ঢাকা   , ,     

Home Blog Page 37

স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি আজাদ, সাহেদসহ ৬ জনের বিচার শুরু

0

রিজেন্ট হাসপাতাল ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন ঢাকার একটি আদালত।
মামলায় অপর ৫ আসামি হচ্ছেন সাবেক পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. আমিনুল হাসান, উপপরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. মো. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. মো. শফিউর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রিসার্চ অফিসার ডা. মো. দিদারুল ইসলাম এবং রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহেদ করিম।
আজাদ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অপর ৪ জন জামিনে রয়েছেন এবং শাহেদ জেলে আছেন। ঢাকার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান অভিযোগ পড়ে শোনানোর পর আসামিদের সবাই নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন এবং ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর জানান, এর আগে তাদেরকে মামলার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দে জন্য জমা দেওয়া আবেদন খারিজ করে দেন বিচারক।
বিচারক মামলার বিচার শুরুর জন্য ৪ জুলাই দিন ধার্য করেছেন।

২২০০ কোটি টাকা ঋণ খেলাপি : আরএসআরএমের এমডি মাকসুদুর গ্রেপ্তার

0

বিপুল অংকের দেনার চাপে বন্ধ হয়ে যাওয়া রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিলের (আরএসআরএম) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাকসুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।
বুধবার রাতে ঢাকার গুলশান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়ার সময় ক্যামেরা এড়াতে পরনের পাঞ্জাবি দিয়ে মুখ ঢাকতে দেখা যায় তাকে।
মাকসুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করতে বুধবার রাত ১১টার দিকে গুলশান-২ নম্বর সেকশনের ১২২ নম্বর সড়কে একটি বাসায় অভিযান শুরু করে র‌্যাব। দুই ঘণ্টা পর তাকে গাড়িতে তুলে ওই বাড়ি থেকে নিয়ে যেতে দেখা যায়।
র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, “রতনপুর গ্রুপের এমডি মাকসুদুর রহমান দেশের অন্যতম শীর্ষ ঋণখেলাপি। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় চট্টগ্রামের আদালত তার বিরুদ্ধে দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। এর একটিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হল।
১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত আরএসআরএম এক সময় ছিল চট্টগ্রামের ইস্পাত খাতের নামী কোম্পানি। ৪০ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া পড়ায় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) আরএসআরএম গ্রুপের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ফলে ২০২১ সালের শুরু থেকেই এ কারখানা বন্ধ রয়েছে।
সংবাদমাধ্যমে আসা প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ব্যবসা করার জন্য ঋণ নিয়ে তা শোধ না করায় আরএসআরএমের কাছে দশটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পাওনা দাঁড়িয়েছে ২২০০ কোটি টাকা। ওই পাওনা আদায়ে কোম্পানি এবং এর কর্ণধারদের বিরুদ্ধে অন্তত ২০টি মামলা হয়েছে।
এর মধ্যে জনতা ব্যাংকের দায়ের করা দুটি এনআই অ্যাক্টের মামলায় মাকসুদুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।
জনতা ব্যাংকের ৩১৩ কোটি টাকা ঋণ শোধ না করায় চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি মাকসুদুরের দেশত্যাগেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
আরএসআরএমের কাছে সোনালী ব্যাংকের পাওনা ২০১ কোটি টাকা। ওই টাকা আদায় করতে না পেরে চলতি বছরের জানুয়ারিতে চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকায় আরএসআরএমের কারখানাসহ ১০০ শতক জমি নিলামে তোলার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। সূত্র- বিডি নিউজ।

আ্ওয়ামী লীগ নেতা টিপু হত্যা: ওমানে গ্রেপ্তার মুসাকে আনা হল দেশে

0

মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু এবং কলেজ ছাত্রী সামিয়া আফনান প্রীতি হত্যার অন্যতম সন্দেহভাজন সুমন শিকদার মুসাকে ওমান থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের এনসিবি ডেস্কের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) মহিউল ইসলাম জানান, ওমানে গ্রেপ্তার মুসাকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দেশে নিয়ে আসা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে ওই ফ্লাইট চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় এলেও খারাপ আবহাওয়ায় নামতে না পেরে আবার চট্টগ্রামে ফিরে গেছে। আবহাওয়া ভালো হলেই মুসাকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
কূটনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে মুসাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহিদুর রহমান, অতিরিক্ত উপকমিশনার রফিকুল ইসলাম এবং পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফয়েজ উদ্দীন ওমানে গিয়েছিলেন। বুধবার রাতে তারা মুসাকে নিয়ে দেশের পথে রওনা হন।
এ মামলার তদন্তে মুসার নাম আসার পর তাকে ধরতে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের সহযোগিতা চেয়েছিল বাংলাদেশের পুলিশ। এর ভিত্তিতে ইন্টারপোল ১২ মে ওমানে গ্রেপ্তার করে মুসাকে।
বাংলাদেশের হয়ে ইন্টারপোলের সঙ্গে যোগাযোগের দায়িত্ব পুলিশ সদর দপ্তরের এনসিবি ডেস্কের। তারা মুসার গ্রেপ্তারের বিষয়ে নিশ্চিত হয় ২৬ মে। এরপর গত ৩ জুন এনসিবি ডেস্কের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) মহিউল ইসলাম মুসার ধরা পড়ার তথ্য সংবাদমাধ্যমকে জানান।
মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক টিপু সড়কে গাড়িতে থাকা অবস্থায় গত ২৪ মার্চ রাতে খিলগাঁও রেলগেইটের কাছে আক্রান্ত হন। মোটর সাইকেলে আসা এক ব্যক্তি যানজটে আটকে পড়া টিপুর গাড়ির কাছে এসে তাকে গুলি করে।
সে সময় গাড়ির পাশে রিকশার আরোহী কলেজছাত্রী প্রীতিও গুলিবিদ্ধ হন। হাসপাতালে নিলে দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
হত্যাকাণ্ডের পর টিপুর স্ত্রী স্থানীয় নারী ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফারহানা ইসলাম ডলি যে মামলা করেছেন, তাতে আসামির তালিকায় কারও নাম উল্লেখ করা ছিল না।
পরে ২৬ মার্চ রাতে বগুড়া থেকে মাসুম মোহাম্মদ ওরফে আকাশ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই ব্যক্তিই টিপুকে গুলি করেছিলেন। পরে আরফান উল্লাহ দামাল নামে আরও একজনকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয় কমলাপুর থেকে।
এরপর ২ এপ্রিল মুসার ভাই সালেহ শিকদার ওরফে শুটার সালেহ, মতিঝিল থানার ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুকসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করার কথা জানায় র‌্যাব।
র‌্যাব সে সময় বলেছিল, চাঁদাবাজি ও দরপত্র নিয়ে আধিপত্যের দ্বন্দ্ব, রিয়াজুল হক মিল্কী হত্যার বদলা এবং বোঁচা বাবু হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে টিপুকে হত্যার পরিকল্পনা করেন ওমর ফারুকসহ স্থানীয় কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা। বাজেট ছিল ১৫ লাখ টাকা।
তদন্তকারীদের ভাষ্য, মুসা ‘রাজনীতি ও অপরাধজগতের মধ্যে যোগসূত্র’ হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। ঢাকা ও দুবাইয়ের অপরাধজগতের মধ্যেও সংযোগের সমন্বয় করতেন তিনি।
হত্যাকাণ্ডের ১২ দিন আগেই মুসা দুবাই চলে যান। হত্যা পরিকল্পনা এবং যাবতীয় নির্দেশনা সেখান থেকেই দেয়া হয়। হত্যাকাণ্ডের পর দুবাইতে বার্তা যায় ‘কাজ শেষ’।
এরপর মুসা দুবাই থেকে ওমানে গেছেন বলে গত মাসেই সংবাদপত্রে খবর আসে। পুলিশ সদরপ্তরও মুসার দুবাই থেকে ওমান যাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করে।
এদিকে বাংলাদেশের পুলিশও মুসাকে ধরার জন্য ইন্টারপোলের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে। সেই প্রক্রিয়াতেই সাফল্য এসেছে বলে পুলিশ কর্মকর্তাদের ভাষ্য।খবর –বিডি নিউজ ।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সাংবাদিক ফজলে এলাহীর জামিন

0

রাঙ্গামাটিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেফতার সাংবাদিক ফজলে এলাহীর জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বুধবার (৮ জুন) দুপুর ১টার দিকে রাঙ্গামাটি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ফাতেমা বেগম মুক্তা তার জামিন মঞ্জুর করেন।
ফজলে এলাহী দৈনিক পার্বত্য চট্টগ্রাম ও পাহাড় টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক। একই সঙ্গে তিনি দৈনিক কালের কণ্ঠ, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, এনটিভি ও ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর জেলা প্রতিনিধি।
রাঙ্গামাটি জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম ফজলে এলাহীর জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনালে সাত কার্যদিবসের মধ্যে উপস্থিত হওয়ার শর্তে ফজলে এলাহীকে জামিন দেয়া হয়েছে।’
গতকাল মঙ্গলবার (৭ জুন) সন্ধ্যায় সাংবাদিক ফজলে এলাহীকে ডিজিটাল নিরাপত্তার আইনের মামলায় গ্রেফতার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। চট্টগ্রামের সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে করা এ মামলার বাদী জেলা মহিলা আওয়ামী সভাপতি ও সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনুর মেয়ে নাজনীন আনোয়ার নিপূণ। ২০২১ সালে চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তার বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়।

রাষ্ট্রদ্রোহিতাসহ ১১ মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি ২০ সেপ্টেম্বর

0

রাষ্ট্রদ্রোহিতাসহ ১১টি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ২০ সেপ্টেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।
বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ শুনানি মুলতবি করে এ আদেশ দেন।
অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল জানিয়েছেন, বিভিন্ন কারণ উল্লেখ করে জমা দেয়া পৃথক আবেদন আমলে নিয়ে আদালতে এই আদেশ দেন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ১১টি মামলার মধ্যে ২০১৫ সালের প্রথম ৩ মাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ১০টি মামলা দায়ের হয়। অন্য মামলাটি মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করার অভিযোগে। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্যাটকো, নাইকো ও বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে ৩টি মামলা ঢাকার আরও ৩টি আদালতে বিচারাধীন।
এছাড়া জাতীয় পতাকা অবমাননা ও ১৫ আগস্ট ‘ভুয়া জন্মদিন’ পালনের অভিযোগে দায়ের করা দুটি মামলা ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন।
বিএনপির লাগাতার আন্দোলনের সময় অগ্নিসংযোগের ঘটনায় হুকুমের আসামি করে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানায় তার বিরুদ্ধে ৩টি মামলা হয়।

অবসরের পর আমৃত্যু বিশেষ ভাতাসহ নানা সুযোগ সুবিধা পাবেন প্রধান বিচারপতি, সংসদে বিল উত্থাপন

0

অবসরের পর প্রধান বিচারপতির জন্য মাসে ৭০ হাজার টাকা বিশেষ ভাতার বিধান রেখে একটি আইনের খসড়া সংসদে উঠেছে। মঙ্গলবার আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (ছুটি, পেনশন ও বিশেষাধিকার) বিল-২০২২’ সংসদে উত্থাপন করেন।
পরে ৩০ দিনের মধ্যে বিলটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিলটি সংসদে তোলার অনুমতি চাইলে বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ তাতে আপত্তি করেন।
অবশ্য পরে তিনি বলেন, বিল নিয়ে তার আপত্তি নেই। ১৯৮২ সালে সামরিক আমলে অধ্যাদেশ দিয়ে এ সংক্রান্ত আইন করা হয়েছিল। সেটি বাতিল করে বাংলায় নতুন আইন করতে বিলটি আনা হয়েছে।
খসড়া আইনে বলা হয়েছে, অবসরের পর প্রধান বিচারপতি তার জীবদ্দশায় গৃহসহায়ক, গাড়িচালক, দারোয়ান সেবা, সাচিবিক সহায়তা এবং অফিস কাম বাসভবনের রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা পাবেন। এই ব্যয় নির্বাহের জন্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি প্রতি মাসে ৭০ হাজার বিশেষ ভাতা পাবেন।
সর্বশেষ ২০১৬ সালে বিচারকদের বেতন ও ভাতা বাড়ানো হয়। বর্তমানে প্রধান বিচারপতি এক লাখ ১০ হাজার টাকা, আপিল বিভাগের বিচারক এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা এবং হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক ৯৫ হাজার বেতন পান। এছাড়া বেতনের ৫০ শতাংশ হারে বিশেষ ভাতা পান তারা।
বিলে বলা হয়েছে, একজন বিচারককে তার মোট কর্মকালীন ছুটির শর্ত অনুযায়ী অর্ধ গড় বেতনে মোট ৩৬ মাসের অধিক ছুটি মঞ্জুর করা যাবে না। কোনো বিচারকের প্রকৃত কর্মকালের এক-চব্বিশাংশ মেয়াদ পর্যন্ত তাকে পূর্ণ গড় বেতনে ছুটি মঞ্জুর করা যাবে। পূর্ণ গড় বেতনে ছুটি এককালীন পাঁচ মাস এবং অন্য ছুটি এককালীন ১৬ মাসের বেশি মঞ্জুর করা যাবে না। কোনো বিচারক পূর্ণ গড় বেতনে ছুটিতে থাকাকালে নির্ধারিত মাসিক বেতনের সমান হারে ছুটিকালীন বেতন প্রাপ্য হবেন। কোনো বিচারক অনভিপ্রেত কোনো আঘাতের কারণে অথবা দায়িত্ব পালনকালে আহত হয়ে কাজ করতে অক্ষম হলে বিশেষ অক্ষমতাজনিত ছুটি প্রাপ্য হবেন।
বিলে আরো বলা হয়েছে, বিচারকদের পেনশন ও আনুতোষিক মঞ্জুর করার এখতিয়ার থাকবে রাষ্ট্রপতির হাতে। অবসরে যাওয়া বিচারকরা উৎসব ও বাংলা নববর্ষ ভাতা পাবেন। কোনো বিচারক অনুমোদিত ছুটি বা অবকাশের অতিরিক্ত অনুপস্থিতিকালের জন্য কোনো বেতন প্রাপ্য হবেন না।
বিলে উচ্চ আদালতের বিচারকদের ছুটি, ছুটি নগদায়ন, আনুতোষিক ও পারিবারিক পেনশন, ভবিষ্য তহবিল ও পেনশন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিধান সম্পর্কে বলা হয়েছে।
এদিন আইনমন্ত্রী বিলটি সংসদে তোলার অনুমতি চাইলে বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ বলেন, বিচারকদের আরো সুযোগ দেন। আরো বিচারক নিয়োগ দেন। বিচারপ্রার্থী বিচার পেতে পেতে মারা যাচ্ছে। কিছুদিন আগে দেখলাম, হাজী সেলিম ১০ বছরের দণ্ডিত হয়ে বিদেশে গেলেন চিকিৎসা করতে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আর আইনমন্ত্রী কথা বললেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী (খালেদা জিয়া) বিদেশে চিকিৎসার জন্য আবেদন করেছেন, বলেছেন সুযোগ নেই। বিরোধী দলের কর্মসূচি পালনের অধিকার আছে কিনা? আপনারা কর্মসূচি করছেন; এখানে বৈষম্য হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশকে কী সভ্য, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বলতে পারব? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক নারীকে যেভাবে নিপীড়ন করেছে। ছাত্রলীগ নামধারী গুণ্ডারা যা করেছে, আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। আইন তৈরি করছেন, মানুষের জন্য করছেন তো? আইনের ব্যাপারে আপত্তি নেই। কিন্তু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশে বড় সংকট সুশাসনের।
জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, দুঃখে কাঁদবো না হাসবো- বুঝতে পারছি না। আমাকে আপনার (স্পিকার) মাধ্যমে তিনি যে জ্ঞান দিলেন, আমার না হয় কাজে লাগবে। কিন্তু উনার কতটুকু কাজে লাগবে জানি না। পঁচাত্তরে জাতির পিতার হত্যার পর বিচার হয়েছিল? ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ করে বিচার পাওয়ার পথ বন্ধ করেছিলেন। উনারা বলবেন খন্দকার মোশতাক করেছিলেন। তারপর আপনারা ক্ষমতায় ছিলেন। ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ তুলে নিয়েছিলেন? আমাকে বিচার শেখাচ্ছেন। এইসব জ্ঞান উনাদের মিটিংয়ে দেন। আমাদের দেওয়ার দরকার নেই। সূত্র- আমাদের সময়।

আওয়ামীলীগ নেত্রীর দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় রাঙামাটিতে সাংবাদিক গ্রেপ্তার

0

আওয়ামীলীগ নেত্রীর দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের এক মামলায় রাঙামাটির সাংবাদিক ফজলে এলাহীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাঙামাটির তবলছড়ি এলাকার বাসা থেকে ফজলে এলাহীকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
কোতোয়ালি থানার ওসি কবির হোসেন জানান, “২০২১ সালে করা একটি মামলায় চট্টগ্রামের সাইবার ট্রাইব্যুনালের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে উনাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উনাকে কাল (বুধবার) সকালে আদালতে তোলা হবে।”
স্থানীয় অনলাইন পোর্টাল পাহাড় টোয়েন্টিফোর ডটকমে ২০২১ সালে প্রকাশিত একটি সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে ওই এলাকার সাবেক নারী সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনুর মেয়ে নাজনিন আনোয়ার এই মামলা করেন। চিনু বর্তমানে রাঙামাটি জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি।
পাহাড় টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক ফজলে এলাহী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, কালের কণ্ঠ ও এনটিভির রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি।
ফজলে এলাহীকে গ্রেপ্তারের খবর শুনে থানা চত্বরে উপস্থিত হন রাঙামাটির সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। রাঙামাটি সাংবাদিক সমিতির নেতারা ফজলে এলাহীর মুক্তি দাবি করেছেন।
সাংবাদিক ফজলে এলাহীকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানিয়েছে ছাত্র ইউনিয়নের রাঙামাটি জেলা শাখা। এক বিবৃতিতে তারা ‘হয়রানিমূলক’ মামলা প্রত্যাহার করে ফজলে এলাহীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন।

আর ১১ বার সময় নিলেই সাগর রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সেঞ্চুরি পূর্ণ হবে

0

আর ১১ বার সময় নিলেই সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময়ের সেঞ্চুরি পূর্ণ হবে। মঙ্গলবার তদন্তকারি কর্মকর্তার আবেদনের পর ৮৯তম বারের মতো সময় দেয়া হয়েছে। আগামী ১৯ জুলাই এ মামলার প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৭ জুন) র‌্যাব প্রতিবেদন দাখিল না করায় নতুন এ দিন ধার্য করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারী।
আদালতের নথি বলছে, এ নিয়ে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য আদালত ৮৯ বার সময় বাড়িয়ে দিয়েছেন।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রæয়ারী রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রনি তাদের ভাড়া বাসায় খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। হত্যাকাÐের সময় বাসায় ছিল তাঁদের সাড়ে চার বছরের ছেলে মাহির সরওয়ার মেঘ।
সাগর-রুনি হত্যার ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম বাদী হয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। প্রথমে এই মামলার তদন্ত করছিল শেরেবাংলা নগর থানা-পুলিশ। চার দিন পর মামলার তদন্তভার ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার ৬২ দিনের মাথায় ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্টে ব্যর্থতা স্বীকার করে ডিবি। এরপর আদালত র‌্যাবকে মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দেন। তখন থেকে মামলাটির তদন্ত করছে র‌্যাব। তবে এখন পর্যন্ত তা আলোর মুখ দেখেনি। কোনো রহস্যই উদঘাটন করতে পারেনি আইনশৃংখলা বাহিনী।

হাজী সেলিমের জামিন চেম্বার আদালতেও হয় নি

0

দুর্নীতির মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের জামিন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতেও হয়নি। জামিন না দিয়ে আবেদনটি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছেন চেম্বার আদালত। হাজী সেলিমের লিভ টু আপিল এবং জামিন আবেদনের ওপর শুনানির জন্য ১ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়েছে।
সোমবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন। আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।
গত ২৪ মে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় জামিন আবেদন করেছিলেন হাজী সেলিম। তার আগে গত ২২ মে হাইকোর্টের রায় অনুসারে বিচারিক আদালেত আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলাম তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ৯ মার্চ অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় হাজী সেলিমকে বিচারিক আদালতের দেওয়া ১৩ বছর সাজা কমিয়ে ১০ বছর কারাদণ্ড বহাল রেখে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেন বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী এবং বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ।
রায়ে তিন বছরের দণ্ড থেকে খালাস পান হাজী সেলিম। রায়ের কপি পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়।
২০০৭ সালের ২৪ অক্টোবর হাজী সেলিমের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছিল দুদক। এরপর দুদক মামলাটিতে চার্জশিট দাখিল করে। জ্ঞাত আয়বহির্ভূতভাবে প্রায় ২৬ কোটি ৯২ লাখ ৮ হাজার টাকার সম্পদ অর্জন ও প্রায় ১০ কোটি ৪ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগের এ মামলায় ২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল রায়ে তার একটি ধারায় ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়।
অপর ধারায় তিন বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া অবৈধ সম্পদ অর্জনে হাজী সেলিমকে সহযোগিতা করার দায়ে তার স্ত্রী গুলশান আরাকে তিন বছরের কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
২০০৯ সালের ২৫ অক্টোবর হাজী সেলিম ও তার স্ত্রী গুলশান আরা বেগম এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন। ২০১১ সালের ২ জানুয়ারি হাইকোর্ট ১৩ বছরের সাজা বাতিল করে রায় দেন।
হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগে আপিল করে দুদক। আপিলের শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি হাইকোর্টের রায় বাতিল হয়ে যায়। সেই সঙ্গে হাজী সেলিমের আপিল পুনরায় হাইকোর্টে শুনানির নির্দেশ দেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। সেই নির্দেশনার আলোকে গত বছর ৯ মার্চ হাইকোর্ট বিচারিক আদালতের রায় বহাল রেখে রায় ঘোষণা করেন।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সাহেদের বিচার শুরু

0

করোনা ভাইরাসের সনদ নিয়ে জালিয়াতি ্ও প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিচার কাজ শুরু হয়েছে। সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালতে অভিযোগকারীর জবানবন্দির মধ্য দিয়ে এই বিচার শুরু হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবী সাক্ষীকে আংশিকভাবে জেরা করেন এবং তাদের জেরা সম্পন্ন না হওয়ায় বিচারকাজ মুলতবি করার আবেদন করেন। আগামী ২৭ জুন মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন বিচারক।