ঢাকা   , ,     

Home Blog Page 95

প্রতি্বন্ধীদের হেয় করায় ফরিদুর রেজা সাগর-শাইখ সিরাজ-ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে মামলা

0

একটি নাটক এবং টেলিভিশনের একটি আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও প্রতিবন্ধিতা নিয়ে ‘নেতিবাচক, ভ্রান্ত ও ক্ষতিকর’ ধারণা এবং শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে ঢাকা সিএমএম আদালতে চ্যানেল আইর এমডিসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করা হয়েছে।
বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আবু বকর ছিদ্দিকীর আদালতে মামলার ওপর শুনানি করে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী জীবনানন্দ চন্দ জয়ন্ত সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
বশির আল হোসাইন নামের এক প্রতিবন্ধী অধিকার কর্মী মামলা দুটির আবেদন করেন। একটি মামলা দায়ের করা হয় ‘ঘটনা সত্য’ নামের একটি নাটক নিয়ে, যা চ্যানেল আইয়ের ঈদুল আজহার অনুষ্ঠানে গত ২৩ জুলাই প্রচার করা হয়েছিল।

ওই মামলায় আসামি করা হয়েছে চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ, নাটকের চিত্রনাট্যকার মঈনুল সানু, পরিচালক রুবেল হাসান, অভিনেতা আফরান নিশো, অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরীকে।
অপর মামলা করা হয়েছে চ্যানেল আইয়ের আলোচনা অনুষ্ঠান ‘টু দ্য পয়েন্ট’ এর ১১ জুলাইয়ের পর্ব নিয়ে, যেখানে একজন আলোচকের কথায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়ে ‘নেতিবাচক ধারণা’র প্রকাশ ঘটেছে বলে অভিযোগ। ওই মামলায় আসামি করা হয়েছে ফরিদুর রেজা সাগর, শাইখ সিরাজ, অনুষ্ঠান পরিকল্পনাকারী জাহিদ নেওয়াজ খান, প্রযাজক রাজু আলিম, উপস্থাপক সোমা ইমলাম এবং আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকা ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমনকে।
মামলা দুটির বাদী বশির আল হোসাইন, সকল সাক্ষী এবং আইনজীবী মোহাম্মদ রেজাউল করিম সিদ্দিকী সকলেই প্রতিবন্ধী ব্যক্তি বলে জানান আইনজীবী।
নাটকের মামলার অভিযোগে বলা হয়, ‘ঘটনা সত্য’ নাটকে দেখানো সংলাপে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও তাদের বাবা মা ও পরিবারকে ‘ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেয়া হয়েছে।’
আর দ্বিতীয় মামলায় বাদীর অভিযোগ ‘টু দ্য পয়েন্ট’ অনুষ্ঠানে আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিলের খেলা প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমনের একটি মন্তব্য নিয়ে। সেখানে অভিযোগ করা হয়, ওই টকশোতে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘আমার নিজের ছেলেটারে প্রতিবন্ধী বানাইয়া রাইখা আমি এখন আর্জেন্টিনার ছেলে এবং ব্রাজিলের ছেলে নিয়া লাফাচ্ছি। লাফানো ঠিক আছে। আমরা অনেক ছোটবেলা থেকে ম্যারাডোনার ভক্ত, কিন্তু নিজের ছেলেটারে এভাবে প্রতিবন্ধী বানাব?’
দেশের ফুটবল খেলার মানের অবনতি, দুর্বল ব্যবস্থাপনা, ব্যর্থতা ও অবস্থার সঙ্গে তুলনা করে ‘প্রতিবন্ধী বানাইয়া রাইখা’ এবং ‘এভাবে প্রতিবন্ধী বানাব’ শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে গণমাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও প্রতিবন্ধিতা সম্পর্কে ‘নেতিবাচক, ভ্রান্ত ও ক্ষতিকর’ ধারণা দেওয়া হয়েছে বলে বাদীর অভিযোগ।
তিনি মামলার অভিযোগে বলেছেন, এ ধরনের নেতিবাচক শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইনের ‘স্পষ্ট লঙ্ঘন’ হয়েছে।

হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এন্টিবায়োটিক উৎপাদন: স্বাস্থ্য সচিব,ডিজিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

0

জিএমপি অনুসরন না করে ,হাইকোর্টের রায় অমান্য করে বরিশালের ইন্দো বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস নামের একটি ওষুধ কোম্পানী এন্টিবায়োটিক উৎপাদন ও বিক্রি করায় স্বাস্থ্য সচিবসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেছে হাই কোর্ট।
বাকিরা হলেন- ওষুধ প্রশাসনের মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক,ইন্দো বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এফ এম আনোয়ারুল হক।
এন্টিবায়োটিক উৎপাদনের ক্ষেত্রে ওষুধ কোম্পানিগুলোর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিস’ (জিএমপি) নীতি অনুসরণ এবং জিএমপি অনুসরণের সক্ষমতা অর্জনের ভিত্তিতে অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদনের অনুমোদন সংক্রান্ত রায় অমান্য করায় তাদের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভযোগ আনা হবে না তা চার সপ্তাহের মধ্যে জানতে চাওয়া হয়েছে।
এ সংক্রান্ত এক আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের ভার্চুয়াল বেঞ্চ বুধবার এ রুল জারি করেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
এ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ জানান, “আদালতের নির্দেশ অমান্য করে এন্টিবায়োটিকের উৎপাদন চালিয়ে গেলেও ইন্দো বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসের বিরুদ্ধে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর বা অন্যান্যরা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।”
জিএমপি অনুসরণ না করে এন্টিবায়োটিক উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধে ২০১৬ সাল মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) হাই কোর্টে জনস্বার্থে মামলা করে।
ওই মামলার শুনানি শেষে আদালত ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট ইন্দো বাংলা ফর্মাসিউটিক্যালসসহ ২০টি ওষুধ কোম্পানির মানহীন ওষুধ উৎপাদনে নিষেধাজ্ঞা দেয়। পাশাপাশি ১৪টি কোম্পানিকে এন্টিবায়োটিক উৎপাদন বন্ধের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।
সেই সাথে ৩৪টি কোম্পানির অনুমোদন বাতিলে ‘বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা’ কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং এসব কোম্পানির লাইসেন্স ও এন্টিবায়োটিক উৎপাদনের অনুমোদন কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করা হয়।
চার কোম্পানি এর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে গেলেও হাই কোর্টের আদেশই বহাল থাকে।
পরবর্তীতে রুল শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি আদালত রায় দেয়। রায়ে মানসম্পন্ন ওষুধ উৎপাদনে ‘ব্যর্থ’ ২০ কোম্পানির সব ওষুধ এবং ১৪টি কোম্পানির এন্টিবায়োটিক উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ দেয় হাই কোর্ট।
এসব কোম্পানি গোপনে ওষুধ তৈরি বা বিক্রি করছে কি না এবং কোম্পানিগুলোর সর্বশেষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সরকারের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে প্রতি তিন মাস পর পর আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয় রায়ে।
যে ১৪টি কোম্পানির এন্টিবায়োটিক উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল হাই কোর্ট তার মধ্যে বরিশালের ইন্দো বাংলা ফর্মাসিউটিক্যালসও ছিল।
আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে এই ওষুধ কোম্পানিটি ফের এন্টিবায়োটিক উৎপাদন করছে, সম্প্রতি এমন খবর প্রকাশ হলে বিবাদিদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনতে এইচআরপিবির পক্ষ থেকে হাই কোর্টে আবেদন করা হয়।
বুধবার সে আবেদনের শুনানি করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননরা রুল জারি করে হাই কোর্ট।

দেড় বছর পর খুলে দেয়া হলো সব অধস্তন আদালত, স্বাভাবিক বিচারকাজ চলবে

0

দেশের সব অধস্তন আদালতে স্বাভাবিক বিচারকাজ চলবে। তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চুয়ালি অথবা শারীরিক উপস্থিতিতে দেশের সব অধস্তন আদালত-ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্যগ্রহণসহ স্বাভাবিক বিচার কাজ চালানোর সিদ্ধান্ত দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।
বুধবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। যা সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “দেশের সকল অধস্তন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত এবং ট্রাইব্যুনালে স্বাভাবিক বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।”
গত বছরের মার্চ মাসে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দেয়ার পর সরকারি সিদ্ধান্তে দেশের সব অফিস আদালত বন্ধ করে দেয়া হয়। পরে সংক্রমণ কিছু কমলে সীমিত পরিসরে অফিস আদালত খুললেও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে নি। এর মধ্যে আদালত কর্তৃক তথ্য প্রযুক্তি আইন করে ভার্চুয়ালি বিচারকাজ চালানো হয়। তবে নিম্ন আদালত প্রায় বন্ধই থাকে। করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে সরকার কঠোর লকডাউন ঘোষণা করলে হাইকোর্টেও ভার্চুয়াল বেঞ্চ সীমিত হয়ে যায়। আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থিদের কথা বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত অধস্তন আদালত খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হলো। আর পূর্ব ঘোষণা অনুয়ায়ী বুধবার থেকে হাইকোর্টের সব বেঞ্চে ভার্চুয়ালি বিচারকাজ শুরু হয়েছে।
প্রধানবিচারপতির নির্দেশনায় সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের জারি করা বিজ্ঞপ্তির ফলে অধস্তন আদালতে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলায় বিচারক এখন থেকে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে শারীরিক উপস্থিতিতে অথবা নির্ধারিত নিয়মে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে সব ধরনের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।
তবে শারীরিক উপস্থিতিতে সাক্ষ্যগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের নির্দেশনায়। এতে বলা হয়, স্বাস্থ্য বিধি মেনে সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব নিশ্টিত করে এবং সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে জেলা ও দায়রা জজ এবং চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সস্পাদকের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
এই আদেশ পালনে কোনো সমস্যা দেখা দিলে প্রয়োজনে সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশনা চাওয়া হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অধস্তন আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণ ছাড়া সব বিচারিক কাজ চালানোর সিদ্ধান্ত ছিল।
হাইকোর্টে ভার্চুয়ালি বিচারকাজ চলছেঃ
এদিকে বুধবার থেকে হাইকোর্টের সব বেঞ্চে ভার্চুয়ালি বিচারকাজ শুরু হয়েছে। কার্যতালিক্ অনুযায়ী ৫৩ টি বেঞ্চে বিচারকাজ হচ্ছে। এর মধ্যে ৩১ টি দ্বৈত বেঞ্চ এবং ২২ টি একক বেঞ্চ রয়েছে।

জমজ ১৯ শিশুকে ভিকারুননিসায় ভর্তি করতে হাইকোর্টের নির্দেশ

0

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে পৃথক ১৯টি পরিবারের জমজ ১৯ শিশুকে চলতি শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করতে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার এক শুনানি শেষে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি বিপুল বাগমার।
উল্লেখ্য, গত ৮ আগস্ট ভর্তির নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন প্রকৌশলী আবদুল্লাহ, কবির মাহমুদসহ ওই শিশুদের অভিভাবক।
পৃথক পরিবারের ১৯ জমজ (মোট ৩৮টি শিশু) শিশু ভর্তির আবেদন করে। তাদের মধ্যে প্রত্যেক পরিবারের একজন করে মোট ১৯ জন লটারির মাধ্যমে ভিকারুননিসা নুন স্কুলের প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হয়। অপর জমজ ১৯ জনকে ভর্তি করেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ। এ কারণে তাদের ভর্তি করার নির্দেশনার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন সংশ্লিষ্ট অভিভাবকরা। কিন্তু মন্ত্রণালয় থেকে সাড়া না পেয়ে রিট আবেদন দাখিল করা হয়।
ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান বলেন, প্রত্যেক পরিবারে জমজ বাচ্চারা সব সময় একসাথে থাকে। একসাথেই খেলাধুলা করে। তাদের চাওয়াও একইরকম। তারা প্রায় সব কাজে একজন আরেকজনকে অনুকরণ করে। এ কারণে তাদের সুস্থ মানসিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য একসাথে থাকাটা খুবই জরুরি। আলাদা থাকলে তারা মানসিক সমস্যায় ভোগে। তাদের যদি আলাদা কিছু দেওয়া হয় বা আলাদা পরিবেশে রাখা হয়, তারা এক ধরনের মানসিক সমস্যায় ভোগে। খারাপ প্রভাব পড়ে তাদের ওপর।
তিনি বলেন, ১৯টি পরিবারের ১৯টি শিশু ভর্তি হতে পেরেছে। আর ১৯টি শিশু ভর্তি হতে পারেনি। যারা ভর্তি হতে পারেনি তাদের সমস্যা হচ্ছে। এ কারণে রিট আবেদন করা হয়েছে। বাদ পড়াদের ভর্তির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বগুড়ায় মন্দিরে ঢুকে প্রতিমা ভাঙচুর

0

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার একটি কালীমন্দিরে রাতের আঁধারে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা জানান, সোমবার (৯ আগস্ট) দিবাগত রাতের কোনো একসময়ে দুর্বৃত্তরা মন্দিরে ঢুকে কালী ও শিব প্রতিমা ভাঙচুর করে বলে জানিয়েছেন তারা।
উপজেলার চণ্ডিজান দক্ষিণপাড়া কালীমন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দাস জানান, মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) সকালে মন্দিরে ঢুকে দেখি যে, বেদি থেকে কালীর প্রতিমা সরিয়ে মন্দিরের বাইরে ফেলে দেয়া হয়েছে। ভাঙচুর করা হয়েছে প্রতিমার বিভিন্ন অংশ। বেদিতে থাকা কালীর দুই সহচরী ডাকিনী-যোগিনী এবং শিবের প্রতিমাও ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা।
শেরপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, দুপুরে ঘটনা জানার পর মন্দির পরিদর্শন করেছি। এখানকার স্থানীয় সকল ধর্মের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণ অবস্থানে বসবাস করছেন ওই এলাকায়। এলাকার লোকজনও এরকম ঘটনায় বিস্মিত হয়েছেন।
কারা এই ঘটনার সাথে জড়িত, সেটি খতিয়ে দেখতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলেও জানান শেরপুর থানার ওসি।

পরীমনি কাণ্ডে থানায় সিটি ব্যাংকের জিডি

0

পরীমনি, মডেল পিয়াসা কাণ্ডে চাঁদাবাজি ও প্রতারণার আশঙ্কায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে সিটি ব্যাংক লি.। সোমবার ব্যাংকটির হেড অব কোর্ট অপারেশন গাজী এম শওকত হাসান রাজধানীর গুলশান থানায় এই জিডি করেন। জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান।
জিডিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন অভিনেত্রীর বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে কয়েকটি ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পেশার বেশ কিছু মানুষের জড়িত থাকার বিষয়ে তথ্য প্রচারিত হচ্ছে। এসব সংবাদের মধ্যে দ্য সিটি ব্যাংক লি.-এর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জড়িত রয়েছেন বলেও মিথ্যা তথ্য প্রচারিত হয়েছে। এই তথ্যকে পুঁজি করে সমাজের কিছু স্বার্থন্বেষী ব্যক্তি, অসাধু শ্রেণির প্রতারক ও চাঁদাবাজ শ্রেণির লোক বিচ্ছিন্নভাবে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাজেহাল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত আছে অথবা থাকতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
এরূপ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিবর্গ এবং একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে সিটি ব্যাংকের সুনাম ক্ষুন্ন করাসহ ব্যাংক থেকে অবৈধ উপায়ে অর্থ লাভের আশায় বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের হয়রানি করতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। অজ্ঞাতনামা স্বার্থান্বেষী মহলের এসব কর্মকাণ্ডে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা, মানসিক উদ্বেগের সৃষ্টি হচ্ছে।

শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা : সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

0

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি ইয়াসিন আলীকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার চায়টা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর খায়রুল কবীর জানান, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলার সাড়ে ৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি ইয়াসিন আলী দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও তিনটি মামলা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট সাতক্ষীরার কলারোয়ায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা চালান তৎকালীন ক্ষমতাসীন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এই মামলায় সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবও দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

হাইকোর্টে ৫৩টি বেঞ্চে বুধবার থেকে ভাচুর্য়ালি বিচারকাজ চলবে

0

হাইকোর্ট বিভাগে বিচারকাজ পরিচালনার জন্য ৫৩টি বেঞ্চ গঠন করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। আগামি বুধবার থেকে এসব বেঞ্চে শারীরিক উপস্থিতি ছাড়া ভার্চুয়ালি বিচার কাজ পরিচালিত হবে। এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতি সোমবার নির্দেশনা জারি করেছেন।
নির্দেশনায় বলা হয়, দেশব্যাপী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধ কল্পে শারিরীক উপস্থিতি ব্যতিরেকে আগামী ১১ আগস্ট বুধবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ‘আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার আইন-২০২০’ এবং এ সংক্রান্তে জারি করা প্রাকটিস নির্দেশনা অনুসরণ করে তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে ভার্চুয়ালি হাইকোর্ট বিভাগে বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
গঠিত বেঞ্চের মধ্যে ৩১ টি রয়েছে দ্বৈত বেঞ্চ ও ২২ টি একক বিচারপতির বেঞ্চ। তারা হলেন বিচারপতি মুহাম্মদ আবদুল হাফিজ ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলী (দ্বৈত বেঞ্চ), বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার (দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী (একক বেঞ্চ) বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি কাজী ইজারুল হক আকন্দ(দ্বৈত বেঞ্চ ) বিচারপতি মো: আসফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি ইকবাল কবির( দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী জিনাত হক ( দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারপতি মো: রইস উদ্দিন ও বিচারপতি মো: সোহরাওয়ার্দী (দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারপতি মো: ইমদাদুল হক আজাদ ( একক বেঞ্চ) বিচারপতি মো: আতাউর রহমান খান (একক বেঞ্চ) বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম (একক বেঞ্চ) বিচারপতি মো: রেজাউল হক , বিচারপতি মো: বদরুজ্জামান ( দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারপতি শেখ আব্দুল আউয়াল ( একক বেঞ্চ) বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী (দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান ( দ্বৈত বেঞ্চ), বিচারপতি এ কে এম আবদুল হাকিম ও বিচারপতি ফাতেমা নজিব ( দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারপতি মো: মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হক (দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো:মোস্তাফিজুর রহমান (দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি মো: খায়রুল আলম (দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারপতি মো: রেজাউল হাসান (একক বেঞ্চ) বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিন ( দ্বৈত বেঞ্চ) , বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ ও বিচারপতি এএসএম আবদুল মোবিন( দ্বৈত বেঞ্চ) , বিচারপতি এ এন এম বশিরউল্লাহ (একক বেঞ্চ) , বিচারপতি আব্দুর রব ও বিচারপতি মোহাম্মদ সেলিম ( দ্বৈত বেঞ্চ), বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি মো: আতোয়ার রহমান (দ্বৈত বেঞ্চ) , বিচারপতি শেখ মো: জাকির হোসেন ও বিচারপতি খিজির হায়াত ( দ্বৈত বেঞ্চ) , বিচারপতি মো: হাবিবুল গণি ও বিচারপতি মো: রিয়াউদ্দিন খান (দ্বৈত বেঞ্চ), বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর (একক বেঞ্চ) , বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি আহমেদ সোহেল ( দ্বৈত বেঞ্চ) , বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল (দ্বৈত বেঞ্চ), বিচারপতি মো: রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ইবাদত হোসেন( দ্বৈত বেঞ্চ) , বিচারপতি মো: খসরুজ্জামান ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান (দ্বৈত বেঞ্চ), বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীম) , বিচারপতি মো: নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এস এম মুজিবুর রহমান ( দ্বৈত বেঞ্চ) ,বিচারপতি আকরাম হোসেন চৌধুরী (একক বেঞ্চ) , বিচারপতি আশরাফুল কামাল (একক বেঞ্চ) , বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মুহম্মদ মাহবুবু উল আলম (দ্বৈত বেঞ্চ) , বিচারপতি মো: মুজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো: কামরুল হোসেন মোল্লা( দ্বৈত বেঞ্চ) , বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ( দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ(একক বেঞ্চ), বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার (একক বেঞ্চ), বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হক (একক বেঞ্চ) , বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো: আখতারুজ্জামান ( দ্বৈত বেঞ্চ) , বিচারপতি মো: জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাস (দ্বৈত বেঞ্চ) , বিচারপতি আবু তাহের মো: সাইফুর রহমান ও বিচারপতি মো: জাকির হোসেন (দ্বৈত বেঞ্চ) , বিচারপতি মাহমুদুল হক (একক বেঞ্চ) , বিচারপতি জাফর আহমেদ (একক বেঞ্চ), বিচারপতি কাশেফা হোসেন (একক বেঞ্চ) , বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী( একক বেঞ্চ) , বিচারপতি মো: সেলিম (একক বেঞ্চ) বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান (একক বেঞ্চ) ,বিচারপতি সরদার মো; রাশেদ জাহাঙ্গীর (একক বেঞ্চ) , বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম( একক বেঞ্চ), বিচারপতি মো: মাহমুদ হাসান তালুকদার( একক বেঞ্চ)।

পরীমনি, পিয়াসাদের সঙ্গে নাম জড়িয়ে ব্ল্যাকমেইলের চেষ্টা করছে একটি চক্র

0

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার হওয়া চিত্রনায়িকা পরীমনি, মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা ও মরিয়ম মৌ’র সঙ্গে সমাজের বিশিষ্টজনের ছবি বা ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে একটি গ্রুপ ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করছে । এর সঙ্গে জড়িত এসব চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নিবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম ।
সোমবার (৯ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপির সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলাপকালে এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশনস্) কৃষ্ণপদ রায়, উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মোঃ ফারুক হোসেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, গ্রেপ্তারকৃত নায়িকা ও মডেলদের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে এমন ব্যক্তিদের তালিকার কথা বলে একটি চক্র চাঁদাবাজিতে নেমেছে। এই চক্রটি সমাজের বিশিষ্টজনদের কাছে ফোন করে তালিকার তাদের নাম থাকাসহ তাদের ছবি বা ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি করছে বলে তথ্য পেয়েছে পুলিশ। কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি এই ধরনের চাঁদাবাজির শিকার হওয়ার কথা পুলিশকে জানিয়েছে। এমনকি একজন ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা চেয়ে চিঠি দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে। চাঁদা না দিলে গণমাধ্যমে তার নাম প্রকাশ করার হুমকি দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, মডেল-অভিনেত্রী গ্রেফতারের পর একটি চক্র তালিকার কথা বলে সমাজের বিশিষ্টজনদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আমরা চাই না করোনাকালে এমন আতঙ্ক ছড়াক এবং বিনা কারণে কারো সম্মানহানি ঘটুক। কেউ যাতে মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার না হন সে জন্য সকলকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে। যারা ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কিছু আইনে মামলা হয়েছে। সেই মামলাগুলোই তদন্ত করছে পুলিশ।
তিনি চাঁদাবাজদের কল রেকর্ড করতে ভুক্তভোগীদের পরামর্শ দেন। এসব কল রেকর্ড পরে পুলিশের কাছে জমা দিতে বলেন। পাশাপাশি এই চাঁদাবাজদের বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশকে তথ্য জানাতে অনুরোধ করেন। যারা চাঁদাবাজির বাণিজ্যে নেমেছে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।

পুলিশের কাছে গিয়ে যৌন নিপীড়নের শিকার গৃহবধূ

0

স্বামীর অত্যাচার থেকে বাঁচতে এক নারী সাহায্য চেয়েছিলেন পুলিশের। কিন্তু সাহায্য করার নামে এক পুলিশ কর্মকর্তার হাতে যৌন নির্যাতনের শিকার হতে হলো এই নারীকে। ঘটনাটি ঘটেছে রাজশাহী মহানগরীতে।
নির্যাতনের শিকার ওই নারীর পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সরকারি জরুরি সেবার নম্বরে ফোন করে সাহায্য নিয়ে পুলিশের কাছে গিয়েও যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ (১৮)। রাজশাহী নগরের বোসপাড়া পুলিশ ফাঁড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. শামীমকে সোমবার প্রত্যাহার করা হয়েছে।
নগরের বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারণ চন্দ্র বর্মণ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ওই গৃহবধূর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নগরের এক হোটেল কর্মচারীর মেয়ে স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে বাবার বাড়িতে ফিরে আসেন। তাঁর বাবা চাচ্ছিলেন যেকোনোভাবে মেয়েটা যেন স্বামীর সংসারে টিকতে পারে। এ জন্য ৪ আগস্ট সরকারি জরুরি সেবার নম্বর ৯৯৯–এ ফোন করে পুলিশের সহযোগিতা চান। পরে নগরের বোসপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মো. শামীম তাঁদের বাসায় যান। তিনি মেয়েটির স্বামীর নির্যাতনের বর্ণনা শোনেন। স্বামীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তিনি মেয়েটিকে পুলিশ ফাঁড়িতে দেখা করতে বলেন। মেয়েটি রোববার দুপুরে তাঁর মাকে সঙ্গে করে পুলিশ ফাঁড়িতে যান। এ সময় বাইরে একজন সেন্ট্রি ছিলেন। ভেতরে এএসআই শামীম একাই ছিলেন। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় কথা বলার জন্য মেয়েটির মাকে শামীম বাইরে যেতে বলেন। মেয়েটির মা বাইরে এসে দাঁড়ানোর কিছুক্ষণ পরেই মেয়েটি চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে বাইরে বের হয়ে এসে তাঁর মাকে বলেন, ওই পুলিশ তাঁকে যৌন নিপীড়ন করেছেন। মেয়েটির বাবা বলেন, তখন বেলা ২টা ৩৬ মিনিট। তাঁর স্ত্রী ফাঁড়ির সামনে থেকে ফোন করে তাঁকে ঘটনার কথা জানান। তিনি সঙ্গে সঙ্গে আবার ৯৯৯–এ ফোন করেন। তারা তাঁকে বোয়ালিয়া থানায় এসে অভিযোগ করতে বলেন। ওই দিন বিকেলেই বোয়ালিয়া থানায় এসে মেয়ের মা বাদী হয়ে এএসআই শামীমের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। ওই দিন রাতেই স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয়ে একটি সালিস ডাকা হয়। সেখানে এএসআই শামীম মেয়েটির বাবার হাত ধরে ক্ষমা চান। কিন্তু মেয়েটির বাবা তাঁর সঙ্গে মীমাংসা করতে রাজি হননি।
মেয়েটির বাবার অভিযোগ, ওই সালিসে কোনো আপসনামা লেখা হয়নি এবং তাঁরা তাতে সইও করেননি। কিন্তু শামীম বোয়ালিয়া থানায় ভুয়া সই করে একটি আপসনামা জমা দেন।
ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরমান আলী বলেন, তাঁর কার্যালয়ে এএসআই শামীম মেয়েটির বাবার হাতে ধরে ক্ষমা চেয়ে বলেছেন, তিনি তেমন কোনো অন্যায় করেননি। তারপরও তিনি ক্ষমা চাচ্ছেন।
এ বিষয়ে জানাতে মেয়েটির বাবা সোমবার দুপুরে সরাসরি রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি খুলে বলেন। পুলিশ কমিশনার তাঁদের বোয়ালিয়া থানার ওসির কাছে পাঠান।
ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মণ প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা আপসের কথা অস্বীকার করছেন। তাঁদের অভিযোগের এখন তদন্ত হবে। ইতিমধ্যেই এএসআই শামীমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। খবরের সূত্র- প্রথম আলো।