্ডনের পতন হয়। সুদান থেকে প্রত্যাহার করা হয় মিসরীয় ও ব্রিটিশ সৈন্য।
ব্রিটিশ শাসনের শুরু থেকেই মিসরীয়রা দাবি করতে থাকে, মিসর ও সুদান এক রাষ্ট্র হবে। কিন্তু মিসরীয়রা শেষ পর্যন্ত উপলব্ধি করে, সুদানের ওপর মিসরীয় সার্বভৌমত্ব দাবি বাতিল না করলে ব্রিটিশরা স্বাধীনতাকে বিলম্বিত করবে। এ উপলব্ধির পর ১৯৫৪ সালে মিসরীয়রা ব্রিটিশদের সাথে একটি চুক্তি করে। ওই চুক্তি অনুসারে ১৯৫৬ সালের ১ জানুয়ারি সুদান স্বাধীনতা লাভ করে। ইসমাইল আল আজহারি সুদানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও আধুনিক সুদানের প্রথম সরকারের নেতৃত্ব দেন।
তবে স্বাধীনতার এক বছর আগে ১৯৫৫ সালে দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। খ্রিষ্টান অধ্যুষিত দক্ষিণাঞ্চলের আশঙ্কা, স্বাধীন সুদানে নেতৃত্ব দেবে উত্তরের মুসলমান জনগোষ্ঠী। কারণ উত্তরাঞ্চলের মুসলমানদের সাথে মিসরসহ আরব বিশ্বের সুসম্পর্ক রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে দুই অঞ্চলে দুই ধরনের প্রশাসন চালুর দাবি জানায় ব্রিটিশরা।
১৯৫৫ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত দেশটিতে গৃহযুদ্ধ চলে। গৃহযুদ্ধ চলতে থাকলে স্বাধীনতার পরপরই একজন সামরিক কর্মকর্তা দেশটির ক্ষমতা দখল করেন। ১৯৭২ সালে এক চুক্তিতে দেশটিতে গৃহযুদ্ধের অবসান হলেও ১৯৮৩ সালেই আবার গৃহযুদ্ধ শুরু হয় দেশটিতে।
১৯৮৯ সালের ৩০ জুন কর্নেল ওমর আল বশির একদল সামরিক কর্মকর্তার সমর্থন নিয়ে রক্তপাতহীন এক অভ্যুত্থান ঘটান। তিনি দেশটিতে সব ধরনের রাজনীতি নিষিদ্ধ করেন এবং ইসলামি আইন চালু করেন।
ক্ষমতা দখলের পরপরই তিনি গেরিলাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন। ১৯৯৬ সালের ১৬ অক্টোবর তিনি নিজেকে সুদানের প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন। সে বছর দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনও হয়। একমাত্র প্রার্থী ছিলেন তিনি নিজেই। এর পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র সুদানকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করে।
প্রেসিডেন্ট বশির শান্তিপ্রক্রিয়াকে তরান্বিত করতে নানা পদক্ষেপ নেন। তিনি ২০০৫ সালের ৯ জানুয়ারি একটি চুক্তি করেন। চুক্তি অনুসারে চুক্তির পর থেকেই দক্ষিণাঞ্চল স্বায়ত্তশাসন ভোগ করবে এবং স্বাধীনতার জন্য ছয় বছর পর গণভোট হবে। কিন্তু চুক্তির পর দক্ষিণের এক নেতা বিমান দুর্ঘটনায় মারা গেলে দেশটিতে আবার গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। ২০০৫ সালের ২৪ মার্চ দেশটিতে জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েন করা হয়। তবে এ বাহিনী মোতায়েনের বিরোধিতা করেন প্রেসিডেন্ট বশির।

অবস্থানগত দিক থেকে দেশটির অবস্থান উত্তর আফ্রিকায়। লৌহিত সাগরের সাথে দেশটির ৮৫৩ কিলোমিটার উপকূল রয়েছে। আয়তনে আফ্রিকা মহাদেশে সবচেয়ে বড় ও বিশ্বে দশম সুদান। এর আয়তন ২৫ লাখ ৫ হাজার ৮১০ বর্গকিলোমিটার। সুদনের উত্তরে মিসর, পূর্বে ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়া, দক্ষিণ-পূর্বে কেনিয়া ও উগান্ডা, দক্ষিণ-পশ্চিমে কঙ্গো ও মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, পশ্চিমে শাদ ও উত্তর-পশ্চিমে লিবিয়া। এর বেশির ভাগ ভূমি সমতল। তবে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে রয়েছে পর্বতমালা। পৃথিবীর দীর্ঘতম নদ নীলের একটি অংশ সুদানের রাজধানী খার্তুমের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয়েছে। 
সুদানের দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টিপাত বেশি হয়। উত্তরে নুবিয়ান অঞ্চলে সামান্য মরুভূমি রয়েছে। তবে দেশটিতে মরুকরণ অব্যাহত রয়েছে। 
দেশটির ৭০ শতাংশ জনগণই ইসলাম ধর্মাবলম্বী। আদিবাসী ২৫ শতাংশ ও মাত্র ৫ শতাংশ খ্রিষ্টান। এখানকার খ্রিষ্টানরা রোমান ক্যাথলিক চার্চের অনুসারী। সব মুসলমানই সুন্নি।