অনুমতি ছাড়া বিদেশ গিয়ে ফেঁসে গেলেন দুর্নীতি দমন কমিশন,দুদকের এক কর্মকর্তা। শাস্তি হিসেবে তাকে দুদক থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এই কর্মকর্তার নাম ইমরুল কায়েস। তিনি প্রশাসন ক্যাডারের সহকারী সচিব। দুদকে ডেপুটেশনে এসছিলেন উপ-পরিচালক হয়ে। তাকে দেয়া হয়েছিল দুদকের গুরুত্বপূর্ণ যাচাই বাছাই কমিটিতে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, ইমরুল কায়েস গত ২৯ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ১০ থেকে ১৮ মে’র মধ্যে ব্যক্তিগত সফরে ভারত যাওয়ার অনুমতি নেন। কিন্তু তিনি সে সময় যাননি। পরে জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি আদেশ তৈরি করে চলতি মাসে ভারত ভ্রমণ করেন। অনেকটা গোপনে তিনি ভারত ভ্রমন করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে টনক নড়ে দুদকের। ঘটনার সত্যতা মেলায় এবং কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া বিদেশ ভ্রমণ করে সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন করায় তাকে দুদক থেকে প্রত্যাহার করার জন্য জনপ্রশাসন বিভাগকে জানায় দুদক। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে দুদক থেকে ফেরত নেয়া হয়।
এ প্রসঙ্গে দুদক সচিব মো. মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি আদেশ অমান্য করে অনুমতি ছাড়া বিদেশ ভ্রমণ করায় তার বিরুদ্ধে সরকারি চাকরিবিধি অনুসারে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আমাদের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে জনপ্রশাসনে ফেরত পাঠানো হয়েছে। জনপ্রশাসন বিভাগের উপ-সচিব আবু ফতেহ মোহাম্মদ সফিকুল ইসলামের সই করা এক আদেশে তার প্রত্যাহারের বিষয়টি জানা গেছে। আদেশে ইমরুল কায়েসকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এপিডি অনুবিভাগে ন্যস্ত করার কথা বলা হয়েছে।
গোপনে বিদেশ যাওয়ায় ফেঁসে গেলেন দুদক উপ-পরিচালক
এবার মনস্তাত্ত্বিক সমস্যার কথা বললেন সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, আমাদের মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা আছে, আমি নির্বাচন করবো এবং আমাকে জিততেই হবে। হারতে যে হতে পারে, এটা কিন্তু কেউ মেনে নিচ্ছে না। মনস্তাত্ত্বিক দৈন আমাদের মধ্যে আছে। তাই সহনশীলতা যদি জাগ্রত করা না যায় তাহলে সংকট থেকে যাবে।
বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন ভবনে গণফোরামের সঙ্গে সংলাপে তিনি একথা বলেন।
সিইসি বলেন, গতকাল ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে একটা ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচন হাড্ডাহাড্ডি যখন হয়, তখন ভোটের শেষে মারামারিটা হয়। কালকে একটা বাচ্চা মারা গেছে। বিষয়টি জানতে রাত ১০টা-১১টার দিকে ডিসি-এসপিকে ফোন করেছি। নির্বাচনটা শেষ হয়ে গিয়েছিল এবং মেম্বার প্রার্থী হামলা করে বসলো।
কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, রাজনীতি আপনারা নিয়ন্ত্রণ করেন। রাজনীতির সংস্কৃতি ধারণ করা, লালন করা আপনাদের দায়িত্ব। আপনাদের দায়িত্ব অনেক বড়। আপনাদের কাছে ছোট কিন্তু আমাদের কাছে অনেক বড়। আপনাদের বক্তব্য শুনেছি। চিন্তা-ভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেবো।
তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু, সঠিক, সুস্থ, অংশগ্রহণমূলক এবং অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে। আমরা আমাদের দায়িত্ব বলতে চাচ্ছি না। আমরা রাজনৈতিক নেতৃত্বে নেই এবং প্রশাসনিক সংগঠন। আমাদের কাজ হবে নির্বাচনে যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার স্বাধীনভাবে প্রয়োগ করতে হবে, এই ব্যাপারে আমরা চেষ্টা করবো সর্বাত্মক।
গণফোরামের নির্বাহী সদস্য মোকাব্বির খানের নেতৃত্বে সংলাপে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল, অন্য চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নোয়াখালীতে গৃহবধূকে নির্যাতনকারী সেই গ্রাম পুলিশ আটক
নোয়াখালী সদর উপজেলায় বাড়িতে ঢুকে গৃহবধূকে পিটিয়ে আহত করা সেই গ্রাম পুলিশ নুর হোসেনকে (৩০) আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
নুর হোসেন সদর উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ এবং কালাদরাপ গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়েছে। এর আগে, বুধবার রাতে ৫৫ সেকেন্ডের মারধরের ওই ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এতে দেখা যায়, গ্রাম পুলিশ নূর হোসেন ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূকে একটি লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকেন। এ সময় পাশে তার ছেলে শিশু কান্না করছিল। একপর্যায়ে নির্যাতিত ওই নারীকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসে বাড়ির কয়েকজন নারী।
এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন নির্যাতিতা ওই গৃহবধূ। পরে বুধবার বিকেলে ওই গ্রাম পুলিশকে শোকজ করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে সুধারাম মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নুর হোসেনকে আটক করে।
জানা গেছে, কালাদরাপ ১নং ওয়ার্ডের ইউনুছের বাড়ির সীমানা নিয়ে পার্শবর্তী সাহাব উদ্দিনের বিরোধ চলছিল। গত ১৯ জুলাই সকালে গ্রাম পুলিশ নুর হোসেন ওই বাড়িতে গিয়ে টিনের সীমানাটি ৪ হাত উত্তরে সরিয়ে ফেলতে চাইলে তাতে বাধা দেন ভুক্তভোগী নারী। এ সময় নূর হোসেন তাকে প্রথমে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ ও পরে এলোপাতাড়ি মারধর করে। পরে অসুস্থ্য অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়ে ২০ থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত চিকিৎসা নেন ওই গৃহবধূ।
মানবতাবিরোধী অপরাধে খুলনার ৬ রাজাকারের মৃত্যুদন্ড
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় খুলনা বটিয়াঘাটার রাজাকার আমজাদ হোসেন হাওলাদারসহ ছয়জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বৃহস্পতিবার বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার অপর পাঁচ আসামি হলেন- সহর আলী সরদার, আতিয়ার রহমান, মোতাছিম বিল্লাহ, কামাল উদ্দিন গোলদার ও নজরুল ইসলাম। এদের মধ্যে নজরুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন। প্রথমে এ মামলার আসামি ছিলেন আটজন। গ্রেপ্তারের পর দুই আসামি মোজাহার আলী শেখ ও আশরাফ শেখ অসুস্থ অবস্থায় মারা যান।
এর আগে, ২২ মে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছিলেন ট্রাইব্যুনাল।
আসামিদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, নির্যাতন, অপহরণ, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগসহ বিভিন্ন ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। মামলায় ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল।
২০১৫ সালের ১৫ নভেম্বর মামলার তদন্ত শুরু হয়। ২০১৭ সালের ৮ আগষ্ট আসামিদের বিরুদ্ধে ১ হাজার ২৭ পাতার প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে জমা দেয়া হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, আমজাদ হোসেন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে কনভেনশন মুসলিম লীগ এবং পরে জামাতের সমর্থক ছিলেন। অপর ছয় আসামিও একই সময়ে কনভেনশন মুসলিম লীগ এবং জামাতের সমর্থক ছিলেন।
কোন ষড়যন্ত্রই দেশের অগ্রগতি থামাতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতা-কর্মীদের সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ড দেশবাসীর সামনে তুলে ধরার আহবান জানিয়ে বলেছেন, কোন ষড়যন্ত্রই দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে থামাতে পারবে না। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অগ্রগতি ব্যাহত করার অনেক ষড়যন্ত্র আছে, কিন্তু উন্নয়নের অপ্রতিরোধ্য গতিকে কেউ বাধাগ্রস্থ করতে পারবেনা ইনশাল্লাহ।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা ব্যহত করতে অনেক চক্রান্ত চলছে। আমি বিশ্বাস করি যত চক্রান্তই করুক বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না। আমরা এগিয়ে যাচ্ছি অপ্রতিরোধ্য গতিতে, ইনশাল্লাহ এগিয়ে যাব।’
তিনি বলেন, ‘ঝড়-ঝাপটা এবং আন্তর্জাতিক পরিবেশের কারণে অনেক কিছুই মোকাবিলা করতে হবে। আমরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করে যেমন চলি তেমনি বৈশ্বিক যে দুর্যোগ সেটাও মোকাবিলা করে আমরা এগিয়ে যেতে পারবো, সে বিশ্বাস আমার আছে।’
প্রধানমন্ত্রী বুধবার বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র ভাষণে এ কথা বলেন।
তিনি তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে রাজধানীর ফার্মগেটস্থ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগকে আজ এটাই বলবো তোমাদের কাজ হবে আমরা যে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি, যে উন্নতি দেশের হয়েছে, শিক্ষার দ্বার অবারিত হয়েছে, বহুমুখি শিক্ষার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি, প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছি, কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা করেছি সেই সাথে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছি- এসব দেশবাসীর সামনে তুলে ধরা। আমরা মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপন করেছি, গ্রামে গ্রামে ব্রডব্যান্ড সেবা পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমে ডিজিটাল ব্যবস্থপনায় মানুষের ঘরে বসে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, ফ্রিলান্সার সৃষ্টি হয়েছে। বেকারদের ব্যাপক কর্মসংস্থান হয়েছে, রাস্তাঘাট, পুল, ব্রীজ নির্মাণের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়েছি- এই উন্নয়নের কথাগুলো মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। প্রত্যেকটি অঞ্চলে গিয়ে মানুষের কাছে বার বার বলতে হবে। কে কি বললো সেদিকে কর্ণপাত করার কোন দরকার নেই। আমরা কি করেছি তা মানুষের কাছে তুলে ধরতে পারলে সেটাই হবে আসল জবাব।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারের ঘরে ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌঁছে দেয়া, স্বাস্থ্য সেবা ও শিক্ষাকে জনগণের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার পাশাপাশি গৃহহীনকে ঘর করে দেয়ার উদ্যোগ তুলে ধরেন। দেশে কোন গৃহহীন পরিবার থাকলে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকমীদের নিজ এলাকায় খুঁজে দেখার আহবান জানান তিনি। কারণ, সরকার সবাইকে ঘর করে দিবে। এ থেকে দলিত শ্রেণি পেশার মানুষ এমনকি হিজড়া ও বেদে শ্রেণিও বাদ যাচ্ছেনা। তাঁর সরকার তাঁদের রাজনৈতিক চিন্তা-চেতনার থেকে সকলের জন্য অর্থনৈতিক উন্নয়নের যে পরিকল্পনা সেটা থেকেই এটা করছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ প্রসঙ্গে তিনি স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, কে কি বললো সেদিকে না যেয়ে আমরা মানুষের জন্য যে উন্নয়ন করেছি সেই উন্নয়নের কথাগুলো একেবারে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। বার বার বলতে হবে। এদিকে দৃষ্টি দিতে হবে এবং এই কাজটা করতে হবে।
আমরা আত্মবিস্তৃত জাতি বিধায় এগুলো বার বার মানুষের কাছে তুলে ধরায় গুরুত্বারোপ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘ষড়ঋতুর দেশ আমাদের। দুই মাস পর পর ঋতু বদলায়, মানুষের মনও বদলায় এবং ভূলেও যায়। কাজেই দুই মাস পর ভুলে যেন না যায়, সে জন্য আমরা কি কাজ করেছি মানুষের কাছে বার বার সেটা বলতে হবে, বোঝাতে হবে। কারণ একটা শ্রেণি আছে যারা মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চায়। এই জ্ঞানপাপীদের কথা শুনে অজ্ঞান হয়ে কেউ যেন বিভ্রান্ত না হয়।’
তিনি আশা প্রকাশ করেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ যেভাবে মানুষের সেবায় নিয়োজিত রয়েছে সেভাবেই কাজ করে যাবে এবং সংগঠনকে সুসংগঠিত করে শক্তিশালী করার পাশাপাশি দুঃসময়ে যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে তা আব্যাহত রাখবে। একটি সুশৃঙ্খল সংগঠন হিসেবে জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণে আর্তমানবতার সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখবে এবং নিবেদিত প্রাণ হয়েই রাজনীতি করবে।
স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন।
সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু।
স্বেচ্ছাসেবক লীগের গত এক বছরের কর্মকান্ড এবং সদ্য প্রয়াত দলটির সাবেক সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহের ওপর দু’টি পৃথক ভিডিও চিত্র অনুষ্ঠানে প্রদর্শন করা হয়।
প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ‘স্বেচ্ছাসেবার ১ বছর’ শীর্ষক প্রকটি প্রকাশনার মোড়কও উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী।বাসস।
পূর্ণ সচিব হলেন গোলাম সারওয়ার
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের পূর্ণ সচিব হলেন মো. গোলাম সারওয়ার। বুধবার আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ সম্পর্কিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। তিনি ২০১৯ সালের ৮ আগস্ট থেকে আইন ও বিচার বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছ। বর্তমানে আইন ও বিচার বিভাগে কর্মরত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের মধ্যে তিনিই জ্যেষ্ঠ। প্রজ্ঞাপনে বলা হয় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সচিব পদে মো. গোলাম সারওয়ারকে পদায়ন করা হলো। মো. গোলাম সারওয়ার দশম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে জুডিসিয়াল ক্যাডারে যোগদান করেন। ১৯৯১ সালের ১১ ডিসেম্বর ঢাকা জেলা জজ আদালতে প্রবেশনার সহকারী জজ পদে যোগদানের মাধ্যমে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর তিনি ১৯৯৮ সালে সিনিয়র সহকারী জজ, ২০০৩ সালে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, ২০০৭ সালে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং ২০১৫ সালে জেলা ও দায়রা জজ পদে পদোন্নতি পান। তিনি ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী ও কিশোরগঞ্জ জেলায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি ২০১৫ সালের ডিসেম্বর হতে ২০১৯ সালের ০৭ আগস্ট পর্যন্ত আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিবের দায়িত্ব পালন করেন।
দুদকের মামলায় সাবেক ওসি প্রদীপের ২০ বছর, স্ত্রী চুমকির ২১ বছরের কারাদন্ড
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় কক্সবাজারের টেকনাফ থানার বরখাস্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশকে ২০ বছর ও তাঁর স্ত্রী চুমকি কারণকে ২১ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মুনসি আবদুল মজিদ এ রায় ঘোষণা করেন।
দুদকের আইনজীবী মাহমুদুল হক বলেন, আদালত প্রদীপকে ২০ বছর এবং তাঁর স্ত্রী চুমকিকে ২১ বছর কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে প্রদীপের ঘুষের টাকায় চুমকির নামে নেয়া কোটি টাকার বাড়ি, গাড়ি ও ফ্ল্যাট রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় প্রদীপ ও চুমকি দুজনই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রদীপ ও চুমকিকে আদালতে আনা হয়। পরে তাঁদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রদীপের আইনজীবী সমীর দাশগুপ্ত বলেন, ২০২০ সালের ২৩ আগস্ট দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন বাদী হয়ে প্রদীপ ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পত্তি অর্জনের মামলা করেন। গত বছরের ২৬ জুলাই প্রদীপ ও চুমকির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। এতে বলা হয়, পাথরঘাটায় ছয়তলা বাড়ি, ষোলশহরের বাড়ি, ৪৫ ভরি সোনা, একটি করে কার ও মাইক্রোবাস, ব্যাংক হিসাব এবং কক্সবাজারের একটি ফ্ল্যাটের মালিক প্রদীপের স্ত্রী চুমকি কারণ। তাঁর ৪ কোটি ৮০ লাখ ৬৪ হাজার ৬৫১ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বিপরীতে বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় ২ কোটি ৪৪ লাখ ৬৬ হাজার ২৩৪ টাকার। তাঁর ২ কোটি ৩৫ লাখ ৯৮ হাজার ৪১৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের সত্যতা পেয়েছে দুদক। এ ছাড়া চুমকি নিজেকে মৎস্য ব্যবসায়ী দাবি করলেও এর কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। সম্পদ বিবরণীতে চুমকি বোয়ালখালীতে থাকা খামারের মাছের ব্যবসা থেকে ২০০২ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে দেড় কোটি টাকা আয় দেখিয়েছেন। কিন্তু তা আয়কর রিটার্নে উল্লেখ নেই। চুমকি ভুয়া মাছের ব্যবসা দেখিয়েছেন।
দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রদীপের স্ত্রীর নামে থাকা গাড়ি, বাড়ি ও ব্যাংক হিসাব রাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে রাখার জন্য গত বছরের ২৯ জুন চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ নির্দেশ দেন। একই বছরের ১৫ ডিসেম্বর প্রদীপ ও চুমকির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এ মামলার বিচার শুরু হয়। ২৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। ১৮ জুলাই যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।
২০২০ সালের ৩১ জুলাই টেকনাফের বাহারছড়া তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান। এই হত্যা মামলায় প্রদীপসহ দুজনের মৃত্যুদণ্ড ও ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। গত ৩১ জানুয়ারি এই রায় দেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত। সূত্র –প্রথম আলো।
যে শহরের সবার আছে ব্যক্তিগত বিমান
ব্যক্তিগত বিমান থাকে হলিউডের তারকাদের। রোনাল্ডো-মেসিদের মতো কোটি কোটি টাকার খেলোয়াড়দের। এছাড়া এলন মাস্ক কিংবা বিল গেটসদের মতো ধনকুবেরদের পক্ষেই সম্ভব এতখানি স্বচ্ছলতা। কিন্তু এমন যদি হয়, একটি শহরের সকলেরই রয়েছে ব্যক্তিগত বিমান, দু’চাকা বা চার চাকার ধার ধারেন না কেউ! শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে তো? কিন্তু এই ঘটনা বাস্তব। আমেরিকার ক্যামেরন পার্ক শহরের সকলেই ব্যক্তিগত বিমানের মালিক।
শুনতে উদ্ভট লাগবে বটে, তবে ক্যালিফোর্নিয়ার এই ছোট্ট শহরে লোকে অফিস যান বিমানে চড়ে, সপ্তাহ শেষে ছুটি কাটাতে কাছাকাছি কোথাও যেতে হলেও বিমানেই উড়ান দেন। এই এলাকার বিশেষত্ব রয়েছে, ঐতিহাসিক বিশেষত্ব। সরকারি নথিতে সে শহর নয়, বরং ফ্লাই ইন রেসিডেন্সিয়াল কমিউনিটি । সেটা কী?
সে এক ইতিহাস! আসলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমেরিকার বহু বিমানবন্দর অচল হয়ে পড়ে। আসলে যুদ্ধের প্রয়োজনেই তা চালু হয়েছিল। একই কারণে বাড়ছিল অবসরপ্রাপ্ত বিমানচালকের সংখ্যা। যুদ্ধে অংশ নেওয়া সেই অবসরপ্রাপ্ত বিমানচালকদের কমিউনিটিই আসলে এই ফ্লাই ইন রেসিডেন্সিয়াল কমিউনিটি। প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেয়, বিমানবন্দর এলাকাতেই এক সময়ের বিমান চালাকদের থাকার ব্যবস্থা হবে। সেই ভাবনা থেকেই ১৯৬৩ সালে তৈরি হয় ক্যামেরন পার্ক। এককালে যার নাম ছিল ক্যামেরন পার্ক এয়ারপোর্ট।

ক্যামারন পার্কের প্রতিটি পরিবারের কোনও না কোনও সদস্য এক সময়ে বিমানচালক ছিলেন। তাঁদের সন্তানরাই পরিবর্তী নাগরিক। বিমানবন্দর যাঁদের পাড়া, বিমানচালক যাঁদের বাবারা, তাঁদের বিমান চালানোর ইচ্ছে হওয়াই স্বাভাবিক। তাই হয়েছে। ফলে পরবর্তী প্রজন্মও উড়ানে ওস্তাদ। বিমান যে শহরের প্রাইভেট কার, সেখানকার রাস্তাঘাটের বিশেষত্ব থাকা স্বাভাবিক। ফলে এই শহরে অলিগলি কিংবা ছোট-বড় রাস্তা বলে কিছু নেই। একটিমাত্র পথ, যা আদতে রানওয়ে। শহরকে দুই ভাগে ভাগ করে সেই রানওয়ে এসে মিশেছে যে রাস্তায় সেই রাস্তাটিও ১০০ ফুট প্রশস্ত। ফলে অনায়াসে ওঠানামা করতে পারে বিমান।
আর পাঁচটা শহরে বাস-ট্যাক্সি বা ব্যক্তিগত যানবাহান যেভাবে চলে, এ শহরে বিমান চলে সেভাবেই। গাড়ির গ্যারাজের মতোই প্লেন রাখার জায়গা আছে বাড়িগুলির সামনে। পুরোনো আমলের ঐতিহ্যবাহী গাড়ির প্রদর্শনীর প্রচলন আছে বিশ্বের বহু শহরে। ক্যামেরন পার্কে প্লেনের প্রদর্শনী হয়। বছরে এক দিন রানওয়ে বরাবর সার দিয়ে দাঁড়ায় বিভিন্ন মডেলের বিমান। রানওয়ে ধরে একসঙ্গে সেই সব বিমানের উড়ান নেওয়ার দৃশ্য দেখার মতো। হাতে গোনা ১২৪টি বাড়ির শহর সত্যি অনন্য, অবাক করা। সংবাদ প্রতিদিন।
মিয়ানমারে সু চির দলের চার গণতন্ত্রপন্থী কর্মীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী ও শান্তিতে নোবেলজয়ী অং সান সু চির দলের সাবেক এক আইনপ্রণেতা এবং স্বনামধন্য এক অধিকারকর্মীসহ চার কারাবন্দীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে দেশটির জান্তা। সোমবার মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে। কয়েক দশকের মধ্যে দেশটিতে প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা এটি। খবর এএফপি,প্রথম আলো।
গত বছর অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতা দখলের পর ভিন্নমতাবলম্বীদের দমন-পীড়নের অংশ হিসেবে বেশ কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয় জান্তা। সোমবার রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমারের প্রতিবেদনে বলা হয়, নৃশংস ও অমানবিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দেওয়ায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। কারাবিধির আওতায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে কখন ও কীভাবে এই চার ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলো, তা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেনি সংবাদপত্রটি।
সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) সাবেক আইনপ্রণেতা ফিয়ো জেয়া থ–কে জানুয়ারিতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। গত বছরের নভেম্বরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সরকারি বাহিনীর ওপর বেশ কয়েকটি হামলার পরিকল্পনা করার অভিযোগ আনা হয়েছিল ফিয়ো জেয়া থ-র বিরুদ্ধে। এর মধ্যে গত বছরের আগস্টে ইয়াঙ্গুনে একটি কমিউটার ট্রেনে বন্দুক হামলার ঘটনাটিও আছে। ওই হামলায় পাঁচ পুলিশ সদস্য নিহত হন।
গণতন্ত্রপন্থী অধিকারকর্মী কিয়াও মিন ইয়ুকেও সামরিক ট্রাইব্যুনালে একই সাজা দেওয়া হয়।
অপর দুই ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল ইয়াঙ্গুনে এক নারীকে হত্যার দায়ে। তাঁদের অভিযোগ, ওই নারী জান্তার জন্য তথ্যদাতা হিসেবে কাজ করছিলেন।
মিয়ানমারে কয়েক দশক ধরে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা বন্ধ ছিল। তবে গত মাসে জান্তা ঘোষণা করেছিল, তারা এই চারজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে চায়। সে সময়ই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রচণ্ড সমালোচনার মধ্যে পড়েছিল তারা।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস মিয়ানমার জান্তার সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছেন। এ সিদ্ধান্তকে মানুষের জীবনযাপন, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার অধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৯৮৮ সালের পর মিয়ানমারে প্রথমবারের মতো মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের এ ঘটনার ধারাবাহিকতায় আরও অনেক ফাঁসি কার্যকর হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা আরও বলেছেন, জান্তার সামরিক আইন অনুযায়ী ২৩টি ‘অনির্দিষ্ট ও ব্যাপকভাবে সংজ্ঞায়িত অপরাধের ঘটনায়’ মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতে পারে। অর্থাৎ সেনাবাহিনীর যেকোনো ধরনের সমালোচনাকেও এর অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষজ্ঞ রিচার্ড হোরসি এক টুইটার পোস্টে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের এ ঘটনাকে জঘন্য কর্মকাণ্ড বলে উল্লেখ করেছেন।
পৌনে ছয় কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে বাংলালিংক ও যমুনা ব্যাংককে সাকিবের লিগ্যাল নোটিশ
চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ছবি ও ব্র্যান্ড ইমেজ ব্যবহার করার অভিযোগে বেসরকারি যমুনা ব্যাংক ও মোবাইল অপারেটর বাংলালিংকের কাছে ক্ষতিপূরণ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। নোটিশে দুই প্রতিষ্ঠানের কাছে ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে মোট পাঁচ কোটি ৮০ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
রবিবার (২৪ জুলাই) আইনজীবী ব্যারিস্টার আশরাফুল হাদী ডাকযোগে এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন। সাত দিনের সময় দিয়ে পাঠানো এই নোটিশে বলা হয়েছে, এ সময়ের মধ্যে বাংলালিংক ও যমুনা ব্যাংকের এটিএম বুথসহ বিভিন্ন জায়গায় সাকিব আল হাসানের ছবি, ব্র্যান্ড, স্বাক্ষর সংবলিত ছবি তুলে নিতে হবে। অন্যথায় আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, সাকিব আল হাসানের বিখ্যাত ব্র্যান্ড ইমেজ নিজেদের ব্যবসায়িক কাজে সীমিত ব্যবহারের জন্য বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশন লিমিটেডের সঙ্গে ২০১৪ সালের ২১ জানুয়ারি চুক্তি হয়। শর্ত অনুযায়ী ২০১৬ সালের ২০ জানুয়ারি চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়, কিন্তু এরপরও প্রতিষ্ঠানটি সাকিব আল হাসানের ছবি, ব্র্যান্ড, স্বাক্ষর সংবলিত ছবি ব্যবহার করায় এ নোটিশ দেয়া হলো।
আইনজীবী আশরাফুল হাদী বলেন, “চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও, শর্ত ভঙ্গ করে ছবি, ব্র্যান্ড ব্যবহার করায় আইনভঙ্গ হয়েছে। এ জন্য পাঁচ কোটি ৮০ লাখ ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সাকিব আল হাসানের ছবি, ব্র্যান্ড প্রচার থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।”











